২২ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

আমতলীতে দুর্ভোগের নাম বাইপাস সড়ক


নিজস্ব সংবাদদাতা, আমতলী (বরগুনা), ১২ জুলাই ॥ অবহেলিত উপেক্ষিত সমুদ্র উপকূলীয় বরগুনার আমতলী ও তালতলী উপজেলার সড়ক পথে যোগাযোগের বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। যুগের পর যুগ তিন লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। আমতলী-তালতলী-সোনাকাটা ৪২ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ কাজের ৩২ কিলোমিটার কাজ শেষ হয়েছে। এখন শুধু ২টি বেলী ব্রিজ ও ১০ কিলোমিটার সড়কের কাজ পুরোদমে চলছে। কিন্তু আমতলী-তালতলী সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিম আমতলীর বাইপাশ সড়ক। এ বাইপাশ সড়কটি জনগণের কাছে মরণ ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিন যানবাহন চলাচলে ঘটছে দুর্ঘটনা। পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আমতলী পৌরসভা, সদর ও আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন ও তালতলী উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের ওপর দিয়ে ৪২ কিলোমিটার সড়ক। এ সড়ক নির্মাণের দাবিতে ১৯৯০ সাল থেকে জনগণ আন্দোলন করে আসছিল। ১৯৯৫ সালে আমতলী পৌরসভা থেকে কচুপাত্রা পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হয়। কচুপাত্রা থেকে সোনাকাটা পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার রাস্তার নির্মাণ কাজ ঠিকাদার যুগের পর যুগ সলিং অবস্থায় রেখে দেয়। এতে তালতলী এলাকার লক্ষাধিক মানুষের পোহাতে হয়েছে চরম দুর্ভোগ। এ রাস্তা নির্মাণের ওপর ছিল তালতলী উপজেলার ভোটের হিসাব-নিকাশ। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২০১২ সালে দ্রুত কাজ শুরু হয়। বর্তমানের কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে। আমতলী থেকে সড়ক পথে তালতলী ও সোনাকাটা ইকোপার্ক যেতে আর কোন সমস্যা নেই। কিন্তু ২০১২ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড আমতলী উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিম আমতলীতে সøুইস গেট নির্মাণের জন্য সড়ক কেটে রেখে দেয়। ওই বছর থেকে গত তিন বছর অতিবাহিত হয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত সøুইস গেট নির্মাণ করা হয়নি। সড়কের পাশে বাইপাশ সড়ক দিকে যানবাহন চলাচল করছে। কিন্তু বাইপাশ সড়কটির কোন সংস্কার না হওয়ায় বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লোকজন ও যানবাহন চলাচল করছে। প্রতিদিন এখানে যানবাহন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। এ বাইপাশ সড়কটি এখন মানুষের মরণ ফাঁদ। এদিকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর আসন্ন। দূর-দূরন্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ গ্রামের বাড়িতে ছুটে আসবে। এতে মানুষের পড়তে হবে সীমাহীন দুর্ভোগে।