১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৭ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

সংস্কার বিফলে ৪ দিনের মাথায় ॥ ভোলা-লক্ষীপুর ফেরি চলাচল বন্ধ, দীর্ঘ যানজট


সংস্কার বিফলে ৪ দিনের মাথায় ॥ ভোলা-লক্ষীপুর ফেরি চলাচল বন্ধ, দীর্ঘ যানজট

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভোলা ॥ সংস্কারের পর ৪ দিন না যেতেই মেঘনার প্রবল স্রোতের তোড়ে আবারও ভোলা ইলিশা বিশ্ব রোডের মাথার ফেরিঘাট বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে বুধবার দুপুর থেকে ভোলা-লক্ষীপুর নৌ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। গত এক মাসের মধ্যে এই নিয়ে তৃতীয় বারের মতো ফেরিচলাচল বন্ধ হলো। এদিকে ফেরি চলাচল বন্ধ হওয়ার পর ভোলা ইলিশা ও লক্ষীপুরের মজু চৌধুরীর হাট পাড়ে আটকা পড়েছে কয়েক শত পন্যবাহি ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন। এতে করে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পরিবহন শ্রমিক, মালিক ও সাধারন যাত্রীরা।

ফেরিঘাটের প্রত্যক্ষদর্শী কামাল জানান, সকাল থেকে উত্তাল মেঘনার জোয়ারের পানি ফেরির পলটুনে আঘাত হানে। জোয়ারের পানিতে পাইলিং ছুটে যায়। দুপুরের দিকে নদী ভাঙ্গন রোধর বালি ভর্তি একটি কার্গো জাহার ফেরির পলটুনে আঘাত করে। এ সময় সংযোগ সড়ক থেকে ফেরিঘাটের পল্টুন গ্যাংওয়ে সড়ে যায়। বিআইডব্লিউটিএর ফেরি ঘাটের সারেং আবুল হোসেন জানান,তিনি ফেরিঘাট বিধ্বস্ত হওয়ার খবর তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। তবে কবে নাগাদ ফেরি ঘাট মেরামত হবে তা বলতে পারেননি। স্থানীয় ইলিশা ইসলামীয়া মডেল কলেজের অধ্যক্ষ নিজাম উদ্দিন সহ এলাকাবাসী জানান,স্থায়ী ভাবে ইলিশায় ফেরিঘাট নির্মানের উদ্দ্যোগ নেয়া না হলে এ ঘাটকে মেঘনার ভাঙ্গনের হাত থেকে এ ভাবে বার বার মেরামত করে রক্ষা করা যাবে না।

এদিকে বিআইডব্লিউটিসির ভোলা ফেরী সার্ভিসের ব্যাবস্থাপক আবু আলম হাওলাদার জানান, ভোলা-লক্ষীপুর রুটের ভোলা অংশের ইলিশা চডার মাথার ফেরীঘাটে বুধবার জোয়ারের চাপে ধ্বসে পড়ে। এতে সংযোগ সড়ক থেকে পল্টুন, র‌্যাম বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরফলে ফেরী চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার আশংকায় ফেরী চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ফেরী মেরামতের জন্য কৃর্তপক্ষকে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জুলাই ভোলা-লক্ষীপুর মহা সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ১৫ দিন ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার পর বিআইডিব্লিউটিএ ইলিশা বিশ্ব রোডের মাথায় দ্বিতীয় ফেরিঘাট নির্মান করে। কিন্তু ২ সপ্তাহ যেতে না যেতেই গত ২৪ আগষ্ট আবার ভাঙ্গনের মুখে পড়ে বিশ্ব রোডের মাথার নতুন ফেরিঘাট দিয়ে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর পর ৩০ আগষ্ট ফেরিঘাট মেরামত করা হলে আবার তৃতীয় বারের মতো বুধবার দুপুরে ফেরিঘাট বিধ্বস্ত হয়।