২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌ-মহড়া


পৃথিবীর অন্যতম দুই পরাশক্তি রাশিয়া ও চীন অভূতপূর্ব এক সামরিক যৌথ নৌ-মহড়ার আয়োজন করে।

সামরিক ইতিহাসে এমন যৌথ মহড়ার ঘটনা এ প্রথম। রাশিয়া ও চীনের কমান্ডাররা এ নৌ-মহড়া তদারক করেন। সামরিক সহযোগিতার এমন অভূতপূর্ব ঘটনায় শঙ্কিত মার্কিন মিত্র রাষ্ট্রসমূহ।

মোট ২০টি নৌ-জাহাজ, ২০টি এয়ারক্রাফট, ৪০টি সামরিক যান এবং ৫০০ জন মেরিন এ যৌথ নৌ-মহড়ায় অংশ গ্রহণ করে। রাশিয়ার দূর প্রাচ্যের বন্দরনগরী ভøাদিভসটক কাছে পিটার দ্য গ্রেট সাগরের নিকটে এ যৌথ নৌ-মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। রাশিয়া নৌ-সীমান্ত এবং জাপান সাগরের নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক সীমান্তে গত ২০ আগস্ট শুরু হওয়া এ মহড়া ২৮ আগস্ট শেষ হয়।

ইতোমধ্যে রাশিয়া চীনকে ঝ-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সরবরাহ করে। রাশিয়া তার অত্যাধুনিক এ সমরাস্ত্র সরবরাহের শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে চীন যেন তৃতীয় কোন রাষ্ট্রের নিকট এ অস্ত্র প্রযুক্তি সরবরাহ না করে। প্রভাবশালী দেশ দুটির দাবি কোন রাষ্ট্রকে লক্ষ্য কিংবা টার্গেট করে তাদের এ মহড়া নয় কিন্তু বিশ্লেষকদের অভিমত এশিয়ায় মার্কিন মিত্র রাষ্ট্রদের কিছুটা কোণঠাসা করতেই এমন যৌথ মহড়ার আয়োজন।

সূত্রÑ আরটি নিউজ

আইএস জঙ্গীদের মুদ্রিত স্বর্ণমুদ্রা

চরমপন্থী সুন্নি জঙ্গী সংগঠন আইএস স্বর্ণ, রৌপ্য ও তামার নতুন মুদ্রার প্রচলন শুরু করেছে। গত শনিবার এক ভিডিও বার্তায় এমন পরিকল্পনার কথা জানায় সংগঠনটির একজন মুখপাত্র। এমন মুদ্রানীতি মার্কিন ফেডারেল মুদ্রানীতির সম্পূর্ণ বিপরীত। আইএস জঙ্গীদের দাবি তাদের এ মুদ্রা ভবিষ্যত খেলাফতের পথকে প্রসারিত করবে। বিভিন্ন সাইজের স্বর্ণমুদ্রা বর্তমানে বাজারে ছাড়া হয়েছে যার একপাশে ইসলামিক প্রতীক এবং অন্যপাশে আল্লাহর পথে শহীদ হওয়ার গুণাগুণ সম্পর্কে সাঙ্কেতিক বর্ণনা। অন্যান্য মুদ্রায় বিশ্বের মানচিত্র অলঙ্কৃত করা হয়। ভিডিও বার্তায় দেখা যায় একজন আইএস সদস্য নিজেদের অধিকৃত অঞ্চলের একটি বাজারে উপস্থিত জনগণের নিকট মুদ্রাসমূহ পেশ করে এবং সকলেই হাস্যোজ্জ্বল মুখে এমন মুদ্রা নিয়ে ব্যাপক উচ্ছ্বসিত হয়। একজন দোকানি আইএস সদস্যকে জড়িয়ে ধরে আপ্লুত কণ্ঠে বলেন, এ মুদ্রার মাধ্যমে পুনরায় জনগণের ক্ষমতার প্রতিফলন ঘটবে। ভিডিও বার্তার শেষ অংশে একটি মিউজিক ভিডিও প্রচার করা হয়। বিভিন্ন ফ্রন্টে লড়াইরত যোদ্ধাদের ছবি সংবলিত এ ভিডিওর মাঝখানেই প্রচারিত হয় ধর্মীয় বাণী।

সূত্র-জেরুজালেম পোস্ট

অভিবাসী নিয়ে বিপাকে ইউরোপ

সিরিয়া সঙ্কট ক্রমেই মধ্যপ্রাচ্য ছাড়িয়ে ইউরোপের দরজায় কড়া নাড়ছে। স্থল-নৌ দুই পথেই অবৈধ উপায়ে ভিড় জমাচ্ছে শরণার্থী ও অভিবাসী। জাতিসংঘের দাবি ইউরোপের অনুপ্রবেশকারীদের অধিকাংশ যুদ্ধ বিধ্বংস সিরিয়া, লিবিয়া, ইরাক ও আফগানিস্তানের নাগরিক। সংস্থাটির প্রধান বান কি মুন এ সঙ্কট উত্তরণে আরও বেশি মানবিক হওয়ার আহ্বান জানান ইউরোপের রাষ্ট্র প্রধানদের। অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দেয়ার ক্ষেত্রে জার্মানী অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। ইতোমধ্যে দু’লক্ষ সিরিয়ান নাগরিকদের তারা আশ্রয় দিয়েছে। তবে এক্ষেত্রে সবচেয়ে নির্লিপ্ত গ্রেট ব্রিটেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সিরিয়ার সঙ্কটের মূল কারিগর দেশ দুটি এ নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন নয় বরং বাশারের বিরুদ্ধে আরও বিচ্ছিন্নবাদী কিভাবে কাজে লাগানো যায় তা নিয়ে চিন্তিত।