১৯ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ভারতের জনসংখ্যা ১২৭ কোটির বেশি, বৃদ্ধির হার ১.৬ শতাংশ


ভারতের জনসংখ্যা এখন ১২৭ কোটির বেশি এবং তা বছরে ১ দশমিক ৬ শতাংশ হারে বাড়ছে, যা চীনের চেয়ে বেশি। এই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সাল নাগাদ চীনকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানুষের দেশ হবে ভারত। শনিবার বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় স্বশাসিত সংস্থা হিসেবে কাজ করা জনসংখ্যা স্থিরতা কোষ বা ন্যাশনাল পপুলেশন স্টেবিলাইজেশন ফান্ড (এনপিএসএফ) এ তথ্য দিয়েছে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

এনপিএসএফ জানিয়েছে, শনিবার বিকেল ঠিক পাঁচটায় ভারতের জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৭ কোটি ৪২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৬৯, যা সারাবিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১৭ দশমিক ২৫ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান পেশ করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এনপিএসএফের এক কর্মকর্তা বলেছেন, বর্তমান হিসাব অনুযায়ী চীনের জনসংখ্যা আনুমানিক ১৩৯ কোটি। কিন্তু বছরে ১ দশমিক ৬ শতাংশ হারে বাড়তে থাকলে ২০৫০ নাগাদ চীনকে অতিক্রম করে ভারতের জনসংখ্যা দাঁড়াবে ১৬৩ কোটি। জনসংখ্যার রাশ টেনে নিয়ন্ত্রণে আনার লক্ষ্য পূরণে সরকারী পরিকল্পনা রূপায়নে স্বেচ্ছা সেবী সংস্থাগুলোকে শামিল করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা। এনপিএসএফ বলেছে, ভারতে প্রজনন (সন্তান জন্ম) হার অর্থাৎ টিএফআরের হার নিম্নগামী হয়েছে। ২০১৩ সালের হিসেবে তা দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৩-এ। যদিও এ প্রবণতায় ধারাবাহিকতা নেই। ওই কর্মকর্তা বলেছেন, কোন বয়সে বিয়ে হচ্ছে, সেটা বড় প্রভাব ফেলে সন্তান জন্ম দেয়ার হারে। যে দেশে বিয়ের বয়স বেশি, সেখানে সাধারণত দেখা যায় সন্তান জন্ম দেয়ার হার কম। কেননা বেশিরভাগ মহিলা বেশি বয়সে মা হওয়ার ঝুঁকি নিতে চান না।