১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

বাগেরহাটে খালে অবৈধ বাঁধ ॥ ১৪ গ্রাম পানিবন্দী


স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট ॥ বাগেরহাটে সøুইসগেট আটকে সরকারী খাল জবরদখল করে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করায় বৃষ্টির পানি নামতে না পারায় গ্রামে পর গ্রাম জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এসব গ্রামের অধিকাংশ মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে। তাদের ঘরে পানি উঠে রান্না খাওয়া পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গেছে। বীজতলা ও সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়েছে। প্রভাবশালী কতিপয় ব্যক্তি সøুইস গেট আটকে সরকারী খালে বাঁধ ও পাটা দিয়ে মাছ চাষ করলেও এলাকাবাসী সাধারণ মানুষ টু-শব্দ করতে পারছে না। এসব এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা, ফসলহানি ও পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, বাগেরহাট সদরের কাড়াপাড়া ইউনিয়নের দেয়লবাড়ি, সিংড়াই, কাঁঠাল, কাঠি, পাটরপাড়া, রাধাবল্লভ, কাঠুয়া, গোমতি, গোবরদিয়া, ফুলতলা, বাদে-কাড়াপাড়াসহ ১২/১৪টি গ্রামের অধিকাংশ রাস্তাঘাট, বাড়িঘর, ফসলের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে আছে। ঘরে পানি উঠে যাওয়ায় এসব গ্রামের অধিকাংশ লোক রান্নাবান্না করতে পারছে না। স্থানীয় ইউপি মেম্বার শেখ ইউনুস আলী ও জাহিদুর রহমানসহ এলাকাবাসী বাবুল সেখ, কার্ত্তিক চন্দ্র, আনোয়ার হোসেন, আমিনুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সরকারী কাটাখাল, গজালিয়া খাল, জিপতলা খাল ও দেলভাসানী খাল অবৈধ দখল করে স্লুইসগেট আটকে দিয়ে মাছ চাষ করার পানি নামতে পারছে না। ফলে নজিরবিহীন জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। তাঁদের ভাষায়, ‘রান্না খাওয়া করতে পারছি না, মাছের ঘের, ফসল সব শেষ হয়ে যাচ্ছে।’ এলাকাবাসী জানান, ক্ষমতাসীন দলের নামে প্রভাবশালী কতিপয় ব্যক্তি সরকারী খালে ডবল ডবল পাটা বসিয়ে নেট জাল দিয়ে সøুুইসগেট আটকে মাছ চাষ করায় এমন দুর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে। জেলার মংলা, কচুয়া, মোল্লাহাট, চিতলমারী, মোরেলগঞ্জ ও সদর উপজেলার অধিকাংশ এলাকার অবস্থা একই।