২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

সংক্ষিপ্ত সংবাদৎি


স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশের লেগ স্পিনার বলতে এখন জুবায়ের হোসেন লিখনকেই সবাই বুঝে। সেই জুবায়ের এমন একজনকে অনুসরণ করেন, যিনি বিশ্ব ক্রিকেট ঘূর্ণির জাদুতে কাবু করে গেছেন। তিনি আর কেউ নন, অস্ট্রেলিয়ার সাবেক লেগ স্পিনার, টেস্টে ৭ উইকেট নেয়া শেন ওয়ার্ন। শুধু ওয়ার্নই নন, বর্তমানে খেলা স্পিনারদের মধ্যে জুবায়ের অনুসরণ করেন দক্ষিণ আফ্রিকার লেগ স্পিনার, টেস্টের বর্তমানে এক নম্বর বোলার ইমরান তাহিরকেও।

রবিবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে জুবায়ের নিজেই জানান তা। ভালমানের লেগস্পিনার হতে হলে কাউকে ফলো করতে হয়। কাকে ফলো করেন- এমন প্রশ্নের উত্তরে জুবায়ের জানান, ‘শেন ওয়ার্ন। ওনার বল খুব বড় টার্ন করত। বলে ভেরিয়েশন থাকত। এখনও ওনার বোলিং দেখি। যেহেতু ওয়ার্ন এখন খেলেন না, তাই ইমরান তাহিরকে ফলো করি।’

সামনেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২ টেস্টের সিরিজ রয়েছে। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় আসবে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। এ সিরিজে হোম কন্ডিশন কাজে লাগানোর দিকেই মনোযোগী জুবায়ের। সেই সঙ্গে খেলার সুযোগ পেলে টার্ন, সেøা উইকেটের সুবিধা নিয়ে মাতও করতে চান। বলেছেন, ‘আসলে আমাদের উইকেটে টার্ন বেশি থাকে। সেøাও থাকে। এগুলো আমাদের এ্যাডভানটেজ। চেষ্টা থাকবে তা কাজে লাগানোর। আমার সবসময় চেষ্টা থাকে ভাল জায়গায় বল করা এবং দলকে ব্রেক-থ্রু এনে দেয়া। আল্লাহর রহমতে, আমার মধ্যে সেটা আছে।’ অস্ট্রেলিয়া সিরিজের জন্য কিভাবে নিজেকে প্রস্তুত করছেন? জুবায়ের জানান, ‘শেষ কয়েকটা ম্যাচে বোলিংয়ে যে ঘাটতিগুলো ছিল সেগুলো নিয়ে কাজ করছি। একই জায়গায় বল ফেলা নিয়ে বিশেষভাবে কাজ করছি। একজন লেগস্পিনারের জন্য একই জায়গায় বার বার বল ফেলা খুব কঠিন। ওটা নিয়েই বেশি কাজ করছি। ভালমানের লেগস্পিনার হওয়া একটা সাধনার বিষয়। অনেক সময় লাগে। আমি তাড়াহুড়ো করছি না। চেষ্টা করছি প্রতিনিয়ত উন্নতি করার, সেভাবেই পরিশ্রম করছি। শারীরিক ও টেকনিক্যাল বিষয় নিয়েও কাজ করছি।’

জুবায়েরের একটি আকুতিও যেন আছে। ঘরোয়া লীগে খেলতে পারার আকুতি। যেটি জুবায়েরের পূরণ হচ্ছে না। ঘরোয়া লীগে প্রতিনিয়ত খেলতে পারেন না জুবায়ের। জাতীয় দলে নিয়মিত হলেও ঘরোয়া ক্রিকেট এখনও নিয়মিত হতে পারেননি লেগস্পিনার জুবায়ের হোসেন।

২০০তম ম্যাচে দুই

গোল মুলারের

জার্মান বুন্দেসলিগায় টানা তৃতীয় জয় বেয়ার্ন মিউনিখের

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ জার্মান বুন্দেসলিগায় নিজের ২০০তম ম্যাচটি স্মরণীয় করে রেখেছেন টমাস মুলার। বেয়ার্ন মিউনিখের তারকা এই ফুটবলার শনিবার রাতে মিউনিখের এ্যালিয়েঞ্জ এ্যারানায় মাইলফলক স্পর্শের ম্যাচে করেন জোড়া গোল। তার এই নৈপুণ্যে ভর করে বেয়ার্ন মিউনিখ ৩-০ গোলে পরাজিত করে বেয়ার লেভারকুসেনকে। বাভারিয়ানদের হয়ে অপর গোলটি করেন আরিয়েন রোবেন। এটি নতুন মৌসুমে বুন্দেসলিগায় বেয়ার্নের টানা তৃতীয় জয়।

বর্তমানে তিন ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে বেয়ার্ন মিউনিখ। ৭ পয়েন্ট নিয়ে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে আছে ভিএফএল উলফসবার্গ ও এফসি কোলোরন। ঘরের মাঠে ম্যাচের শুরু থেকেই চড়াও হয়ে খেলতে থাকে পেপ গার্ডিওলার দল। ২৬ মিনিটে মুলারের নৈপুণ্যে প্রথম গোলের স্বাদ নেয় বেয়। এই গোলটির মধ্য দিয়ে বুন্দেসলিগায় মুলারের গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৯৯। প্রথমার্ধে আর কোন গোল পায়নি স্বাগতিকরা।

বিরতির পরও আক্রমণ থেকে বিরত থাকেনি বেয়ার্ন। লেভারকুসেনও চেষ্টা করতে থাকে ম্যাচে ফেরার। কিন্তু ম্যাচের ৬০ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করে বেয়ার্নকে ২-০ গোলে এগিয়ে দেন ২৫ বছর বয়সী মুলার। ফলে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে অতিথিরা। ৭১ মিনিটে বেয়ার্নের জয় নিশ্চিত করেন আরিয়েন রোবেন। পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন হল্যান্ডের নতুন এই অধিনায়ক।

ম্যাচ শেষে দলের পারফর্মেন্সে সন্তোষ প্রকাশ করেন বেয়ার্ন কোচ পেপ গার্ডিওলা। তিনি বলেন, আমাদের এখনও কিছু সমস্যা আছে। তবে দল অনেক উন্নতি করেছে। আমাদের গোলের আরও সুযোগ ছিল। কিন্তু কাজে লাগাতে পারিনি। তবে দলের পারফর্মেন্সে আমি সন্তুষ্ট। মুলারের প্রশংসা করে সাবেক বার্সিলোনা কোচ বলেন, মুলার অসাধারণ এক ফুটবলার। তার জন্য কোন প্রশংসাই যথেষ্ট নয়। নিজের অর্জনের জন্য সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন মুলার নিজেও।

বিশ্ব এ্যাথলেটিক্সে

কেনিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব

শেষদিনে মেয়েদের ৫ হাজার মিটার দৌড়ে দিবাবার হার

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ বিদায় বার্ডস নেস্ট। ২০০৮ অলিম্পিকের পর এবারই দ্বিতীয় কোন বৃহত্তম ক্রীড়াযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হলো চীনের বেজিংয়ে অবস্থিত এই স্টেডিয়ামে। বিশ্ব এ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপসের আসর শেষ হলো ৯ দিনের লড়াই শেষে। কেনিয়ার এ্যাথলেটরা সর্বাধিক ১৬ পদক (৭ স্বর্ণ, ৬ রৌপ্য ও ৩ ব্রোঞ্জ) জিতে শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে শেষ করেছে। সমান ৭ স্বর্ণ জিতলেও জ্যামাইকা ২ রৌপ্য ও ৩ ব্রোঞ্জসহ ১২ পদক নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে থেকে শেষ করেছে। ১৮ পদক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র তৃতীয় এবং একটি স্বর্ণ জেতা স্বাগতিক চীন ৭ রৌপ্য ও ১ ব্রোঞ্জসহ ৯ পদক নিয়ে একাদশ স্থান নিয়ে শেষ করেছে। রবিবার প্রতিযোগিতার শেষদিন আরও ৭ ইভেন্টে পদকের ফয়সালা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল মেয়েদের ৫ হাজার মিটার দৌড়। ইথিওপিয়ার তিন নারী এ্যাথলেটই পদক জিতেছেন। তবে ফেবারিট গেনজেবে দিবাবাকে হারিয়ে চমক দেখিয়েছেন আলমাজ আয়ানা। আর মহিলাদের ৪ী৪০০ মিটার রিলেতে ফেবারিট যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়েছে জ্যামাইকা।

গত অলিম্পিকে ৪ী৪০০ মিটার রিলেতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের মেয়েরা। কিন্তু এবার তারা পেরে ওঠেনি। ৩ মিনিট ১৯.১৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে স্বর্ণ জয় করে তারা। এটি চলতি বছরে এ ইভেন্টের সেরা টাইমিং। এ্যালিসন ফেলিক্স ও সানিয়া রিচার্ড রসের যুক্তরাষ্ট্র তাদের ছুঁতে পারেনি। রৌপ্য জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে এবারের মতো। ব্রিটেনের মেয়েরা ৩ মিনিট ২৩.৬২ সেকেন্ড সময় নিয়ে ব্রোঞ্জ জয় করে। মেয়েরা না পারলেও মার্কিন ছেলেরা স্বর্ণপদক জিতেছেন। ত্রিনিদান এ্যান্ড টোবাগোর ছেলেরা রৌপ্য এবং ব্রিটেন ব্রোঞ্জ জয় করেছে। তবে আলোচনার কেন্দ্রে থাকা মহিলাদের ৫ হাজার মিটার দৌড়ে হেরে গেছেন দিবাবা। এবার ১৫০০ মিটারে জিতে দারুণভাবে শুরু করেছিলেন। মনে হচ্ছিল তার বড় বোন টিরুনেশ দিবাবার মতোই কীর্তি গড়তে চলেছেন। টিরুনেশ ছিলেন ৫ ও ১০ হাজার মিটারে বিশ্ব রেকর্ডধারী। কিন্তু ৫ হাজারে আর জয়ের হাসি নিয়ে ট্র্যাক ছাড়তে পারলেন না। লড়াই হয়েছে ‘অল ইথিওপিয়ান’। সতীর্থরাই যেন নিজেদের শত্রু হয়ে উঠেছিলেন। সেই লড়াইয়ে জিতেছেন আয়ানা। এবারের আসরে শুধু এই একটি ইভেন্টেই অংশ নিয়ে বাজিমাত করলেন এ তরুণী। তবু বিশ্ব আসরের নতুন রেকর্ড গড়েই স্বর্ণালী সাফল্য ছিনিয়ে নিয়েছেন। তিনি ১৪ মিনিট ২৬.৮৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে চ্যাম্পিয়নশিপস রেকর্ড গড়েই স্বর্ণপদক ছিনিয়ে নেন। দিবাবা ছিলেন অনেকখানি পিছিয়ে। তিনি রৌপ্যও জিততে পারেনি। ১৪ মিনিট ৪৪.১৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে ব্রোঞ্জ জিতেছেন তিনি। আর সেনবেরে টেফেরি রৌপ্য জয় করেন ১৪ মিনিট ৪৪.০৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে।

পুরুষদের ১৫০০ মিটার দৌড়ে সাফল্য পেয়েছেন ফেবারিট আসবেন কিপরপ। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্ব এ্যাথলেটিক্সে স্বর্ণ জিতলেন তিনি। ৭ বছর আগে বেজিংয়ে তিনি অলিম্পিক সোনাও জিতেছিলেন।

কেভিতোভার শিরোপা অক্ষুণœ

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ নিউ হ্যাভেন ওপেনের শিরোপা নিজের করে রাখলেন পেত্রা কেভিতোভা। শনিবার ফাইনালে স্বদেশী লুসি সাফারোভাকে পরাজিত করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন তিনি। ফাইনালে চেক প্রজাতন্ত্রের এই টেনিস তারকা এদিন ৬-৭ (৬), ৬-২ এবং ৬-২ গেমে হারান সাফারোভাকে। এর ফলে নতুন একটি রেকর্ডও গড়লেন দুইবারের উইম্বল্ডন চ্যাম্পিয়ন কেভিতোভা। সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো কোন টুর্নামেন্টের শিরোপা ধরে রাখার নজির গড়লেন তিনি। এর ফলে রোমাঞ্চিত চেক তারকা। ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনে কেভিতোভা বলেন, ‘প্রথমবারের মতো এটা করতে পারার আনন্দটা আসলেই অন্যরকম। ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম শিরোপা নিজের করে রাখতে পেরেছি এমন অভিজ্ঞতা খুবই ভাল। এটা করতে পেরে আমি খুবই সন্তুষ্ট।’

সর্বশেষ চার বছরের মধ্যে তিনবারই নিউ হ্যাভেন ওপেনের শিরোপা জিতেছেন পেত্রা কেভিতোভা। তার আগে এই টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ চারবার করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ডেনমার্কের ক্যারোলিন ওজনিয়াকি এবং আমেরিকার ভেনাস উইলিয়ামস। নিউ হ্যাভেন ওপেন কেভিতোভার ক্যারিয়ারের ১৭তম একক শিরোপা। চলতি বছরে এটা তার দ্বিতীয়। এর আগে মে মাসে মাদ্রিদে মৌসুমের প্রথম শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়েছিলেন তিনি। কেভিতোভার তার সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারে দুটি গ্র্যান্ডসøাম টুর্নামেন্ট জিতেছেন। দুটিই আবার উইম্বল্ডনে। ২০১১ সালে প্রথম মেজর শিরোপা জয়ের পর গত মৌসুমে জিতেছিলেন দ্বিতীয়টি। কিন্তু চলতি বছর নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি ২৫ বছর বয়সী এই টেনিস তারকা।

গত মাসে উইম্বল্ডনে ফেবারিট হিসেবে কোর্টে নেমেছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিষ্প্রভ থাকেন এই চেক তারকা। পরবর্তীতে কোভিতোভা জানান যে, উইম্বল্ডনের পর থেকেই ক্লান্ত ও দুর্বলতায় ভুগছেন। কিন্তু এ সব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও কোর্টে লড়াই নিয়মিতই চালিয়ে যান বর্তমান টেনিস র‌্যাঙ্কিংয়ের পাঁচ নাম্বারে থাকা এই তারকা। তারই ফল হিসেবে নিউ হ্যাভেন ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন তিনি। আজ থেকে শুরু হচ্ছে মৌসুমের শেষ গ্র্যান্ডসøাম টুর্নামেন্ট। তার ঠিক দুইদিন আগে শিরোপা জয়ের হাসি হাসলেন কেভিতোভা। তাতে স্বাভাবিকভাবেই আনন্দে-উদ্বেলিত এই চেক তারকা। তবে মজার বিষয় হলো এখানে আসার আগে শিরোপা জয়ের মতো আত্মবিশ্বাস তার ছিল না। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে এখানে ভাল খেলার আত্মবিশ্বাস নিয়ে আমি আসিনি কিন্তু তারপরও যেন সবকিছুই বদলে গেল। ইউএস ওপেনের আগে এই শিরোপা জয়ের অনুভূতিটা দারুণ। নিশ্চিত করেই বলতে পারি তা।’

অনুর্ধ ১৫ ফুটবল ফাইনালে নারায়ণগঞ্জ

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ সেইলর বিএফএফ জাতীয় অনুর্ধ ১৫ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ অনুর্ধ ১৫ ফুটবল দল। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বিকেলে অনুষ্ঠিত ফাইনালে তারা টাইব্রেকারে ৫-৪ গোলে হারিয়ে দেয় সিলেট অনুর্ধ ১৫ ফুটবল দলকে। নির্দিষ্ট সময়ের খেলা ১-১ সমতায় শেষ হয়। আজ একই ভেন্যুতে বিকেল ৫টায় দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখামুখি হবে ফেনী অনুর্ধ ১৫ ও ঢাকা অনুর্ধ ১৫ ফুটবল দল। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী বুধবার।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: