২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া ও যাত্রী হয়রাণি বন্ধের আহ্বান


স্টাফ রিপোর্টার ॥ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে লঞ্চ, বাস ও ট্রেনসহ সব ধরনের গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী হয়রানি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি। সেই সঙ্গে লাখ লাখ ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ ভ্রমন নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার সংগঠনের উপদেষ্টা প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা মনজুরুল আহসান খান, সভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুর রহীম ও সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে এক যুক্ত বিবৃতিতে সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের প্রতি এই আহ্বান জানান।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রেন সার্ভিস ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) স্টিমার সার্ভিস এবং বেসরকারি লঞ্চ ও বাস সার্ভিসসহ সব ধরনের গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ছাড়াও কালো বাজারে চড়াদামে টিকেট বিক্রির কারণে সাধারণ যাত্রীরা নানামুখি হয়রাণির শিকার হচ্ছেন। এছাড়া বিভিন্ন টার্মিনাল, মহাসড়ক ও ফেরিঘাটে বেপরোয়া চাঁদাবাজির শিকার দূরপাল্লার বাসমালিকরা অনেকটা বাধ্য হয়েই যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করছেন। রাষ্ট্রায়াত্ত সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের (বিআরটিসি) বাসগুলোও এই চাঁদাবাজির হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। এর খেসারত হিসেবে যাত্রীদের গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ। নৌ ও সড়কপথে প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে বিবৃতিতে বলা হয়, এক শ্রেণির মালিক অতিরিক্ত মুনাফার লোভে লঞ্চ ও বাসে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহন করছেন। সরকারী নির্দেশ লঙ্ঘন করে প্রশাসনের নাকের ডগায় বাস-লঞ্চের ছাদে যাত্রী বহন করা হলেও ওই সব পরিবহনের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। এছাড়া রেলওয়ের এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারি অবৈধ আর্থিক সুবিধা নিয়ে ট্রেনের ছাদে যাত্রী তুলছেন। এসব কারণে সাধারণ যাত্রীরা দুর্ঘটনার ঝুঁকি মাথায় নিয়েই বাড়ি ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।

বিবৃতিতে জাতীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ ঈদে ঘরমুখি লাখ লাখ মানুষ তথা দেশের জনগণের যাতায়াত সুবিধাসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য গণপরিবহন খাতে বিরাজমান সব ধরনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা জরুরী ভিত্তিতে দূরীকরণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।