মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৭ আশ্বিন ১৪২৪, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

রাজন হত্যা: ময়না রিমান্ডে, গ্রেফতার আরেকজন

প্রকাশিত : ১৫ জুলাই ২০১৫, ০৫:৫২ পি. এম.

অনলাইন ডেস্ক ॥ সিলেটের কুমারগাঁওয়ে শিশু সামিউল আলম রাজনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আরেকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ; আগের রাতে গ্রেপ্তার চৌকিদার ময়না মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।

এদিকে চাঞ্চল্যকর এ মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার রোকনউদ্দিন জানিয়েছেন, ডিবির পরিদর্শক সুরঞ্জিত তরফদার এ মামলা তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন।

গত ৮ জুলাই সকালে চোর সন্দেহে ১৩ বছর বয়সী রাজনকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। নির্যাতনকারীরাই শিশুটিকে পেটানোর ভিডিও ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়।

২৮ মিনিটের ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবদের ঝড় ওঠে।

ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বুধবার দুপুরে কুমারগাঁওয়ের শেখপাড়া এলাকা থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় দুলাল মিয়া নামে ৩০ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়।

জালালাবাদ থানার ওসি আক্তার হোসেন বলেন, “গ্রেপ্তার দুলাল শেখপাড়া গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে। নির্যাতনের সময় দুলালও রাজনকে মারধর করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মারধরের ভিডিওতেও তাকে দেখা গেছে।”

এদিকে মঙ্গলবার রাতে টুকেরবাজার থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় গ্রেপ্তার ৪৫ বছর বয়সী ময়না মিয়াকে বুধবার আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

জালালাবাদ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলমগীর হোসেন দশ দিনের হেফাজতে নিয়ে ময়নাকে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করলে সিলেটের মহানগর হাকিম শাহেদুল করিম সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রাজন হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

গত ৮ জুলাই রাজনের লাশসহ গ্রেপ্তার মুহিত আলমকে (৩৫) সোমবার পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠায় আদালত। মঙ্গলবার মুহিতের শ্যালক ইসমাইল হোসেন আবলুছকেও (৩২) পাঁচ দিনের রিমান্ডে পায় পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আরও তথ্য উদঘাটন করতে মুহিতের স্ত্রী লিপি বেগমকেও আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

এছাড়া নির্যাতনের প্রত্যক্ষদর্শী আজমত উল্লাহ ও ফিরোজ আলী মঙ্গলবার আদালতে স্বীকরোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মুহিতের ভাই কামরুল ইসলাম সৌদি আরবে পালিয়ে গেলেও সেখানে ধরা পড়ছেন। তাকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এ ঘটনায় জালালাবাদ থানা পুলিশ যে হত্যা মামলা দায়ের করেছে, তার আসামিদের মধ্যে আলী হায়দার ওরফে আলী (৩৪) এখনও পলাতক।

প্রকাশিত : ১৫ জুলাই ২০১৫, ০৫:৫২ পি. এম.

১৫/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: