২৪ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

যশোর পৌর এলাকার অধিকাংশ সড়ক চলাচল অযোগ্য


স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ যশোর পৌরসভায় বর্তমানে ২শ’ ৪ কিলোমিটারজুড়ে পিচের ৯৩টি রাস্তা আছে। যার মধ্যে সংস্কারের অভাবে ৬২টিই চলাচল অনুপযোগী হয়ে গেছে। অপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়মিত পরিষ্কার না করায় সামান্য বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। আর সে কারণেই এসব রাস্তার বিটুমিন কার্পেটিং উঠে বড় বড় খানাখন্দে পরিণত হয়েছে।

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, চলাচল অনুপযোগী ৬২ রাস্তা সংস্কার করেও আর উপযোগী করা সম্ভব নয়। সেগুলো জরুরীভিত্তিতে পুনর্নির্মাণ প্রয়োজন। বাকি ২১টি রাস্তারও বেহাল দশা। বিটুমিন উঠে গিয়ে স্থানে স্থানে খানা-গর্তে ভরে গেছে। এ রাস্তাগুলো দ্রুত সংস্কার না করা হলে অচিরেই মেরামতের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। তবে বর্তমানে পৌর পরিষদের মেয়াদে শহরবাসীর দুর্ভোগ ঘোচার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন পৌরসভার একাধিক কাউন্সিলর। সূত্র মতে, পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের চিত্রা মোড় থেকে ঈদগাহ মোড় পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তাটি নষ্ট হয়ে গেছে। গুরুদাস বাবু লেন, নীলরতন ধর রোড, হরিনাথ দত্ত লেন (নিরালাপট্টি), বেজপাড়া গয়ারাম সড়ক, বেজপাড়া বিহারী কলোনি সড়ক, বেজপাড়া মেইন রোড, আজিমাবাদ কলোনি সড়ক, পিয়ারীমোহন রোডসহ অনেক রাস্তা জরুরীভিত্তিতে মেরামত করে জনদুর্ভোগ লাঘব করা প্রয়োজন।

সেনবাগে বেহাল সড়ক

নিজস্ব সংবাদদাতা, নোয়াখালী থেকে জানান, সেনবাগ-ছিলোনিয়া সড়কটি উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বিগত দশ বছরের বেশি সময় ধরে সড়কটি সংস্কার না করায় বর্তমানে চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়েছে। এ নিয়ে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাসিন্দারা। সম্প্রতি সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে শুধু এই সড়কই নয়; সেনবাগ-কোরেশমুন্সীহাট সড়ক, ছাতারপাইয়া-চিলাদী সড়ক, কানকিরহাট-মজিরখিল সড়ক, কানকিরহাট-দৌলখাঁ সড়কসহ উপজেলার অধিকাংশ ইউনিয়ন ও গ্রামীণ সড়কেরই বেহাল অবস্থা। সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে ছোটবড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, বছরের পর বছর ধরে এসব সড়কসহ গ্রামীণ সড়কগুলো সংস্কারে সরকারী কোন উদ্যোগ নেই। এতে উপজেলাটির গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। অর্জুনতলা ইউনিয়নের বাতানিয়া গ্রামের বাসিন্দা আমির হোসেন বলেন, গত দশ বছরের বেশি সময় ধরে সেনবাগ-ছিলোনিয়া সড়কটি সংস্কার করা হয়নি। সড়কের অনেক স্থানে ভেঙে খালে পড়েছে। অবস্থা দেখে মনে হয় এগুলো দেখার কারো দায়িত্ব নেই। উপজেলা প্রকৌশলীর জাহাঙ্গীর আলম বলেন, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রায় অর্ধেক সড়কের অবস্থা নাজুক। প্রয়োজনীয় অর্থের বরাদ্দ না পাওয়ায় এগুলো সংস্কার করা যাচ্ছে না।