২২ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

বছরের প্রথম ৬ মাসে গ্রামীণফোনের রাজস্ব আয় ৫১৫০ কোটি টাকা


গ্রামীণফোন লিমিটেড ২০১৫ সালের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব আয় করেছে পাঁচ হাজার ১৫০ কোটি টাকা, যা ২০১৪-এর একই সময়ের তুলনায় শতকরা ০.৭ ভাগ বেশি। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রদত্ত সেবা থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব বেড়েছে ০.২ ভাগ এবং ডিভাইস খাতে রাজস্ব হ্রাস ২.৯% ও অন্যান্য খাত (প্রধানত অবকাঠামো শেয়ারিং ও মোবাইল আর্থিক সেবা) থেকে আয় বেড়েছে ১৩.৮ ভাগ। প্রধানত ডাটা ও মূল্য সংযোজিত সেবার আয় বৃদ্ধির কারণে সেবা থেকে অর্জিত রাজস্বের প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

২০১৫-এর প্রথম অর্ধে গ্রামীণফোন ১৬ লাখ নতুন গ্রাহক সংগ্রহ করেছে যার ফলে মোট গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচ কোটি ৩১ লাখ। গত বছরের তুলনায় এটি ৭.৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এবং এতে সিম মার্কেট শেয়ার হয়েছে ৪১.৯%। ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা হয়েছে এক কোটি ৩৪ লাখ এবং সেই সঙ্গে এর ব্যবহারের পরিমাণও বেড়েছে উৎসাহব্যঞ্জকভাবে।

গ্রামীণফোনের সিইও রাজীব শেঠি বলেন, তীব্র প্রতিযোগিতা এবং ২০১৫ এর প্রথম প্রান্তিকে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে আমরা গত বছরের তুলনায় সামান্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি। তবে আমরা প্রথম প্রান্তিকের শেষদিক থেকেই ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি দেখছি, যা সম্ভব হয়েছে নেটওয়ার্কের শ্রেষ্ঠত্ব ও পণ্যের ব্যবহার্যতার বিষয়ে আমাদের সরলীকরণ উদ্যোগের কারণে। তিনি আরও বলেন, গ্রামীণফোনের বোর্ড অব ডিরেক্টরস পরিশোধিত মূলধনের ৮০ শতাংশ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। এটি শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি গ্রামীণফোনের প্রতিশ্রুতিবদ্ধতার বহির্প্রকাশ।

গ্রামীণফোনের সিএফও দিলীপ পাল বলেন, বছরের প্রথম অর্ধে আমরা দুর্বল ফলাফলের মধ্যেও লাভজনক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পেরেছি। এ বছরের প্রথমার্ধে থ্রিজি বিস্তার, টুজি বিস্তার ও ধারণক্ষমতা বৃদ্ধিতে গ্রামীণফোন এক হাজার ১০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। বিজ্ঞপ্তি।

মারা গেল একসঙ্গে ভূমিষ্ঠ ৬ শিশুই

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট অফিস ॥ সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে মঙ্গলবার দুপুরে একসঙ্গে ৬ শিশু সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন এক মা। জন্ম নেয়া ৬ শিশুর মধ্যে ৪ মেয়ে ও ২ ছেলে সন্তান ছিল। এর মধ্যে ২ ছেলে ও ১ মেয়ে মঙ্গলবার রাত ৯টায় মারা যায়। পরে রাতেই পর্যায়ক্রমে বাকি ৩ শিশু মারা যায়।

হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, ভূমিষ্ট ৬ শিশুই অপরিপক্ব ছিল। ২৬ সপ্তাহ মাতৃগর্ভে থাকার পরই শিশুগুলো ভূমিষ্ঠ হয়েছিল। তাই তারা নানা জটিলতায় ভুগছিল। এই শিশুগুলোর ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম ছিল। সাধারণত ১ কেজি ৫০ গ্রাম ওজনের কম ওজনের শিশুদের ‘লো বার্থ ওয়েট’ শিশু বলা হয়। কিন্তু এ শিশুদের ওজন ৭০০ গ্রামেরও কম ছিল। নবজাতকের ওজন এক কেজির কম হলে তাদের বাঁচানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। এদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গও ভালভাবে গড়ে উঠেনি। প্রসূতিজনিত সমস্যার কারণেই শিশুগুলো মারা গেছে।

মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হোছনা বেগম (২৬) নামের এক মায়ের গর্ভে অস্ত্রোপচার ছাড়াই এই শিশুদের জন্ম হয়। তিনি সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলার রাজাগঞ্জের বাসিন্দা। তার স্বামীর নাম জামাল উদ্দিন তিনি দুবাই প্রবাসী।