১৮ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৫ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

অভিনব প্রেম নিবেদন...


কোন দেশ বা কোন সংস্কৃতির মানুষ কিভাবে ভালবাসার মানুষটিকে বিশেষ অনুভূতি জানায়?

এর উত্তর খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে এলো দারুণ মজার কিছু তথ্য

মনে প্রেম, বগলে আপেল...

অস্ট্রিয়ায় মেয়েদের মধ্যে প্রেম নিবেদনের অদ্ভুত এক রেওয়াজ আছে। গ্রাম এলাকায় ঐতিহ্যবাহী নাচের সময় মেয়েরা আপেল নিয়ে বগলের নিচে রাখে। আর কিছুক্ষণ পর সেই আপেল তুলে দেয় ভাললাগার মানুষটির হাতে। ছেলেটি যদি আপেলটি খায়, তাহলে বুঝে নিতে হবে যে, সে প্রেম করতে রাজি।

একটা চুম্বন দাও....

অনেক দেশে, সংস্কৃতিতে প্রকাশ্যে চুম্বন করা না গেলেও, প্রেমে চুম্বনের গুরুত্বকে অস্বীকার করা যায় না। আজকাল অবশ্য প্রেমহীন চুম্বনও বাড়ছে। চুম্বনের প্রতিযোগিতা হয়, সেখানে বিশ্বরেকর্ডও হয়। ছবিতে থাইল্যান্ডের এই জুটি রেকর্ড গড়ার কথা মাথায় রেখেই ঠোঁটে ঠোঁট রেখেছিলেন? দু-দিনেরও বেশি সময় ধরে চলেছে এই চুমু। সেই সুবাদে এখন তাঁরা দীর্ঘতম চুমুর রিশ্বরেকর্ডের মালিক। গিনেস বুকেও নাম আছে তাঁদের।

নতুন সূচনা

প্রেম আছে, বিরহ-বিচ্ছেদও আছে। তবে আগের মতো বিরহ বা বিচ্ছেদের সময় সবার এত দীর্ঘ হয় না। পাশ্চাত্যে প্রেমিক বা প্রেমিকা সাধারণত বিচ্ছেদের চার-পাঁচ মাসের মধ্যেই নতুন কাউকে খুঁজতে শুরু করে। আমাদের যেমন ঈদ, বইমেলা বা সরস্বতী পুজো, তেমন ইউরোপে নতুন সম্পর্ক শুরুর জন্য বেশিরভাগেরই পছন্দ বড়দিনের সময়। বিশেষ করে বড়দিনের দু’সপ্তাহ আগের সোমবারটাই বেশিরভাগ তরুণ-তরুণীর পছন্দ।

প্রেমে শরীরী ভাষা

প্রেমে শরীরী ভাষার গুরুত্ব আছেই। তবে সেটা কতটুকু? প্রথম ‘ডেট’ বা প্রথমদিন প্রেম করতে বেরিয়েই কি শারীরিক সর্ম্পক না হলে নয়? পাশ্চাত্যে অনেকে প্রথম ডেট-এ শারীরিক সর্ম্পককে মোটামুটি অপরিহার্য মনে করলেও, বাস্তবে খুব কম মানুষই বিষয়টিকে ভাল চোখে দেখেন। ‘টাইম আউট’ ম্যাগাজিন বিশ্বের নানা শহরের ১১ হাজার মানুষকে নিয়ে একটা জরিপ চালিয়েছিল। সেখানে মাত্র ১০ ভাগ মানুষ প্রথম ডেট-এ শারীরিক সর্ম্পককে সমর্থন করেছেন।

‘লাভ’ আগে-পরে...

আজকাল সরাসরি প্রেম নিবেদনের অনেক আগেই শুরু“হয়ে যায় মেসেজ-বিনিময়। এমনকি বিয়ে হলেও মেসেজ-বিনিময় চলতে থাকে। তবে মেসেজের ভাষাটা যায় বদলে। ডেটা সায়েন্টিস্ট এলিস ঝাও নিজেও বিয়ের আগে তাঁর প্রেমিককে নিয়মিত ‘লাভ ইউ’ মেসেজ লিখতেন। আর আজকাল সেখানে শুধু ‘হাই’, ‘হ্যালো’, ‘বাসায়’, ‘ওকে’, ‘হ্যাঁ’, ‘না’- এই জাতীয় শব্দই লিখছেন। আসলে এখন তো প্রেমের কথা ঘরে মুখোমুখি বসেই বলা যায়, মেসেজে লেখার কি দরকার!

শিস বাজিয়ে...

মেক্সিকোর কিকাপু উপজাতির পুরুষেরা প্রেম করে শিস বাজিয়ে। যাকে পছন্দ তাকে শিস বাজিয়ে ডেকে নেয় প্রেমিক পুরুষ। মেয়েটি সাড়া দিলে শুরু হবে কথা। তবে সে কথায় একবারও আসবে না, ‘আমি তোমাকে ভালবাসি?’ আশপাশে লোকজন থাকলে তো বটেই, না থাকলেও আকার-ইঙ্গিতেই একে-অপরকে বলবে ‘ভালবাসি’।

তথ্যসূত্র : ডয়েচ ভেলে