২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

যশোরে বিএডিসি গুদামে ৩২০ টন সারের হদিস নেই


স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ যশোরে বিএডিসি সার গোডাউনের ৩২০ মেট্রিক টন মিউরেট অব পটাশ (এমওপি) সারের কোন হদিস নেই। যার মূল্য প্রায় ৪৭ লাখ টাকা। জেলা প্রশাসনের ৫ সদস্যের একটি কমিটি মজুদ সারের পরিমাণ ও কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এটি নিশ্চিত হয়েছে। তবে কিভাবে গুদাম থেকে এই সার খোয়া গেছে তা নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। সোমবার এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন বিএডিসির মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যশোরে বিএডিসির ৫টি সার গোডাউন রয়েছে। সম্প্রতি এই গোডাউনগুলোর মজুদ সারের পরিমাণ নিরূপণ ও কাগজপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। এ সময় চাঁচড়া এলাকার গোডাউনের কাগজপত্রের হিসাব অনুযায়ী ৩২০ মেট্রিক টন এমওপি সার কম পাওয়া গেছে। তবে কবে এবং কিভাবে এই সার গোডাউন থেকে বের করা হয়েছে তার কোন তথ্য উপাত্ত পাওয়া যায়নি।

৩২০ মেট্রিক টন সার কম থাকার বিষয়টি ধরা পড়ার পর জেলা প্রশাসন থেকে বাস্তব অবস্থা নিরূপণের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। কাগজপত্র ও মজুদ পরীক্ষার পর গত ২৭ আগস্ট এই কমিটি সার কম থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এরপর সোমবার (৩১ আগস্ট) এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

সার গুদামের বাস্তব অবস্থা নিরূপণের জন্য গঠিত কমিটিতে জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি ছিলেন যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল আরিফ। তিনি জানান, বিএডিসির এই সারের গুদামগুলোতে কোন সিস্টেম ছিল না। সার এসেছে নামানো হয়েছে, আবার তা বের করে পাঠানো হয়েছে। এ কারণে কোন বছরের সার বা কত আগে থেকে এই সার কম রয়েছে তার কোন হদিস নেই। তবে জেলা প্রশাসনের কমিটি ৫টি গুদাম পরীক্ষা করে চাঁচড়ার গুদামে ৩২০ মেট্রিক টন সার কম থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন বিএডিসির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অধিদফতর হয়ে মন্ত্রণালয়ে যাবে। এরপর মন্ত্রণালয় তদন্ত বা পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।