১৩ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

সম্পাদক সমীপে


কক্সবাজারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চাই

কক্সবাজার জেলা বাংলাদেশের প্রধান পর্যটন শহর। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতও অবস্থিত। আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাবে এখানকার মানুষ বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না। তারা দিন দিন প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে। বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলানোর জন্য প্রয়োজন প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও বৈজ্ঞানিক মানসিকতাসম্পন্ন জনশক্তির।

বাংলাদেশে বর্তমানে ৩৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। কক্সবাজার জেলায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় নেই। কক্সবাজার জেলায় বর্তমানে সরকারী কলেজ রয়েছে দুটি। যেখানে প্রতিবছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী প্রযুক্তিগত শিক্ষার অভাবে বেকার হয়ে পড়ায় ইয়াবা নামক মরণ নেশা ও মানবপাচারেরর মতো জঘন্য অপরাধে জড়াচ্ছে। ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক অবস্থানের কারণে এখানে রাষ্ট্রীয়ভাবে একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এখন সময়ের দাবি।

মাহবুব নেওয়াজ

কক্সবাজার।

মাদক থেকে মুক্তি

বাংলাদেশে মাদকের ভয়াবহতা দিন দিন বেড়েই চলছে। গোল্ডেন ক্রিসেন্ট ও গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেলের মাঝামাঝি হওয়ায় বাংলাদেশ মাদকদ্রব্য চোরাচালানের ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে খুবই উপযুক্ত যার ফলে বাংলাদেশে মাদকদ্রব্য অনেকটাই সহজলভ্য। গ্রামাঞ্চল, শহর, মফস্বল সব জায়গায় বাড়ছে মাদকাসক্তের সংখ্যা। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে দেশের উঠতি তরুণ-তরুণীরা। মাদক সেবন বর্তমানে অনেকাংশে ফ্যাশন কিংবা স্মার্টনেসের সংজ্ঞা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীরা সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাদের ব্যবহার করছে মাদকদ্রব্য প্রসারের কাজে। এভাবে দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে যাচ্ছে মাদক। যার ভয়াল করালগ্রাসে পুরো সমাজ ব্যবস্থা ধসে পড়ছে। সমাজে বাড়ছে অশান্তি আর জাতি নিমজ্জিত হচ্ছে এক অনিশ্চিত অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে। তাই সময় থাকতে আমাদেরই এ সমস্যার সমাধান করতে হবে।

হান্না বেগম প্রমা

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট

বেসরকারী শিক্ষকদের পে-স্কেল

আসন্ন ৮ম জাতীয় পে-স্কেলে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ছে দ্বিগুণ, কিন্তু পরিতাপের বিষয় এ নতুন পে-স্কেলে বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্ত কর হয়নি। যার কারণে বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীরা ভীষণ হতাশ। শিক্ষকদের বলা হয় মানুষ গড়ার কারিগর। আশ্চর্যের বিষয় এই মানুষ গড়ার কারিগররা আজ রাষ্ট্রে সবচেয়ে অবহেলিত ও বেতন-বৈষম্যের শিকার। বর্তমানে আমাদের দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেসরকারী তথা এমপিওভুক্ত।

উন্নতদেশগুলোতে যেখানে শিক্ষকদের বেতন-ভাতাদি সবচেয়ে বেশি, সেখানে আমাদের দেশে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা সরকারী অফিসের একজন পিয়নের চেয়েও কম। যা দিয়ে বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে চলা খুবই কঠিন ও কষ্টকর। শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া মাত্র ৫শ’ টাকা যা দিয়ে বাড়িভাড়া তো দূরে থাক বর্তমানে বাড়ির একটি বারান্দাও ভাড়া পাওয়া যায় না।

চিকিৎসা ভাতা দেয়া হয় মাত্র ৩শ’ টাকা অথচ বর্তমানে একজন ভাল ডাক্তার দেখানো ফি জনপ্রতি ৫০০-৬০০ টাকা, এর সঙ্গে আছে বিভিন্ন ধরনের টেস্ট, তারপর আছে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ কেনার সমাহার। উৎসবভাতা কর্মচারীরা পায় বেসিকের ৫০ শতাংশ আর শিক্ষকরা পায় মাত্র ২৫ শতাংশ। একই দেশে দুই ধরনের নিয়ম। শিক্ষকরা অভাব-অনটনের কারণে শ্রেণীকক্ষে ঠিকমতো পাঠদান করতে পারেন না। সবসময় যদি সংসার চালানোর কথা চিন্তা করা লাগে তাহলে কিভাবে শ্রেণীকক্ষে মন বসবে। আবার নতুন করে বেতন বাড়লে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাবে তখন সংসার চালানো আরও কঠিন হয়ে পড়বে।

মোশতাক মেহেদী

সহকারী শিক্ষক

সোনারতরী হাউজিং এস্টেট,

কুষ্টিয়া