১৭ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৮ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

সফল মহিলা এ্যাথলেট সেরেনা, তবু ...


স্পোর্টস রিপের্টার ॥ এবার উইম্বল্ডন জিতে দারুণ সৌভাগ্য অর্জন করেছেন বিশ্বের দুই এক নম্বর সার্বিয়ার নোভাক জোকোভিচ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেরেনা উইলিয়ামস। নতুন এক ঐতিহ্য ফিরে এসেছে এ বছরে এ দুই উইম্বল্ডন সম্রাট-সম্রাজ্ঞীর মাধ্যমে। বার্ষিক চ্যাম্পিয়ন্স নৈশভোজের অনুষ্ঠানে তারা একসঙ্গে নেচেছেন এবং ১৯৭৬ সালের ঘটনা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন সবাইকে। সেবারই সর্বশেষ উইম্বল্ডন জয়ী হিসেবে লন্ডন গিল্ডহিলে নেচেছিলেন বিয়র্ন বর্গ ও ক্রিস এভার্ট। বর্তমান বিশ্বের সফলতম নারী এ্যাথলেট হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে সেরেনাকে। কিন্তু সাধারণ মানুষের চোখে আবার অন্যভাবেও তিনি ধরা পড়েছেন। সেটা হচ্ছে সফলতম সবচেয়ে মোটাসোটা মহিলা এ্যাথলেট সেরেনা। সেরেনার শরীর নিয়ে বিশ্বখ্যাত পত্রিকা নিউইয়র্ক টাইমস ফলাও করে আলোচনাও করেছে। কিন্তু শরীর যেমনই হোক এই ৩৩ বছর বয়সেও সক্ষমতা অনেক সেটা ষষ্ঠবারের মতো উইম্বল্ডন জিতে প্রমাণ দিয়ে ফেলেছেন সেরেনা। ২১ গ্র্যান্ডসøাম জয়ের পর এখন গৌরবময় এক রেকর্ড অর্জনের হাতছানি। সর্বাধিক গ্র্যান্ডসøাম জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসানো বাকি। এবার নিয়ে ৬ বার সবচেয়ে মর্যদার টেনিস আসর উইম্বল্ডন জিতলেন সেরেনা। মোটা ঊরু, বলিষ্ঠ বাহু, চওড়া কাঁধ এবং কঠোর কব্জি-সবমিলিয়ে দারুণ শক্তি ধরেন তিনি। আর টেনিস কোর্টেও এর প্রভাব দেখা যায়। সেরেনার শক্তি এবং গতির কাছে হিমশিম খেয়ে যায় প্রতিপক্ষরা। বিভিন্ন সময়ে দারুণ সফল হতে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই এক নম্বর তারকা হিসেবে আছেন। তবু সেরেনার শারীরিক গঠন নিয়ে আলোচনার অন্ত নেই। শুধু তিনি নয়, অনেকের শারীরিক গঠন নিয়েই বিভিন্ন ম্যাগাজিনে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে আন্দ্রেয়া পেটকোভিচ বলেছেন, ‘মানুষ আমাকে বল তো তুমি তো অনেক রোগা। কিন্তু আমি সবসময় নিজেকে অনেক বড় মনে করি। এরপর আমি একটা বিষয় অনুভব করতে শুরু করি জার্মানির ৮০ মিলিয়ন মানুষ আমাকে বডিবিল্ডার হিসেবে মনে করেন। এরপর যখন তারা আমাকে সরাসরি দেখেন তারা মনে করেন যে আমি ঠিকই আছি।’ কিন্তু শারীরিক গঠনের বিষয়টি কোন গণমাধ্যমের আলোচ্য বিষয় হতে পারে না। এটা একজন ফিজিওথেরাপিস্ট চিন্তা করবেন যদি কেউ নিজে থেকে এ বিষয়ে কিছু জানতে চায়। এসব কারণে পেশীবহুল কোন নারী শরীর নিয়ে এত বেশি আলোচনার কিছু নেই।