১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

গ্রাহকের অভিযোগের শীর্ষে সোনালী, ব্র্যাক ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংক


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সাধারণ ব্যাংকিং সংক্রান্ত অভিযোগের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। সর্বশেষ জুলাই মাসে এই অভিযোগের সংখ্যা ছিল ৪৪৩টি। সর্বোচ্চ অভিযোগ ছিল সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের বিরুদ্ধে। এ দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ব্র্যাক এবং তৃতীয় অবস্থানে ছিল ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জুলাই মাসে ই-মেইল, ফ্যাক্স, ওয়েবসাইট ও ডাকযোগে ১৭৭টি এবং টেলিফোনে ২৬৬টি সর্বমোট ৪৪৩টি অভিযোগ পাওয়া যায় যার মধ্যে ৪৪২টি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়। অভিযোগ নিষ্পত্তির হার ছিল ৯৯.৭৭ শতাংশ। প্রাপ্ত অভিযোগসমূহের মধ্যে সাধারণ ব্যাংকিং সংক্রান্ত অভিযোগের সংখ্যা ছিল ১৫৬টি, ঋণ ও অগ্রিম সংক্রান্ত ৮২টি, আমদানি বিল পরিশোধ না করা সংক্রান্ত ৫৩টি (অভ্যন্তরীণ ৩০টি ও বৈদেশিক ২৩টি), কার্ড সংক্রান্ত ৩৪টি, মোবাইল ব্যাংকিং সংক্রান্ত ২৭টি, রেমিটেন্স সংক্রান্ত ২৩টি ও ব্যাংক গ্যারান্টি সংক্রান্ত ১০টি। এছাড়া অন্যান্য অভিযোগ ছিল ৫৮টি। জুলাই মাসে সর্বোচ্চ অভিযোগ ছিল সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের বিরুদ্ধে। এদিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড এবং তৃতীয় অবস্থানে ছিল ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড।

খাতুনগঞ্জের জলাবদ্ধতা নিরসনে পদক্ষেপ চায় চিটাগাং চেম্বার

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ ভোগ্যপণ্যের বৃহত্তম পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ ও আছাদগঞ্জসহ নগরীর নিচু এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে জরুরী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। সোমবার এক জরুরী পত্রের মাধ্যমে এ অনুরোধ জানান চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম।

চেম্বার সভাপতি বলেন, বৃষ্টির ব্যাপকতা ও জোয়ারের কারণে এবছর খাতুনগঞ্জ, চাক্তাই, আছাদগঞ্জ, বক্সিরহাট এবং বাকলিয়া এলাকা হাঁটু থেকে কোমর পানিতে প্লাবিত হচ্ছে। কর্ণফুলী নদী সংলগ্ন বাণিজ্যিক এলাকা ক্রমাগতভাবে পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কারণে বিপুলসংখ্যক ব্যবসায়ী তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করতে পারছেন না। বৃহত্তম এই পাইকারি বাজারে দৈনন্দিন ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিমাণ বর্তমানে প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। এছাড়া এসব এলাকার বিভিন্ন দোকান ও গুদামে মজুদকৃত কোটি কোটি টাকার ভোগ্যপণ্য উপর্যুপরি জোয়ার ও বৃষ্টির পানিতে বিনষ্ট হয়েছে। যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় নতুন নতুন এলাকায় প্লাবনের কারণে ক্ষতির পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ বছর অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে এই বিস্তীর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা বর্তমানে একটি পরিত্যক্ত বিরান ভূমিতে পরিণত হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। এ অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা তাদের সমস্ত পুঁজি ও ব্যাংক ঋণ নিয়ে যে বিনিয়োগ করেছেন তা ধ্বংস হতে চলেছে এবং গৃহীত ব্যাংক ঋণ পরিশোধের কোন বিকল্পও তাদের কাছে অবশিষ্ট নেই। এ ধরনের নেতিবাচক অবস্থা দেশের অর্থনীতি ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রেও বিরূপ প্রভাব ফেলবে বলে তিনি পত্রে আশঙ্কা ব্যক্ত করেন।