২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

দৌলতপুরে স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানি ॥ সেই অভিযুক্ত শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত


নিজস্ব সংবাদদাতা, দৌলতপুর (কুষ্টিয়া)॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ৫ম শ্রেনীর এক স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানির দায়ে অভিযুক্ত সেই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে সরেজমিন তদন্ত শেষে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তৌফিকুর রহমান মফিদুল ইসলাম হিটা নামে ওই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করেন। একই সঙ্গে ঘটনার পুর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন। এ কমিটিকে আগামী ৩ কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোমবার সকাল ৭টার দিকে পূর্ব তারাগুনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মফিদুল ইসলাম হিটা প্রাইভেট পড়ানোর নাম করে তারাগুনিয়া থানা মোড় এলাকার ৫ম শ্রেনীর এক স্কুল ছাত্রীকে বাথরুমে নিয়ে শ্লীলতাহানি করে। এসময় স্কুলের অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তা দেখতে পেলে ওই শিক্ষক তাদের পরীক্ষায় ফেল করানোর ভয় দেখিয়ে ও হুমকি দিয়ে শ্লীলতাহানির বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। পরে শ্লীলতাহানির শিকার ওই ছাত্রী তার পরিবারের লোকজনকে জানালে স্কুলের অভিভাবকসহ শিক্ষর্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। মঙ্গলবার শিক্ষার্থীরা ক্লাস বন্ধ করে ও শ্রেনী কক্ষে তালা ঝুলিয়ে লম্পট শিক্ষক মফিদুল ইসলাম হিটার অপসারনসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে। বিষয়টি প্রশাসনকে অবগত করা হলে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তৌফিকুর রহমান বুধবার ওই স্কুলে সরেজমিন তদন্তে যান।এসময় তদন্ত শেষে শিক্ষক মফিদুল ইসলাম হিটা প্রাথমিকভাবে দোষী প্রমানিত হওয়ায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। একই সাথে দৌলতপুর প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা কাজী নজরুল ইসলামকে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অপর দুই সদস্য দৌলতপুর কৃষি কর্মকর্তা মো. খালেদুর রহমান ও দৌলতপুর মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফারুক অহমেদ।

এ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তৌফিকুর রহমান জানান, অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে যা আগামী ৩ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবে।

এদিকে এ ঘটনার জের ধরে বুধবার ও স্কুলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম লক্ষ্য করা গেছে। এসময় অভিযুক্ত শিক্ষক মফিদুল ইসলাম হিটাও অনুপস্থিত ছিলেন।