১৭ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

অভিবাসন সঙ্কট মোকাবেলায় জরুরী বৈঠক আহ্বান ইইউর


অভিবাসন সঙ্কট মোকাবেলায় জরুরী বৈঠক ডেকেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ইইউর বর্তমান সভাপতি দেশ লুক্সেমবুর্গ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইউনিয়নভুক্ত ২৮ দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরা আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত সঙ্কট উত্তরণের পথ খুঁজতে এই জরুরী বৈঠকে বসবেন। বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে এ বৈঠক করবেন ইইউর নেতারা। ইউরোপ অভিমুখে অভিবাসন প্রত্যাশীদের ঢল নামায় এবং এ পথে দুর্ঘটনায় পড়ে অনেক মানুষের প্রাণহানির প্রেক্ষিতে সমাধান খুঁজতে এ বৈঠক ডাকা হয়েছে। খবর বিবিসির

জোটের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে বলা হচ্ছে, লিবিয়া উপকূলসহ ভূমধ্যসাগরের বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রতি কয়েক শ’ অভিবাসন প্রত্যাশীর প্রাণহানি এবং অস্ট্রিয়ায় একটি লরি থেকে ৭১ জনের মরদেহ উদ্ধারের প্রেক্ষাপটে এ বৈঠক ডাকা হয়েছে। আফ্রিকার দেশ লিবিয়া হয়ে নৌকায় করে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপের দেশ ইতালিতে পৌঁছানোর চেষ্টায় নৌকা ডুবে গত সপ্তাহে শতাধিক অভিবাসন প্রত্যাশীর মৃত্যু হয়। অস্ট্রিয়ায় একটি পরিত্যক্ত লরিতে পাওয়া ৭১ লাশের মধ্যে শিশুও রয়েছে। অস্ট্রিয়াতেই আরেকটি ভ্যান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২৬ অভিবাসীকে। গত এক মাসে রেকর্ড এক লাখ সাত হাজার পাঁচশ’ অভিবাসী বিভিন্ন দেশ ঘুরে ইউরোপের সীমান্তে পৌঁছেছে। আর এ বছর তিন লাখেরও বেশি মানুষ প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে ভূমধ্যসাগর পার হয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছে বলে জাতিসংঘ জানিয়েছে। জাতিসংঘের বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে অভিবাসন সঙ্কট বেড়ে যাওয়ার পেছনে একটি বড় কারণ সিরিয়ার চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি। তবে কেবল সিরিয়া নয়, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য থেকেও অভিবাসীরা গ্রিস, ইতালি ও হাঙ্গেরি সীমান্তের পথে ছুটছে। এদিকে ইতালি ও গ্রিসে পৌঁছানো মাত্র অভিবাসীদের তালিকাভুক্ত করে আঙ্গুলের ছাপ নেয়ার ব্যবস্থা করার ওপর জোর দিয়েছে ব্রিটেন, জার্মানি ও ফ্রান্স। এছাড়া ‘নিরাপদ দেশ’ এর একটি তালিকা করার ওপর তারা জোর দিচ্ছে, যাতে এর বাইরে কোন দেশ থেকে কেউ এলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে ফেরত পাঠানো যায়। ভূমধ্যসাগরে কড়া পাহারা বসানোসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলেও সঙ্কট নিরসনে কার্যকর দেখাচ্ছে না কিছুই।