২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ১০ ফাল্গুন ১৪২৪, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

চট্টগ্রাম বন্দরে হাজার কেজি আমদানি নিষিদ্ধ ঘনচিনি জব্দ

প্রকাশিত : ১৪ জুলাই ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার ॥ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ১ হাজার কেজি আমদানি নিষিদ্ধ ঘনচিনি (সোডিয়াম সাইক্লোমেট) জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতর। রবিবার চট্টগ্রাম বন্দর থেকে এসব জব্দ করা হয়। সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটায় রাজধানীর বাবুবাজার থেকে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোঃ ওমর ফারুককে আটক করা হয়। রাজধানীর কাকরাইলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি চালানটিতে সাইট্রিক এসিডের নামে ঘনচিনি আমদানি করা হয়েছে। পরে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সিএ্যান্ডএফ এজেন্ট বোনি-এম ট্রেডার্সের প্রতিনিধি সঙ্গে নিয়ে শুল্ক গোয়েন্দা এসবের নমুনা সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম শুল্ক ভবনের ল্যাবে পাঠানো হয়। সোমবার টেস্ট রিপোর্টে প্রমাণ পাওয়ার পর এগুলোকে জব্দ করা হয়।

ড. মইনুল খান জানান, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মালিক ওমর ফারুক ন্যাশনাল ব্যাংকের বাবুবাজার শাখায় একটি এলসি খোলেন এই ঘনচিনি আমদানির জন্য। তবে ওই এলসিতে তার দেয়া ঠিকানা সঠিক ছিল না। শুল্ক গোয়েন্দার নির্দেশে বাবুবাজার শাখার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার কৌশলে ফারুককে তার অফিসে ডেকে আনেন এবং সেখান থেকেই আমরা তাকে গ্রেফতার করি।

২০১৪-১৫ সালে ফারুক ১০ বার সাইট্রিক এসিড ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানি করেছেন বলেও তথ্য পাওয়া গেছে। তবে সেগুলোতে ঘনচিনি ছিল কি-না তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান শুল্ক গোয়েন্দার মহাপরিচালক।

তিনি জানান, পৃথিবীর অনেক দেশে ঘনচিনির আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ২০০৬ সালে বাংলাদেশেও এর আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়। ঘনচিনি ফরমালিন, কার্বাইডের মতোই মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।

প্রকাশিত : ১৪ জুলাই ২০১৫

১৪/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



শীর্ষ সংবাদ: