মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১১ আশ্বিন ১৪২৪, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

কার্পেটিং উঠে গেছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাস্তাগুলোর

প্রকাশিত : ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ০৪:০৫ পি. এম.
কার্পেটিং উঠে গেছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাস্তাগুলোর

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঠাকুরগাঁও॥ ঠাকুরগাঁওয়ের অধিকাংশ সড়কেরই কার্পেটিং উঠে গেছে। সড়কে তৈরি হয়েছে ছোটবড় অসংখ্য খানাখন্দ। বৃষ্টিতে এসব গর্তে পানি জমে থাকায় পাড়া-মহল্লাসহ এলাকাবাসীদের যেন ভোগান্তির অন্ত নেই। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে এসব রাস্তার এমন বেহাল দশা।

সরেজমিনে দেখা যায়, সংস্কারের অভাবে পৌর শহরের চৌরাস্তা, বসিরপাড়া, সরকারপাড়া, পূর্ব গোয়ালপাড়া, মুন্সিপাড়া, আশ্রমপাড়া, হঠাৎপাড়াসহ উপজেলার সড়ক মহাসড়কগুলোতে তৈরি হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দ। পাথর ও ইটের খোয়া বেরিয়ে এসেছে। ঝাঁকি খেতে খেতে আগাচ্ছে রিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ নানা যানবাহন। খানাখন্দে জমে থাকা কাদা পানি ছিটকে নোংরা হচ্ছে পথচারীদের পোশাক।

শহরের সিরাজ-দৌল্লা সড়কের বসিরপাড়া, সরকারপাড়া ও পূর্ব গোয়ালপাড়া এলাকায় চারটি বেসরকারি ক্লিনিক রয়েছে। ওই এলাকার রাস্তাগুলো দীর্ঘদিন ধরেই ভাঙা। ফলে এলাকাবাসীসহ ক্লিনিকগুলোতে আসা রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

বসিরপাড়া এলাকার বাসিন্দা আক্কাছ আলী বলেন, ‘আমাদের এলাকার রাস্তাটি কয়েক বছর ধরেই ভাঙা। রাস্তাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকার সংযোগ সড়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অথচ এটি চলাচলের অনুপযোগী।’

এ ছাড়া মুন্সিপাড়ার রাস্তার কার্পেটিং উঠে তৈরি হয়েছে অসংখ্য গর্ত। দুই পাশ ভেঙে সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় যানবাহন চলাচলও হয়ে পড়েছে ঝুঁকিপূর্ণ। সামান্য বৃষ্টিতেই নরেশ চৌহান সড়কের হলপাড়ার সংযোগ রাস্তা দুটোতে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। জলাবদ্ধতার কারণে নর্দমার ময়লা-আবর্জনা রাস্তায় চলে আসে। মহল্লাবাসীকে নোংরা, দুর্গন্ধযুক্ত পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হয়। আশ্রমপাড়ার বঙ্গবন্ধু সড়কের সংযোগ রাস্তাগুলোর দীর্ঘদিন ধরেই ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে।

মুন্সিপাড়া এলাকায় কথা হয় রিকশাচালক সাদেকুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, চার দিন আগে তিনি অসুস্থ্য এক গৃহবধূকে নিয়ে হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। অসাবধানতাবশত হঠাৎ গর্তে একটি চাকা পড়ে রিকশাটি উল্টে যায়। এতে ওই রোগী এবং তিনি দুজনই গুরুতর ভাবে আহত হন।

পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী বেলাল হোসেন পৌর এলাকার পাড়া-মহল্লার রাস্তাগুলো ভেঙে গেছে বলে স্বীকার করে বলেন, ‘রাস্তাগুলো সংস্কারের প্রয়োজন থাকলেও বর্ষা শেষ হওয়ার আগে রাস্তাগুলোতে সংস্কারকাজ শুরু করা যাবে না। বৃষ্টির মৌসুম শেষ হওয়া মাত্রই সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।’

প্রকাশিত : ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ০৪:০৫ পি. এম.

০৫/০৯/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: