২২ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৬ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথ চালু না হলে সুন্দরবনে বিরুপ প্রভাব পড়বে


স্টাফ রিপোর্টার ॥ মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথ পুরোপুরি সচল না হওয়ায় সুন্দরবনের শ্যালা নদী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করছে। এতে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত এই অনন্য প্রাকৃতিক সম্পদ। এই অবস্থা অব্যাহত থাকলে নিকট ভবিষ্যতে সুন্দরবনের উপর বিরুপ প্রভাব পড়বে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এই প্রেক্ষাপটে মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথ খনন ও এটি শতভাগ সচল করার তাগিদ দিয়েছেন তারা।

শনিবার রাজধানীর পুরান পল্টনে কমরেড মণি সিংহ সড়কের মুক্তি ভবনে ‘সুন্দরবন রক্ষায় মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথের গুরুত্ব: খনন কাজের অগ্রগতি ও পর্যালোচনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

জাতীয় কমিটির উপদেষ্টা ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ মনজুরুল আহসান খান, বলেন, অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ না হলে সরকারের কোনো ভালো উদ্যোগই সফল হবে না। মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথ খননে বিআইডব্লিউটিএর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে অসহযোগীতার অভিযোগ করেন তিনি। বিশিষ্ট লেখক-গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথ খনন ও এটি শতভাগ সচল করার তাগিদ দেন।

পানি সম্পদ বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ম. ইনামুল হক বলেন, নৌপথটি খননের শেষপর্যায়ে এসে সিইজিআইস এর পরামর্শে বিআইডব্লিউটিএ নতুন নতুন সমস্যা তুলে ধরছে। প্রকৃতপক্ষে সিইজিআইএস একটি বিতর্কিত প্রতিষ্ঠান। তাদেরকে পরামর্শক নিয়োগ করায় বিআইডব্লিউটিএ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বৃহৎ প্রকল্পগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

সিপিবি নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, সুন্দরবন রক্ষায় মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথ খনন প্রকল্প সফল করতে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে নিরপেক্ষ শক্তিশালী পর্যবেক্ষণ দল গঠন করে সরকারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে হবে।

মতবিনিময় সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতিম-লীর সদস্য নুরুর রহমান সেলিম, নিরাপদ সড়ক ও নৌপথ বাস্তবায়ন জোটের আহ্বায়ক তুসার রেহমান, কাজী হুমায়ুন কবির মিঠু, সাবেক সাংসদ তাসনীম রানা, বিআইডব্লিউটিএর সাবেক পরিচালক এমদাদুল হক বাদশা, প্রকৌশলী তোফায়েল আহমেদ ও সেকেন্দার হায়াত।