২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

দুই কোটি লোকের দেখাশোনা কে করবে?


রোজার আগের কথা। হঠাৎ করে ঠিক করি শ্রীমঙ্গল যাব। এটা বলা যায় একটা স্বপ্নই ছিল। সিলেটের অনেক জায়গায় আগে গেছি। গেছি অফিসের কাজে। সকালে যাওয়া, বিকেলে ফেরত আসা। নতুবা বড় জোর রাতে হোটেলে থেকে সকালে ঢাকা ফেরা। এটা কোনভাবেই সিলেট দেখা নয়। তবু বলেছি সিলেট গেছি বহুবার, কিন্তু শ্রীমঙ্গল যাওয়া হয়নি। অনেকে বলেছেন, তাহলে আপনার সিলেট যাওয়াই হয়নি। এমতাবস্থায় ঠিক করি শ্রীমঙ্গল যাব- যাব জিপে করে যাতে ঘুরেফিরে দেখতে পারি। যাহা ঠিক করা তাহা বাস্তবায়ন। ভীষণ বৃষ্টির মধ্যেই রওনা দিলাম শ্রীমঙ্গলের উদ্দেশে। আকাশ মেঘে ভরা, কালো কালো মেঘ। এতে এমনিতেই মন ভারি হয়ে যায়, বিষণ্ন হয়ে যায়। কিন্তু রওনা যখন দিয়েছি যেতেই হবে শ্রীমঙ্গল। যেতে যেতে সিলেট এবং শ্রীমঙ্গল সম্পর্কে ছোটবেলার স্মৃতি ঝালাই করছিলাম! স্কুলজীবনে সিলেট গিয়েছিলাম স্কাউট হিসেবে। মুরারি চাঁদ কলেজের মাঠে ছিল তাঁবু। লে. জেনারেল আজম খান প্রধান অতিথি। কত কথা সিলেট সম্পর্কে। আমাদের শিক্ষক বলতেন সিলেট হচ্ছে কমলালেবুর দেশ, চুনাপাথরের দেশ, ‘টেপি’ ধানের দেশ। সিলেট পাহাড়-পর্বত টিলার দেশ। কিশোরগঞ্জের লোকদের কাছে সিলেট হচ্ছে বেকার সময়ের দেশÑ সেখানে যাওয়া ধান কাটার কাজে। দুই পয়সা রোজগার। আরও বড় যখন হয়েছি, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসেছি তখন সিলেটী বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয়, কথাবার্তাÑ ‘কিতা বা, বালা আচুইননি’। ভীষণ মজা লাগত ওই সব কথা। তাদের কাছে শুনতাম তাদের আত্মীয়স্বজন সব লন্ডন, বিলেত। সুচিত্রা সেন ও উত্তম কুমারের অনেক সিনেমাতে দেখেছি বিলেত ফেরত নায়ক। সেই বিলেত থাকে সিলেটীরা। ভীষণ ব্যাপার! তারা কত ধনী। দেখতাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রী নিয়ে বা না নিয়েই অনেক সিলেটী বন্ধু পাড়ি জমাচ্ছে বিলেতে। সিলেটীরা টিলায় সুন্দর বাড়ি করে থাকে। সিলেট হাছনরাজার দেশ, শ্রীচৈতন্যের দেশ, হযরত শাহ্্জালালের পুণ্যভূমি। এক কথায় সিলেট আমার মনে ছোটবেলায় দাগ কেটে রেখেছে। সেই সিলেট বা শ্রীমঙ্গল যাচ্ছি, সঙ্গে স্ত্রী বীথিকা। দুপুরের দিকে পৌঁছেই খেয়ে নেই। রোদ নেই তখন, কিন্তু বৃষ্টিও নেই। বেরিয়ে পড়লাম, সঙ্গে দুই সঙ্গীÑ এরা সিলেটের লোক। শ্রীমঙ্গল যেতে পড়ল ভৈরব, মাধবপুর, শায়েস্তাগঞ্জ, বাহুবল, সাতগাঁও। মণিপুরীপাড়ায় গেলাম, কাপড়ের দোকান দেখলাম, সাতরঙের চা খেলাম, চা বাগান দেখলাম। বিশাল চা বাগান এমআর খান টি এস্টেট। তার গেস্ট হাউসে ছিলাম কিছুক্ষণ, তারপর রাবার প্লান্টেশনের গেস্ট হাউসে। রাস্তার পাশেই দেখলাম গ্র্যান্ড সুলতান হোটেল। দৈনিক ঘরভাড়া না কি ২৫-৩০ হাজার টাকা। মাথা ঘুরে যাওয়ার মতো অবস্থা। জিজ্ঞাসা করে জানলাম, শ্রীমঙ্গল টাউনে বাইরের লোকেরাই ব্যবসায়ী। একজন সিলেটী চাকুরেই বলল, সিলেটীরা নাকি ব্যবসা জানে না। তাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, নোয়াখালীর লোকেরাই ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে। শ্রীমঙ্গলে অনেক হিন্দুর বসবাস। চা বাগানের অবাঙালী শ্রমিকদের হিসেবে নিলে হিন্দু ভোটারের সংখ্যা প্রচুর। রাত হয়ে গেল বিপত্তি। একটা ওষুধ নিয়ে যেতে ভুল করেছি। সারা শ্রীমঙ্গলে তা পাওয়া যায় না। অতএব সিদ্ধান্ত, ফিরে যেতে হবে শ্রীমঙ্গল না দেখেই। না, তা কিভাবে হয়। আবার ঠিক করলাম দুপুর পর্যন্ত শ্রীমঙ্গলে থাকব, বিকেলে ঢাকা রওনা দেব। এর মধ্যে যা দেখা যায় দেখে নেব- কী আর করা! সকালে চা বাগানের ভেতর দিয়ে রওনা দিলাম কমলগঞ্জ- যেখানে বর্তমান মাননীয় প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা সাহেবের বাড়ি, সেখানে যেতে হলো জাতীয় উদ্যান লাউয়াছড়ার ভেতর দিয়ে। বিশাল উদ্যান। গাঢ় সবুজ লতাপাতা আর বৃক্ষরাজির উদ্যান। প্রায় ঘণ্টাখানেক উদ্যানের ভেতর দিয়ে গিয়ে এক সময় পৌঁছলাম কমলগঞ্জ। দেখতে হবে মাধবপুর লেক। দেখার মতো জায়গা। চা বাগানের ভেতর দিয়ে যেতে হয়। বিশাল লেক, সঙ্গেই পাহাড়সম টিলার মতো বিশাল বন্যভূমি। এত উঁচুতে ওঠা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। অগত্যা কী আর করা, চা খাওয়া আর চা শ্রমিকদের শিশুদের সঙ্গে কথা। না, এসব কথাবার্তা না হওয়াই ভাল ছিল। চা শ্রমিকদের অল্পবয়স্ক ছেলেমেয়েরা যা বলল, তা রীতিমতো আমার জন্য চমকপ্রদ। আমার জানা ছিল চা শ্রমিকদের বেতন-ভাতা কম। তবে তাদের বাগানের ভেতরেই থাকতে দেয়া হয়। এতে বাড়ি ভাড়া লাগে না। তারা শুধু জমিতেই কাজ করতে পারে, গাই-গরু পালতে পারে। শ্রমিকদের রেশনে চাল-গম দেয়া হয়। চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে। এসব চা বাগানে কাজ করে এমন এক বন্ধুর সঙ্গে মাঝেমধ্যে কথা বলে জেনেছি। কিন্তু শিশুদের কথায় আমার ধারণা পাল্টে যায়। দিনে ২৩ কেজি চা পাতা জমা দিলে চা শ্রমিকরা পায় মাত্র ৬৯ টাকা। রেশন ছয় দিনে ৩ কেজি। রবিবার বন্ধ। ছয় দিনে তারা পায় মাত্র ৪১৪ টাকা। চিকিৎসা মানে প্যারাসিটামল। থাকার জায়গা মানে মাটির ভাঙ্গা ঘর। বাচ্চাদের কাছ থেকে যে হিসাব পেলাম তা দিয়ে কোনকিছুই মেলাতে পারছিলাম না। পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, এটি একটি বঞ্চিত জনগোষ্ঠী। মনে হলো যেন এরা ‘বন্ডেড’ লেবার। চা বাগানের ভেতর দিয়ে যেতে যেতে বহু শ্রমিকের দিকে তাকিয়েছি। খালি গায়ে অনেকেই অথবা জীর্ণবস্ত্র পরিধানে। ভেতরের রাস্তা দিয়ে রাখালদের গরু নিয়ে যেতে দেখেছি। এদের চেহারার দিকে তাকানো যায় না। মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেল এসব দেখে। এত দারিদ্র্যপীড়িত অঞ্চল! একজন বলল, সিলেটে নাকি ১৪৮টি চা বাগান। নিশ্চয়ই হাজার হাজার চা শ্রমিক। তাদের এই অবস্থা। যে সিলেটকে আমি জানতাম ধনী লোকের অঞ্চল সেই সিলেটের একটি অঞ্চলের শ্রমিকদের এই অবস্থা। আগেই জেনেছি সিলেটী কমলালেবু বলে সবিশেষ কিছু নেই। তাহলে কী দাঁড়াল? আমার কী এই বয়সে সিলেট সম্বন্ধে ধারণা বদলাতে হবে? সম্ভবত তাই। সম্ভবত কেন, বদলাতেই হবে, বিশেষ করে একটি দৈনিকের সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদন পড়ে। গত মাসের ২৬ তারিখে প্রকাশিত খবরটির শিরোনাম : ‘অস্তিত্ব সঙ্কটে হাওড়বাসী’। খবরটির বিষয়বস্তু মর্মস্পর্শী। বিশ্বাস করা কঠিন। হাওড়বাসীর সংখ্যা কত? দুই কোটি। দুই কোটি হাওড়বাসীর অস্তিত্ব আজ সঙ্কটে।

আসিকুর রহমান সাগর ও হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী যৌথভাবে প্রতিবেদনটি লিখেছেন। পরিকল্পনা, উদ্যোগ ও সরকারী পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে দেশের হাওড় অঞ্চলের দুই কোটি মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটেনি। কাটেনি দারিদ্র্যের অন্ধকার। কালের বিবর্তনে ভাটির এই জনপদে অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক সর্বোপরি বৈশ্বিক উষ্ণতায় পরিবেশগত সঙ্কট দেখা দিয়েছে। জেলার ‘হাওড়ভিত্তিক’ অর্থনীতি এখন বিপর্যস্ত। দিন দিন জলবায়ু সঙ্কট এখন তীব্র হচ্ছে। বর্ষায় উজান থেকে পলি-বালি নেমে নদী-খাল কৃষিজমি ভরাট হচ্ছে। মাছের অভয়াশ্রম ধ্বংস হচ্ছে। নদী ভাঙন তীব্র হচ্ছে। অকালে বৃষ্টি, বন্যা, খরা ও পাহাড়ী ঢলে ফসলি জমি বিনষ্ট হচ্ছে। যদিও ইরি বাড়ছে কিন্তু ঐতিহ্যবাহী আমন-আউশ চাষ কমে যাচ্ছে। এলাকার মানুষের প্রধান অবলম্বন মাছ-ধানসহ প্রাকৃতিক সম্পদ সঙ্কুচিত হয়ে আসছে। মিলছে না প্রয়োজনীয় শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ দরকারি সেবা। ফলে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের পথে চলেছে হাওড়বাসী। নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাই কঠিন হয়ে পড়েছে। হাওড় অঞ্চল কোন্্টি? প্রতিবেদকদ্বয় বলছেন, মূলত দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত প্রাকৃতিক জলাভূমিকে হাওড় বলা হয়। সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একাংশ নিয়ে এই হাওড় এলাকা গঠিত। এই সাত জেলার ৪৮টি উপজেলার দুই কোটি মানুষ হাওড়ে বসবাস করে। এর মধ্যে ২০ লাখ একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চলের বাসিন্দা। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, ৬-৭ মাসই হাওড়ের অধিকাংশ মানুষ পানিবন্দী হয়ে বেকার থাকে। এলাকার ২৯ শতাংশ লোকের কোন জমি নেই। তারা বন্যার কারণে ফসল ঘরে তুলতে পারে না। প্রবল ঢেউ থেকে রক্ষা করে যে বন তা উধাও হয়ে যাচ্ছে।

এই যে চিত্র প্রতিবেদকদ্বয় তাদের প্রতিবেদনে তুলে ধরেছেন তা কি তথ্যভিত্তিক নয়? তা কি অতিরঞ্জিত প্রতিবেদন? আমি ব্যক্তিগতভাবে কিছুই বলতে পারব না। বলতে পারবেন বর্তমান সরকারের চারজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। এরা সিলেটের লোক এবং সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদের অধিকারী। এই চারজন হলেন : মাননীয় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান। এরাই জবাব দেবেন প্রতিবেদকদ্বয়ের তথ্য সঠিক কি-না। সাদামাটা চোখে একটা জিনিস আমার কাছে পরিষ্কার। তা হচ্ছে সিলেট শুধু পীর-আউলিয়ার জায়গা নয়। এই সিলেটের মাটির নিচে রয়েছে গ্যাস- অমূল্য সম্পদ। মাটির উপরে রয়েছে চা বাগান- আরেক অমূল্য সম্পদ। বিদেশে রয়েছে পাউন্ড-স্টার্লিং রোজগাররত হাজার হাজার সিলেটী, যাদের রয়েছে অমূল্য সম্পদ। বাংলাদেশের আর কোন অঞ্চলের এই সুবিধা নেই। দ্বিতীয় এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ খবর হচ্ছে সিলেট জেলাই একমাত্র জেলা, যে জেলা থেকে বাংলাদেশের তিনজন নেতা অর্থমন্ত্রী হয়েছেন। মোঃ সাইফুর রহমান, শাহ এএমএস কিবরিয়া এবং বর্তমান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। অধিকন্তু এবার রয়েছেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান। এরা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। স্বভাবতই প্রশ্ন : সিলেট তাহলে কেন অনুন্নত থাকবে। মাথাপিছু ব্যাংক আমানত এবং মাথাপিছু ব্যাংকঋণের নিরিখে সিলেট হওয়ার কথা এক নম্বর। কিন্তু বাস্তবে কি তাই? নিশ্চয়ই নয়। সিলেট লেখাপড়ায় হওয়ার কথা এক নম্বর। কিন্তু বাস্তবে কি তাই? বাংলাদেশের ধনী লোকদের তালিকায় সিলেটীদের থাকার কথা এক নম্বরে। বাস্তবে কি তাই? শিল্পপতিদের তালিকায় সিলেটীদের থাকার কথা এক নম্বরে। বাস্তবে কি তাই? হাছনরাজার দেশ সিলেট। এই কারণে সিলেট উদার গণতান্ত্রিক ও সাংস্কৃতিক জগতে ‘নেতৃত্ব’ দেয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে কি তাই? এসব প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নেই। কিন্তু প্রত্যাশার কথা জানি। সিলেটের কাছ থেকে বাংলাদেশের প্রত্যাশা অনেক বেশি। বিদেশী বিনিয়োগে সিলেট থাকার কথা অগ্রগামী। হাজার হাজার সিলেটী লন্ডনবাসী। তাদের প্রচুর পাউন্ড-সম্পদ। এক পাউন্ড সমান এক শ’ টাকারও বেশি। তারা ওই সম্পদের একাংশও যদি বাংলাদেশের কল্যাণে বিনিয়োগ করে তাহলে তার পরিমাণ হবে বিপুল। কেন তা হয় না? এর কোন জবাব আমার জানা নেই। সিলেটের লোকেরা সিলেটে তো দূরের কথা, বাংলাদেশের অন্যত্রও বিনিয়োগে এগিয়ে আসছে না। এর কারণ কী? তারা হাছনরাজার গানকে জনিপ্রয় করার প্রয়াসেও মনোযোগ দিতে পারতেন। তা করছেন কি? অনেক প্রশ্ন। এসব প্রশ্নের জবাব আমার কাছে নেই। তবে সিলেটের কাছ থেকে প্রত্যাশা অনেক বেশি- এ কথা আমি বলতে পারি। প্রতিবেদকদ্বয় তাদের প্রতিবেদনে যে মর্মস্পর্শী বর্ণনা দিয়েছেন তার উত্তর কী? ১৬ কোটি লোকের মধ্যে দুই কোটি লোক যদি বঞ্চিত থাকে, দারিদ্র্যের মধ্যে দিনযাপন করে- তাহলে আমাদের সকল অহঙ্কার মিথ্যায় পর্যবসিত হয় না কী?

লেখক : ম্যানেজমেন্ট ইকোনমিস্ট ও

সাবেক শিক্ষক, ঢাবি