২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ঋণপত্রবিহীন আমদানির সীমা বৃদ্ধি


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ব্যাংকে ঋণপত্র (এলসি) না খুলে আমদানির সীমা বাড়িয়েছে সরকার। এখন থেকে বাণিজ্যিক আমদানিকারক হিসেবে নিবন্ধিত ব্যক্তিরা বছরে দুই লাখ ডলারের পণ্য আমদানি করতে পারবে। আর শিল্পখাতের আমদানিকারক হিসেবে নিবন্ধিতদের এলসি ছাড়া আমদানির বিষয়টি স্পষ্টীকরণ করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত গেজেটের আলোকে রবিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে ব্যাংকগুলোতে পাঠিয়েছে।

আমদানি নীতি আদেশের ৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, শর্তে সাপেক্ষে ব্যাংকে এলসি না খুলেই নির্দিষ্ট কিছু পণ্য আমদানির সুযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্ধারিত ‘এলসিএ ফরম’ পূরণ করে এ পণ্য আমদানি করতে হয়। বিভিন্ন পক্ষের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত ৮ জুন নীতিমালায় কিছুটা সংশোধনী এনে গেজেট প্রকাশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সেখানে বলা হয়েছে, এখন থেকে শিল্পখাতের আমদানিকারক হিসেবে নিবন্ধিত আমদানিকারকরা নিজ কারখানায় ব্যবহৃত কাঁচামাল ও মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে যে কোন পরিমাণের পণ্য এলসি ছাড়া আমদানি করতে পারবে। এর আগে এ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকলেও তা স্পষ্ট ছিল না। এছাড়া এতদিন বাণিজ্যিক আমদানিকারকরা এলসি ছাড়া বছরে সর্বোচ্চ এক লাখ ডলারের যে কোন পণ্য আমদানির সুযোগ পেত। এখন তা বাড়িয়ে বছরে দুই লাখ ডলার করা হয়েছে। তবে মিয়ানমার থেকে চাল, ডাল, ভুট্টা, শিম, আদা, রসুন, সয়াবিন তেল, পামওয়েল, পেঁয়াজ ও মাছ আমদানির ক্ষেত্রে এক চালানে ৫০ হাজার ডলার ও অন্য পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে এক চালানে ৩০ হাজার ডলার আমদানি করা যাবে। আর দ্রুত পচনশীল খাদ্যদ্রব্য টেকনাফ শুল্ক স্টেশনের মাধ্যমে আমদানির ক্ষেত্রে প্রতি চালানে ৫০ হাজার ডলার ও অন্যান্য স্থলবন্দরের মাধ্যমে ১০ হাজার ডলারের এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য যে কোন পরিমাণে এলসি ছাড়া আমদানি করা যায়।