মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৭ আশ্বিন ১৪২৪, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

বন্ধ হচ্ছে না সৈয়দপুর রেল কারখানার লোহা চুরি

প্রকাশিত : ১৪ জুলাই ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার লোহা চুরি কোনভাবেই বন্ধ হচ্ছে না। এর সঙ্গে কারখানার বেশ কিছু রাঘব বোয়াল কর্মকর্তা ও রেল শ্রমিক নেতা জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। আসন্ন ঈদ উপলক্ষে লোহা চুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় একটি পাওয়ার ট্রলিতে ৬ ফিট দীর্ঘ ১৪ পিস রেললাইন পাচার করার সময় সৈয়দপুর বাইপাস সড়কে এলাকাবাসী তা আটক করেছে। খবর পেয়ে সৈয়দপুর থানা পুলিশ সেগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়েছে। আটককৃত রেললাইনের মূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা বলে জানা গেছে। সৈয়দপুর থানার ওসি ইসমাইল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ট্রলির চালক পালিয়ে যাওয়ায় এই রেললাইনগুলো কার মাধ্যমে পাচার হচ্ছিল তা জানা যায়নি। তবে রাতেই পুলিশের পক্ষে বিসি, ইএল এ্যাটের ৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানায়, অনেক আগে থেকেই লাখ লাখ টাকার লোহা পাচার করা হচ্ছে কারখানা থেকে। কারখানা থেকে এ লোহাগুলো পাচার করে গন্তব্যে নিয়ে যাওয়ার সময় পথের মধ্যে বেশ কয়েকবার সেগুলো ট্রাক ভ্যানসহ এলাকাবাসী ও থানা পুলিশের হাতে ধরাও পড়েছে। কিন্তু তার পরেও কারখানায় লোহা চুরি থেমে নেই। অভিযোগ মতে লোহা চুরির সঙ্গে বর্তমানে জড়িয়ে পড়েছে কারখানার বেশ কিছু রাঘব বোয়াল কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং রেল শ্রমিক নেতারা। তাদের মাধ্যমে রাতের আঁধারে কারখানার নিরাপক্তা প্রহরী বিশেষ করে বাবুল শেখ ও নেনু ম-ল পাচারে সহযোগী করে থাকে। আর এসব লাখ লাখ টাকায় ক্রয় করে থাকে বেশকিছু সিন্ডিকেট গ্রুপ। সিন্ডিকেট গ্রুপগুলোর মধ্যে রয়েছে আইনুল, নওশাদ, সুভাস বালতী জাবেদ ও পাগলী। কারখানা থেকে লোহা চুরির কারণে সৈয়দপুর শহরে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু লোহা লক্বরের দোকান। চোরাই লোহার ব্যবসা করে এরা বর্তমানে হয়েছে লাখপতি থেকে কোটিপতি। কেউ কেউ হয়েছে গাড়ি-বাড়ির মালিক।

প্রকাশিত : ১৪ জুলাই ২০১৫

১৪/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



শীর্ষ সংবাদ: