২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

চিক টেক্সটাইলের মামলার রায় আজ


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ১৯৯৬ সালের শেয়ার কেলেঙ্কারিতে কৃত্রিমভাবে চিক টেক্সটাইলের শেয়ারের দর বাড়ানো মামলার রায় ঘোষণা হবে আজ সোমবার। পুঁজিবাজার সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তিতে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক হুমায়ুন কবীর রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন। বুধবার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী যুক্তিতর্ক শেষ করার পর রায়ের তারিখ ঘোষণা করেন তিনি।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাসুদ রানা খান বলেন, বৃহস্পতিবার চিক টেক্সটাইলের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়েছে। এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সব কিছুই উঠে এসেছে। আশা করছি আসামিরা সর্বোচ্চ সাজা পাবে।

চিক টেক্সটাইলের শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলার আসামিরা হলেন - কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মাকসুদুর রসূল ও পরিচালক ইফতেখার মোহাম্মদ। এছাড়া মামলায় চিক টেক্সটাইল কোম্পানিকেও আসামি করা হয়। বিশেষ আদালতে মামলা শুরু হলেও আসামিদের কেউই আদালতে হাজির ছিলেন না, কিংবা তাদের পক্ষে কোন আইনজীবীও আদালতে ছিলেন না। ১৯৯৬ সালে চিক টেক্সটাইলের শেয়ারের দর কৃত্রিমভাবে বাড়ানোর অভিযোগে আসামি দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। পরবর্তী সময়ে তারা উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেন। কিন্তু বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচার কাজ শুরু হওয়ার পর আদালতে হাজিরা না দেয়ায় গত ২৮ জুন গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত।

এর আগে চিক টেক্সটাইলের মামলায় ৬ জুলাই বাদী হিসেবে প্রথম সাক্ষী দেন বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান মনির উদ্দিন আহমেদ। ২৫ আগস্ট মঙ্গলবার শেয়ারবাজার বিষয়ক বিশেষ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দী দেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সহকারী মহা-ব্যবস্থাপক মোঃ রুহুল খালেক ও সিনিয়র এক্সিকিউটিভ দেলোয়ার হোসেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আসামিরা চিক টেক্সটাইলের শেয়ারের দর বাড়ানোর লক্ষ্যে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণামূলক কর্মকা করেছেন। ওই সময় বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে ভাল মুনাফা করার জন্য ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মাকসুদুর রসূল ৮ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৪টি ও পরিচালক ইফতেখার মোহাম্মদ ৮ লাখ ৩৫ হাজার শেয়ার অপারেট করেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৭ সালের ২৭ মার্চ পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ ১৯৬৯-এর ২১ ধারা অনুযায়ী একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।