১৫ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

ঠাকুরগাঁও রুটে চলাচলকারি বিআরটিসি বাসগুলোর বেহাল দশা


ঠাকুরগাঁও রুটে চলাচলকারি বিআরটিসি বাসগুলোর বেহাল দশা

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঠাকুরগাঁও॥ ঠাকুরগাঁও রুটে চলাচলকারি বিআরটিসি বাস গুলোর বেহাল দশা চলছে। বাস গুলোর অবস্থা এতটাই নাজুক যে, সামান্য বৃষ্টি হলেই বাসের ভিতরে পানি পড়ে। বসে বা দাঁড়িয়ে কোন অবস্থাতেই বৃষ্টি থেকে রেহাই পাওয়ার উপায় নেই। ফলে যাত্রীদের গাড়ীর ভিতরে ভেজা ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না। ফলে বৃষ্টি থেকে রেহাই পেতে অনেক যাত্রীকেই দেখা যায় বাসের ভিতরে ছাতা মাথায় চলাচল করছে।

রংপুর-ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় রুটে পৌনে দুই শ’ কিলোমিটার দূরত্বে প্রতিদিন প্রায় ৩৫ থেকে ৪০টি বিআরটিসি বাস যাতায়াত করে। লক্কর ঝক্কর এ বাস গুলোর যেন সমস্যার অন্ত নেই। বাসের ছাদ, জানালার কাঁচ, সিট সবকিছুই ভাঙ্গা, সামান্য ঝাঁকুনিতে বিকট শব্দ হয়, যেন ভ্রাম্যমান কারখানা চলছে। দু’ একটি ছাড়া প্রতিটি বাসের অবস্থা একই রকম। সঠিকভাবে করা হয়না মেরামত। আবার মেরামতের নামে চলে দূর্নীতি আর অনিয়ম। সরকারি এ প্রতিষ্ঠানটির সেবা যেখানে সবার চেয়ে ভালো ও আরামদায়ক হওয়ার কথা, সেখানে সেবার নামে বস্তুটি যেন এ যাত্রীদের কাছে অপরিচিত। যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকলেও নেই সুষ্ঠ কোন নজরদারি ও ব্যবস্থাপনা। এর অংশ হিসাবে বাসগুলোর চালক, সুপারভাইজার ও হেলপারদের নিকট চুক্তিতে দেওয়া হয়। তারা আর সেবার কথা মাথায় না রেখে ব্যবসাকেই গুরুত্ব দেয় বেশী। ফলে কাঙ্খিত সেবা থেকে বরাবরই বঞ্চিত হতে হয় সাধারণ যাত্রীদের।

স্ত্রী ও ছোট বাচ্চা নিয়ে রংপুর থেকে পঞ্চগড় যাচ্ছিলেন সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, গন্তব্যে যাওয়ার সিট পেয়েছি ঠিকই, কিন্তু বৃষ্টির কারণে সেই সিটে বসেই পরিবার নিয়ে ভিজতে হচ্ছে। গাড়ীতে উঠেও যদি ভিজতে হয় তাহলে আর কি বলার থাকে ?

এ ব্যপারে বিআরটিসি’র ঠাকুরগাঁও বাস কাউন্টার ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম জানান, গাড়ীর এমন সমস্যার কারণে যাত্রীরা সব সময় অভিযোগ করেন। আমরা অনেকবার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট এসব সমস্যার কথা জানিয়েছি। কিন্তু কোন লাভ হয়নি।

তবে সাধারণ যাত্রীদের প্রত্যাশা অচিরেই কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের দূর্ভোগ লাঘবে বাসগুলো মেরামত করাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।