মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৯ আশ্বিন ১৪২৪, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি রুটে পলি অপসারণ এখনও শুরু হয়নি

প্রকাশিত : ৩১ আগস্ট ২০১৫, ০১:৩০ এ. এম.
  • ড্রেজিং শুরু আজ

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ অবশেষে পদ্মা সেতুর বড় আকারের ড্রেজার দু’টি রবিবার বিকালে লৌহজং টার্নিংয়ে পৌঁছেছে। তবে শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটের পলি অপসারণে এখনও কাজ শুরু হয়নি। তাই দশম দিনের মতো এই রুটে ফেরি সার্ভিস অচল রয়েছে। ড্রেজিংয়ের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে, আজ সোমবার ডেজিং শুরু হবে বলে রাত সাড়ে আটটায় জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী (ড্রেজিং) সুলতান আহমেদ খান। এদিকে নৌ মন্ত্রী শাজাহান খান শিমুলিয়ায় এসে রবিবার জানিয়েছেন, তীব্র স্রোতের কারণেই এই ফেরি সার্ভিস ব্যাহত হচ্ছে। নাব্যতা সঙ্কটে ফেরি সার্ভিস এখন আর বিঘিœত হচ্ছে না। তিনি বলেন, অস্বাভাবিক স্রোতের কারণে সব ফেরি চলতে পারছে না। তবে নতুন ফেরি ‘কুসুম কলি’ ও ‘ক্যামেলিয়া’ চলতে পারছে।

শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি রুটে ফেরি চলাচল অচল থাকায় দক্ষিণাঞ্চলে লাখো মানুষের বিড়ম্বনা ছাড়াও এই অঞ্চলের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য আনানেয়া বিঘিœত হওয়ায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান আহমেদ খান জানান, চীনা ড্রেজারের দায়িত্বে থাকা পদ্মা সেতুর নদী শাসনের উপ-প্রকল্প পরিচালক জাং লিং তাকে জানিয়েছেন সোমবার থেকে ড্রেজিং শুরু করা সম্ভব হবে। লৌহজং টার্নিং পয়েন্টের ৫ থেকে ৬ লাখ ঘনফুট পলি অপসারণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সিনো হাইড্রোর প্রতিটি ড্রেজার প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ হাজার ঘনফুট মাটি খনন করতে পারবে। তাই প্রতিদিন কম করে হলেও ৫০ হাজার ঘনফুট পলিমাটি অপসারণ করা যাবে। এ ক্ষেত্রে ৫-৬ লাখ ঘনফুট মাটি খনন করতে ১০/১২ দিন সময় লাগবে। তবে চ্যানেলের মাঝে বিআইডব্লিউটিএর নিজস্ব ও ভাড়া করা চারটি ড্রেজারও কাজ করছে। এতে নাব্য সঙ্কট নিসরসন সম্ভব হবে। এদিকে ফেরি অচল থাকায় অনেক যান ফিরে গেছে। তবে শিমুলিয়া প্রান্তে রবিবার রাতে ৫০টি যান পারাপারে অপেক্ষায় রয়েছে। ওপারের কাওড়াকান্দিতে প্রায় সমসংখ্যক যান রয়েছে।

এদিকে পদ্মার পানি কমতে শুরু করেছে। মাওয়ায় রবিবার সন্ধ্যায় পদ্মার পানি ছিল বিপদ সীমার ৮ সেন্টিমিটার নিচে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই পয়েন্টে কমেছে ১২ সেন্টিমিটার পানি। ভাগ্যকূলে পদ্মার পানি সন্ধ্যায় ছিল বিপদ সীমার ১১ সেন্টি মিটার উপরে। গত ২৪ ঘণ্টায় এখানে পানি কমেছে সমপরিমাণ ১১ সেন্টিমিটার। এদিকে পদ্মা কনস্ট্রাক ইয়ার্ডে আর নতুন করে ভাঙ্গন দেখা দেয়নি। রবিবারও ভাঙ্গন রোধে অথিরিক্ত নিরাপত্তায় বালুর বস্তা ফেলা হয়।

প্রকাশিত : ৩১ আগস্ট ২০১৫, ০১:৩০ এ. এম.

৩১/০৮/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: