২৩ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ২ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

শহরের ১৬ কলেজে আসন বাড়াল যশোর শিক্ষা বোর্ড


স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীন গ্রাম ও মফস্বলের কলেজগুলোতে এবার বিজ্ঞান বিভাগে চরম শিক্ষার্থী সঙ্কটে পড়েছে। অথচ সোমবার একাদশে ভর্তির শেষ দিনে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ১৬টি কলেজে আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে। ভর্তির শেষ সময়ে এ আসন বৃদ্ধি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

যশোর শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বিলম্ব ফি ছাড়া এবারের একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির শেষ দিন ছিল ২৬ জুলাই। এদিন পর্যন্ত ভর্তিতে দেখা গেছে যশোর জেলার ১১৪টি কলেজের মধ্যে ২০ থেকে ২২টি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি মোটামুটি ভাল। বাকি কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী সঙ্কট। যেমন যশোর সদরের নিউ মডেল কলেজে বিজ্ঞানে ১শ’ ৫০ আসনের বিপরীতে ভর্তি হয়েছে মাত্র ১ জন, তালবাড়িয়া ডিগ্রী কলেজে বিজ্ঞানে ১শ’ ৫০ আসনের বিপরীতে ভর্তি হয়েছে মাত্র ৬ জন, ভাতুড়িয়া কলেজে ৭ জন, মুক্তিযোদ্ধা কলেজে ১৬ জন, উপশহর ডিগ্রী কলেজে ২৯ জন, উপশহর মহিলা কলেজে ২৮ জন ভর্তি হয়েছে।

জেলা সদরের বাইরের কলেজগুলোতে আরও সঙ্কট। যেমন অভয়নগরের ধোপাধী এসএস কলেজে মাত্র ১ জন, মহাকাল কলেজিয়েট স্কুলে মাত্র ২ জন, কেশবপুর সম্মিলনী কলেজে মাত্র ৬ জন ভর্তি হয়েছে। এসব কলেজে ১শ’ ৫০টি করে আসন রয়েছে।

যশোর শিক্ষা বোর্ড সব কলেজের অভিভাবক হলেও এসব কলেজে শিক্ষার্থী সঙ্কটের নিরসনের কোন উদ্যোগ না নিয়ে কিছু কলেজে এবার আরও আসন বৃদ্ধি করেছে। সোমবার শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শকের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আসন বৃদ্ধি করা হয়। যশোর সরকারী এমএম কলেজে বিজ্ঞানে আসন ছিল ৩শ’টি। এখানে আসন বৃদ্ধি করা হয়েছে ৩০টি। যশোর শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজে ১০, দাউদ পাবলিক স্কুল এ্যান্ড কলেজে ২০টি এবং হামিদপুর আল হেরা কলেজে ২০টি আসন বৃদ্ধি করা হয়েছে। আসন বৃদ্ধি প্রসঙ্গে যশোর কলেজের অধ্যক্ষ মুস্তাক হোসেন শিম্বা জানান, আমরা বার বার শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষের কাছে কিছু কলেজে আসন বৃদ্ধি না করার জন্য অনুরোধ করেছি।

তার পরও আসন বৃদ্ধির ফলে অন্য কলেজগুলোর আসন সঙ্কট থেকেই যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ বিষয়ে কলেজ পরিদর্শক অমল কুমার বিশ্বাস জানান, বোর্ড মিটিংয়ে এ আসন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হয়েছে।

খান এ সবুর সড়কের নাম মুছে দিয়েছে সাংস্কৃতিক জোট

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা অফিস ॥ সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট খুলনা আদালতের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে নগরীর প্রধান সড়ক থেকে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী খান এ সবুরের নাম মুছে দিয়েছে। মঙ্গলবার বড় মাঠের কোনায় লোয়ার যশোর রোডে একটি সাইন বোর্ডের নাম মুছে ফেলার মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচীর সূচনা করেন সাংস্কৃতিক জোট খুলনার আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির ববি। এরপর আরও কয়েকটি সাইন বোর্ড থেকে সবুর খানের নাম মুছে দেয়া হয়। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট খুলনার আহ্বায়ক বলেন, আমরা আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ইতিহাস ও ঐতিহ্যের যশোর রোডের নাম পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সন্তোষ প্রকাশ করছি এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশনকে এ বিষয় দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি। তিনি সংশ্লিষ্টদের স্বউদ্যোগে রোডের পার্শ্ববর্তী দোকান-পাট, অফিসসহ বাড়ির সামনের সাইনবোর্ড ও নামফলক থেকে সবুর খানের নাম মুছে ‘যশোর রোড’ লেখার আহ্বান জানান।