মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৭ আশ্বিন ১৪২৪, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

চরমোনাই পীরের ভাইয়ের দাবি জামায়াত সৌদিতে তাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল

প্রকাশিত : ১৩ জুলাই ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সৌদি আরবে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের আমীর চরমোনাই পীরের ভাইয়ের গ্রেফতারের ঘটনা নিয়ে এবার মুখোমুখি অবস্থানে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন। এক মাসেরও বেশি সময় সেখানে কারাভোগের পর দেশে ফিরে চরমোনাই পীরের ভাই মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম অভিযোগ করেছেন, তথাকথিত লা মাযহাবি এবং জামায়াতের কতিপয় লোক আমাকে মেরে ফেলার চক্রান্ত করেছিল। গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে গ্রেফতার করিয়ে দীর্ঘদিন আটকে রেখেছিল। এদিকে চরমোনাই পীরের ভাইয়ের বক্তব্যকে কাল্পনিক দাবি করে জামায়াত বলেছে, এ অভিযোগ অবশ্যই চরমোনাই পীরের ভাইকে প্রমাণ করতে হবে।

গত ২৭ মে রিয়াদের একটি ইসলামি মাহফিল থেকে মুফতি ফয়জুল করীমকে আটক করে সৌদি পুলিশ। তার সঙ্গে আরও তিনজন ওই মাহফিল থেকে আটক হন। ৭ জুলাই সৌদি সরকার তাকে মুক্তি দেয়। এক মাস ১১ দিন কারাভোগের পর শনিবার দেশে ফিরেছেন চরমোনাইর পীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীমের ছোট ভাই ও ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম। সৌদি আরব থেকে বিমানে করে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঢাকা পৌঁছান তিনি। সেখানে দলের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। দেশে ফিরে বিমানবন্দরে ফয়জুল করীম বলেন, তথাকথিত লা মাযহাবি এবং জামায়াতের কতিপয় লোক আমাকে মেরে ফেলার চক্রান্ত করেছিল এবং গোয়েন্দা দিয়ে গ্রেফতার করিয়ে দীর্ঘদিন আটকে রেখেছিল। সব চক্রান্ত মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় সৌদির ধর্মমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেন এবং আমাকে রাষ্ট্রীয় মেহমানধারীসহ ওমরাহ করার ব্যবস্থা করেন। সৌদী সরকারের পক্ষ থেকে আমাকে যতদিন ইচ্ছা থাকার জন্য অনুরোধ করেন এবং আমাকে ই’তিক্বাফ করার জন্য বলেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমদ, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, আলহাজ আমিনুল ইসলাম প্রমুখ। এদিকে জামায়াতের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলায় ক্ষেপেছ যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত দলটির নেতারা। রবিবার এক বিবৃতিতে জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, জামায়াতের লোকজন তাকে গোয়েন্দা দিয়ে গ্রেফতার করিয়ে মেরে ফেলার চক্রান্ত করেছিল মর্মে ভিত্তিহীন মিথ্যা মন্তব্য দেয়া হয়েছে। তার এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে জামায়াত নেতা বলেনÑ আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে চাই, তিনি তার মন্তব্যের সত্যতা কখনও প্রমাণ করতে পারবেন না। তার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর কোনও শত্রুতা নেই। কাজেই জামায়াতের লোকেরা তাকে গ্রেফতার করাতে কিংবা মেরে ফেলার চক্রান্ত করতে যাবে কেন? অন্যের ক্ষতি করার চক্রান্তের রাজনীতিতে জামায়াত কখনও বিশ্বাস করে না বলেও দাবি জামায়াত নেতার। মজিবুর রহমান আরও দাবি করেন, ইসলামী আন্দোলনের নেতার গ্রেফতার হওয়ার ঘটনার সঙ্গে জামায়াতের কারও কোনও সম্পর্ক নেই।

প্রকাশিত : ১৩ জুলাই ২০১৫

১৩/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



শীর্ষ সংবাদ: