মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৭ আশ্বিন ১৪২৪, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

গ্রিস ইস্যূতে দাতাদের অবস্থান কঠোর

প্রকাশিত : ১৩ জুলাই ২০১৫, ১২:২৪ পি. এম.

অনলাইন ডেস্ক ॥ প্রায় দেউলিয়া হয়ে পড়া গ্রিসের সঙ্গে জরুরী শীর্ষ বৈঠকে রোববার গভীররাতেও দরকষাকষিতে ব্যস্ত ছিলেন ইউরো জোনের নেতারা।

গ্রিসকে ঋণসঙ্কট থেকে টেনে তুলে ইউরোপীয় একক মুদ্রায় ধরে রাখার আলোচনা শুরু করার আগে আস্থা ফিরিয়ে আনার শর্ত দিয়েছেন ইউরো জোনের দাতারা। রয়টার্সের খবর।

আস্থা ফিরিয়ে আনতে চলতি সপ্তাহেই মূল সংস্কার কর্মসূচীগুলো শুরু করতে গ্রিসের প্রতি চাপ সৃষ্টি করছেন জোনের নেতারা। এজন্য গ্রিসের বামপন্থী প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সিস সিপ্রাসকে পার্লামেন্টের মাধ্যমে আইন জারি করতে বলেছেন তারা।

এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ইউরো জোনে থাকা গ্রিসের বাকী ১৮ অংশীদার সন্তুষ্ট হলে আট হাজার ছয়শ কোটির ইউরোর তৃতীয় বেইল আউট কর্মসূচী নিয়ে আলোচনা শুরু করার কথা বলেছেন তারা। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয়ভাবে গ্রিসের দেউলিয়া হয়ে যাওয়া ঠেকাতে তাৎক্ষণিকভাবে তহবিল যোগানোর বিষয়টিও আছে।

কর ও পেনসনসহ বেইল আউট কর্মসূচীর ছয়টি মূল প্রস্তাব বুধবার রাতের মধ্যে গ্রিসের পার্লামেন্টে পাস করে আইন জারি করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া আলোচনার শুরু করার আগেই বেইল আউটের পুরো প্যাকেজের পক্ষে গ্রিক পার্লামেন্টের সমর্থন চাওয়া হয়েছে।

ইউরো গ্রুপের অর্থমন্ত্রীদের খসড়া সিদ্ধান্তের যে তালিকা জোনের নেতাদের কাছে পাঠানো হয়েছে তাতে এসব কথাই বলা হয়েছে।

শর্তগুলো মানতে ব্যর্থ হলে গ্রিসকে ‘সাময়িকভাবে’ ইউরো জোনের বাইরে রাখার জার্মানির প্রস্তাবও ওই সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রাখা হয়েছে।

তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) এক জ্যেষ্ঠ সূত্র বলেছেন, জার্মানির ওই প্রস্তাবটি বেআইনি, সিপ্রাস যদি অন্যান্য কঠোর শর্তগুলো মেনে নেন তাহলে এটি সম্মেলনের বিবৃতি থেকে বাদ দেওয়া হতে পারে।

ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত ইউরো জোনের নেতাদের বৈঠকে যোগ দিতে এসে সিপ্রাস বলেছেন, ইউরোপকে একত্রিত রাখতে তিনি ‘আরেকটি সৎ সমঝোতা’ করতে চান।

তবে এখনই আলোচনা শুরু করার জন্য এসব শর্তও যথেষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মের্কেল। ইউরো জোনের বেইল আউট প্রস্তাবের সবচেয়ে বড় দাতাদেশ জার্মানি। গ্রিসকে অতিরিক্ত ঋণ সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে নিজ দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর বিরোধীতায় চাপে আছেন মের্কেল।

বুধবার রাতের মধ্যে শর্তগুলো পালনের বিষয়ে গ্রিস অনুকূল সাড়া দিলে, বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিয়ে জার্মান পার্লামেন্ট অধিবেশনে বসবে। ওই অধিবেশনে মের্কেল সরকার নতুন ঋণ নিয়ে আলোচনা শুরু করতে পারবেন কিনা তা নির্ধারিত হবে।

এরপর বেইল আউট নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করতে ইউরো গ্রুপের অর্থমন্ত্রীরা শুক্রবার বা পরবর্তী সাপ্তাহিক ছুটিতে ফের মিলিত হতে পারেন।

প্রকাশিত : ১৩ জুলাই ২০১৫, ১২:২৪ পি. এম.

১৩/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: