১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

জলে ভাসা ঢাকা


জলে ভাসা ঢাকা

নিখিল মানখিন ॥ সারা দেশে বৃষ্টি। অঝরে বৃষ্টি। থেমে থেমে বৃষ্টি। রাজধানী ঢাকার অবস্থা নাজুক। হাঁটুপানি এখানে সেখানে। একেবারে জলে ভাসা ঢাকা। দেশের অন্যত্র কোথাও কোথাও বন্যা পরিস্থিতিরও অবনতি হয়েছে।

মগবাজার দিলুরোডের হাউজিং সোসাইটির গলিতে হাঁটুপানি। বৃষ্টির পানি ও ড্রেনেজের অস্বাস্থ্যকর পানি মিশে একাকার হয়ে গেছে। ওই আধা মিনিটের পথ পাড়ি দিতে জনপ্রতি দশ টাকা রিক্সাভাড়া। যানজটে আটকেপড়া ‘যাত্রাবাড়ী-গাবতলি’ ৮ নম্বর লোকাল বাস থেকে শাহবাগ মোড়ে নেমে পড়লেন মোঃ কাজল মিয়া। হাঁটতে শুরু করলেন ফার্মেগেটের আল-রাজী হাসপাতালের দিকে। হাতে ডাক্তারী প্রেসক্রিপশন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট। টানা বৃষ্টিতে পরিবাগ ফুট ওভারব্রিজে এক ঘণ্টা ধরে আটকা পড়েছেন ওয়াইডব্লিউসিএ স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ইয়াসমিন খান ও তার মা সুমা খান। সকালের বৃষ্টিহীন অবস্থা দেখে তারা ছাতা নিয়ে বের হননি। এভাবে মঙ্গলবার দু’ঘণ্টার ভারি বৃষ্টিতে সৃষ্ট যানজট ও জলজটে নাকাল রাজধানীবাসী। স্থবির হয়ে পড়ে নগরবাসীর জীবনযাত্রা। নগরীর অনেক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। রাস্তাঘাট ও অলিগলি হয়ে ওঠে কর্দমাক্ত। আর পানিতে ডুবে থাকা গর্ত ও খানাখন্দে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন পথচারীরা। সারাদেশেই ভারি বর্ষণ হয়েছে মঙ্গলবার । অবনতি ঘটেছে দেশের বন্যা পরিস্থিতির। দেশের ওপর মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় বৃষ্টিপাত হচ্ছে এবং তা আরও দু’দিন থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সেপ্টেম্বরে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, আজ বুধবার রাজশাহী,রংপুর, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস। সেপ্টেম্বরে এক থেকে দুটি মৌসুমী নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জানায়, পর্যবেক্ষণাধীন ৮৫টি পয়েন্টের মধ্যে ৬০টিতে পানি বৃদ্ধি এবং ২১টিতে পানি হ্রাস পায়। ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আগামী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি হ্রাস পাচ্ছে। আগামী ৪৮ঘণ্টায় গঙ্গা নদীর পানি হ্রাস পেতে পারে এবং পদ্মা নদীর পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে। ঢাকা শহর সংলগ্ন নদীসমূহের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আগামী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীসমূহের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আগামী ৭২ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। আগামী ৪৮ঘণ্টায় দেশের উত্তর, মধ্য এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাসমূহের কতিপয় অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, মঙ্গলবারের বৃষ্টিতে চরম দুর্ভোগে পড়ে সারাদেশ। রাজধানীতে সৃষ্টি হয় বন্যার আবহ। রাজধানীর আসাদগেট থেকে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা মানিক মিয়া এ্যাভিনিউ পর্যন্ত ছিল হাঁটুপানি। রাস্তার মাঝখানে একের পর এক সিএনজি চালিত অটোরিক্সার মেশিন পানিতে বন্ধ হয়ে যায়। স্থবির হয়ে পড়ে যান চলাচল। সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। এক থেকে দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা করে অতীষ্ঠ হয়ে পাবলিক পরিবহনের যাত্রীরা দলে দলে হাঁটতে শুরু করেন। তাদের একজন হলেন মোঃ সুজন মিয়া (৩৪)। অফিসের কাজে কাওরানবাজার যাচ্ছিলেন। শ্যামলী থেকে মানিক মিয়া এ্যাভিনিউতে পৌঁছতে দু’ঘণ্টা লেগেছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। মানিক মিয়া এ্যাভিনিউতে হাঁটুপানি ডিঙিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন বেলাল হোসেন(৪১) নামে এক ব্যক্তি। পানির কারণে তাকে ধীরে ধীরে হাঁটতে হচ্ছিল। ততক্ষণে বৃষ্টিতে প্রায় ভিজে গেলেন তিনি। দৌড়ে টিএনটি মাঠের ফুটপাথের চা দোকানে আশ্রয় নিলেন। ফার্মগেট টিএনটি মাঠ থেকে শুক্রাবাদ নিউ মডেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সামনে যেতে ৬০ টাকা চাইলেন রিক্সাচালক মোঃ ইয়াকুব। ডবলের বেশি ভাড়া চাওয়ার কারণ হিসেবে তিনি জানালেন, গলির পুরোপথ ধরে হাঁটুপানি। পায়ে প্যাডেল মারার সুযোগ নাই। হেঁটে হেঁটে রিক্সা টেনে নিয়ে যেতে হবে। আর ভুলে গর্তে পড়ে গেলে তো রেহাই নেই বলে জানান মোঃ ইয়াকুব। মিরপুর রোডে উঠে দেখতে পেলাম স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে যানবাহন। পান্থপথ থেকে সেন্ট্রাল হাসপাতাল পর্যন্ত হাঁটুপানি। পানির মধ্যে ধীরে ধীরে চলছে যানবাহন। সামনে খানাখন্দের ভয়। মঙ্গলবার সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির পর বেলা সোয়া ১১টার দিকে শুরু হয় মুষলধারে বর্ষণ। এরপর প্রধান সড়ক থেকে অলিগলিতে যানজট ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় বলে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা জানান। জনকণ্ঠের প্রতিবেদকরা জানান, পুরনো ঢাকার নাজিম উদ্দিন সড়ক, কাকরাইল, মৎস্য ভবন মোড়, শান্তিনগর, মিন্টো রোড, মগবাজার, রামপুরা, শাহবাগ চত্বর, সায়েন্সল্যাব, বাংলা মোটর, ফার্মগেট, মহাখালী, মিরপুরের বিভিন্ন এলাকা ও উত্তরার পথে যানবাহন ঘণ্টা পর ঘণ্টা প্রায় থমকে থাকে । বেলা সাড়ে ৩টায় মহাখালী ফ্লাইওভারের ওপর যানবাহনের দীর্ঘ জট দেখা যায়। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পানির সঙ্গে নর্দমার কাদা একাকার; হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছানোর পথও কঠিন করে তুলেছে। পুলিশের ট্রাফিক কন্ট্রোল রুম থেকে দুপুরে জানান হয়, বৃষ্টির কারণে রাজধানীজুড়ে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে মহাখালী, বিজয় সরণি, বাংলা মোটর, ফার্মগেট, শাহবাগ, মগবাজার এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সমস্যা হচ্ছে। রাস্তায় পানি জমে যাওয়ায় ভিআইপি সড়কগুলোতে সিএনজিচালিত বহু অটোরিক্সার ইঞ্জিন বিকল হয়ে আটকে থাকতে দেখা গেছে। এসব বিকল বাহন যানজট আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা জানান। প্রেসক্লাব থেকে সিএনজি অটোরিক্সায় মহাখালী আসার পথে হাইকোর্টের সামনে যানজটে পড়েন মহাখালীবাসী মাহমুদ(৩৫)। পরে টিএসসি হয়ে এগোনোর চেষ্টা করলেও ফের আটকে যান। তিনি জানান, নাজিম উদ্দিন রোডে বেশ কিছু অটোরিক্সা ও প্রাইভেটকারকে বিকল হয়ে আটকে থাকতে দেখা গেছে বলে জানান মাহমুদ। মোহাম্মদপুরের নুরজাহান রোড ও আশপাশের প্রতিটি সড়কে যানজট দেখা গেছে। অনেকে বিকল্প পথে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করায় গলিপথেও যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। মিন্টো রোডে গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে কয়েক ঘণ্টা ধরে। কেউ কেউ উল্টোপথে যাওয়ার চেষ্টা করে আরও বেশি ঝামেলায় পড়েন। বাংলা মোটরে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক বজলুর রহমান বলেন, বৃষ্টির কারণেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ফার্মগেট বিজয় সরণি, সোনারগাঁ লিংক রোড, মানিক মিয়া এ্যাভিনিউর পশ্চিম পাশে পানি জমে রয়েছে। পানির কারণেই যানজট ছাড়ানো যাচ্ছে না। রায়ের বাজার থেকে মহাখালী আসার পথে ধানম-ি ২৭ নম্বর সড়কের মাঝামাঝি থেকে মিরপুর রোডের সংযোগস্থল পর্যন্ত রাস্তায় (রাপা প্লাজার সামনে) কোমরপানি দেখেছেন নিউ ইস্কাটনের গাড়ির মেকার মোঃ সুমন(২৮)। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনের সড়কেও পানি জমে যায়। কিছুক্ষণ পর ওই সড়কের পানি নেমে গেলেও যানজট থেকে যায়। ফার্মগেট থেকে সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত সড়কটির দুই পাশে হাঁটুপানি দেখা গেছে। উত্তরা থেকে মহাখালী আসার পথে কাকলিতে এক ঘণ্টার বেশি সময় যানজটে আটকে থাকতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলা মোটর মোড়ে নেমে যাওয়া বাসযাত্রী এমদাদুল হক(৪১)।

রাজধানীতে দু’ঘণ্টার ভারি বর্ষণে পথচারীরা নিকটস্থ দোকান ও রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন স্থাপনায় আশ্রয় নেন। কেউ কেউ দাঁড়িয়ে যাত্রীবাহী বাহনের অপেক্ষায় রয়েছেন । তাদের অনেকের হাতে ছাতা নেই। সামনে পেয়েও বৃষ্টির কারণে তাদের কেউ কেউ বাসে উঠতে পারেননি। রাস্তাঘাট ও অলিগলিতে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ। বৃষ্টির পানিতে ভরে গেছে ওই সব খানাখন্দ। এসব জায়গায় পা রাখতে গিয়ে অনেক পথচারীই দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। বেলা দেড়টায় দেখা গেছে, শান্তিনগর এলাকায় থৈ থৈ পানি। কর্ণফুলি গার্ডেন থেকে মালিবাগ মোড় পর্যন্ত রাস্তায় হাঁটুপানি। ফুটপাথের দোকানপাট উঠে গেছে। অনেক দোকানে পানি প্রবেশ করেছে। পানিতে ভিজে যাচ্ছে রিক্সযাত্রীদের পা। পানির নিচে থাকা খানাখান্দের ভয়ে পথচারীর চলাচলও কমে যায়। পানির কারণে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অনেক সিএনজি চালিত অনেক অটোরিক্সার। রাজধানীর শান্তিনগরের ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিবারই বৃষ্টির সময় দোকানের ভেতরে পানি ওঠে। রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় ফুটপাথ দিয়েও মানুষ হাঁটতে পারে না। রাস্তায় সিটি কর্পোরেশনের ময়লা-আবর্জনা পানিতে ভেসে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। মালিবাগ মোড় থেকে কাকরাইল, শান্তিনগর, রাজারবাগে ফুটপাথে হকারদের পণ্যের বর্জ্য ছড়িয়েছিটিয়ে ফেলে রাখা হয়। বৃষ্টি হলে এগুলো ড্রেনের মুখ বন্ধ করে দেয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোন লাভ হয়নি বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন আবুল হোসেন। ফকিরাপুল ও আরামবাগ এলাকাতেও একই চিত্র দেখা গেছে। নয়া পল্টন মোড় থেকে নটর ডেম কলেজ পর্যন্ত পানি জমে ওঠে।

ফকিরাপুলের বাসিন্দা ইউসূফ মিয়া জানান, কয়েক ঘণ্টার মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হলেই এই এলাকায় সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। বাচ্চাদের নিয়ে স্কুলে যেতে পারি না। বৃষ্টি হলে এখানে হাঁটুপানি জমে যায়। রিক্সা এ সময় যেতে চায় না। দু’একটি রিক্সা পেলেও বেশি ভাড়া চায় বলে জানান ইউসূফ মিয়া। মোঃ হান্নান জানান, বৃষ্টি হলেই রাস্তায় ৩/৪ ফুট পানি জমে যায়। তখন অনেক চেষ্টা করেও রিক্সা পাওয়া যায় না। পরে অনেক কষ্টে ভিজে ভিজে বাসে উঠতে হয়।

বৃষ্টিতে নিউমার্কেটের এক নম্বর গেটের সামনের সড়কে মঙ্গলবার দুপুরে হাটুপানি। নিউমার্কেটের ভেতরে আংশিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়ে। বিশেষ করে নিউমার্কেটের এক নম্বর গেট সংলগ্ন হাঁটার পথে পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। হাঁটার পথের চেয়ে দোকানের উচ্চতা বেশি থাকায় ভেতরে পানি প্রবেশ করতে পারেনি। বৃষ্টির কারণে এদিন কয়েক ঘণ্টার জন্য মার্কেটের অনেক দোকান বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এভাবে দিনভর ভারি বর্ষণে রাজধানীর নিম্নাঞ্চলসহ বেশিরভাগ এলাকা ডুবে গেছে। এভাবে মঙ্গলবারের বৃষ্টিতে হাজারীবাগের নিম্নাঞ্চল, রাজধানী সুপার মার্কেট, নিউ মার্কেট, ধানম-ির অনেক স্থানেই চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। পুরান ঢাকা, পীরেরবাগ, সেনপাড়া পর্বতা, শ্যাওড়াপাড়া, আদাবর, মোহাম্মদপুর, নাখালপাড়া, মিরপুর, টিকাটুলি, বাসাবো, মুগদা, মধুবাজার, শ্যামলী, রামপুরা, রাজারবাগ, ফকিরাপুল, শান্তিনগর, মৌচাক, মালিবাগ, মতিঝিলসহ আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার অজুহাত দেখিয়ে চালকরা অস্বাভাবিক হারে বাড়িয়ে দেন রিক্সা, অটো সিএনজি ও ট্যাক্সিক্যাবের ভাড়া।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: