২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৪ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

এশিয়ার এসএমই গতিশীল করতে পুঁজি যোগান প্রয়োজন-এডিবি


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশসহ এশিয়ার ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (এসএমই) গতিশীল করতে পুঁজি যোগান প্রয়োজন। এটিই এখন এশিয়ার টেকসই প্রবৃদ্ধির প্রধান নিয়ামক, যা সাম্প্রতিক মন্দাবস্থা থেকে বিশ্ব অর্থনীতিকে টেনে তুলতে পারে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। ‘দ্য এশিয়া এসএমই ফাইন্যান্স মনিটর ২০১৪’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনটি বুধবার প্রকাশ করা হয়। উন্নয়নশীল এশিয়ার ২০টি দেশের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে প্রতিবেদনে বলা হয়, গড়ে এশিয়ার দেশগুলোর ৯৬ শতাংশ শিল্পই এসএমই। এ সকল শিল্প দেশে ৬২ শতাংশ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে অথচ এই শিল্প অর্থনীতিতে মাত্র ৪২ শতাংশ অবদান রাখছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এশিয়ার দেশগুলোর সরকারের উচিত এই শিল্পকে সহায়তা করা, যাতে এই শিল্প আরও বেশি প্রতিযোগী হয়ে বৈশ্বিক ‘ভ্যালু চেনে’ অংশগ্রহণ করতে পারে।

ব্যাংক ঋণ প্রাপ্তিতে সীমিত সুযোগ এশিয়ার দেশগুলোর এসএমইর প্রধান সমস্যা। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সঙ্কট শুরুর পর থেকেই এ খাতে ঋণ প্রদান কমছে। ২০১৪ সালে এশিয়ার এসএমই খাত মোট প্রদানকৃতি ঋণের মাত্র ১৮.৭ শতাংশ ঋণ পেয়েছে।

এ সমস্যা কাটাতে বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। কোন কোন দেশ (পাপুয়া নিউগিনি) ভ্রাম্যমাণ সম্পদকে জামানত হিসেবে গ্রহণের বিধান করছে, আবার কোন কোন দেশ (ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপিন্স) কোটা ব্যবস্থা চালু করে এসএমই খাতে ব্যাংক ঋণ প্রদান বাধ্যতামূলক করেছে। মঙ্গোলিয়া এবং কাজাখস্তান পুনর্অর্থায়ন স্কিম চালু করে এখানে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করেছে।

কিন্তু এসব ব্যবস্থা এশিয়ার এসএমই খাতের বিকাশে পর্যাপ্ত নয়। এ খাতের বিকাশে এশিয়ার দেশগুলো বিশেষ নিম্ন আয়ের দেশগুলোর উচিত জামানত ও ঋণ গ্যারান্টি ব্যবস্থা আরও সহজীকরণ করা, যাতে এসএমই শিল্প সহজে ঋণ পায়।