মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১১ আশ্বিন ১৪২৪, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

ময়মনসিংহে আট আসামির তিন দিন করে রিমান্ড

প্রকাশিত : ১৩ জুলাই ২০১৫
  • যাকাত ট্র্যাজেডি

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ ॥ যাকাত-ট্রাজেডির ঘটনায় গ্রেফতার আট আসামির প্রত্যেককে ৩ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে রবিবার দুপুরে আসামিদের আদালতে হাজির করে। এ সময় ময়মনসিংহের ১ নম্বর আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহসান হাবীব রিমান্ডের ওপর শুনানি শেষে তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আগামী ১০ দিনের মধ্যে পুলিশকে সতর্কতার সঙ্গে আসামিদের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের নির্র্দেশ দিয়েছে। একই সময়ে আদালত আসামিদের জামিন আবেদনও নাকচ করে দেয়। আসামিদের রিমান্ড শুনানির সময় আদালতের সামনে নূরানী জর্দা ফ্যাক্টরির কর্মচারীসহ পাটগুদাম বিহারী কলোনির শতাধিক নারী যাকাতদাতা শামীম হোসেনের মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেয়। আদালতপাড়া থেকে এ সব নারী পরে মিছিলসহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করে শামীম হোসেনের মুক্তি দাবি করে।

এর আগে রবিবার সকালে ধর্মমন্ত্রী ও ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ অধ্যক্ষ মতিউর রহমান শহরের ধোপাখলা মোড়ের ও আকুয়া মোড়লপাড়া এলাকার যাকাত ট্র্যাজেডির শিকার কয়েকটি পরিবারের স্বজনদের খোঁজখবর নিতে যান এবং তাদের সমবেদনা জানান। পরে দুপুরের দিকে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় যাকাত ট্র্যাজেডির শিকার ২৭ জনের প্রত্যেকের জন্য নগদ ১০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা তাদের স্বজনদের হাতে তুলে দেন। এ সময় ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মুস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকী, পুলিশ সুপার মঈনুল হকসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আর্থিক সহায়তাকালে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য মন্ত্রণালয় থেকে উদ্যোগ নেয়া হবে।

এদিকে, শুক্রবারের যাকাত ট্রাজেডির ঘটনায় ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মল্লিকা খাতুন জনকণ্ঠকে জানান, কমিটির সদস্যরা ঘটনাস্থলসহ নিহতদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার সময় রয়েছে। অপরদিকে যাকাত ট্রাজেডির ঘটনায় কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে শহরের ২ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির টিএসআই সাইদুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও সেদিন কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের সংশ্লিষ্ট টহল পুলিশের (মোবাইল পার্টি) বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

গত ১০ জুলাই ভোরে শহরের অতুল চক্রবর্তী রোডের নূরানী জর্দা ফ্যাক্টরির মালিক শামীম হোসেনের বাসা থেকে যাকাতের কাপড় আনতে গিয়ে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ হারায় নারী ও শিশুসহ ২৭ জন। এ ব্যাপারে কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই রফিকুল বাদী হয়ে শামীম হোসেন, তার পুত্র হেদায়েত ও জর্দা ফ্যাক্টরির ম্যানেজার কর্মীসহ আটক আট জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করে। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মুশফিকুর জানান, অজ্ঞাত আসামিদের শনাক্তসহ মামলার তদন্তের স্বার্থে আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।

প্রকাশিত : ১৩ জুলাই ২০১৫

১৩/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



শীর্ষ সংবাদ:
রোহিঙ্গা সমস্যার সৃষ্টি মিয়ানমারের ॥ সমাধান ওদের হাতে || বাবার ফেরার অপেক্ষায় পিতৃহারা অবোধ রোহিঙ্গা শিশুরা || বছরে রফতানি আয় বাড়ছে ৩ থেকে ৪ বিলিয়ন ডলার || চালের বাজারে স্বস্তি প্রতিদিন দাম কমছে || বিদ্যুতের পাইকারি দর ১১.৭৮ ভাগ বৃদ্ধির সুপারিশ || মিয়ানমারে গণহত্যা বন্ধ নির্ভর করছে নিরাপত্তা পরিষদের ওপর || রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্বাস্থ্য সেবায় ২৫ কোটি ডলার চেয়েছে বাংলাদেশ || আরও মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক || অপকৌশলে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা, বিপুল অর্থ আদায় || জেলে মাদক ও মোবাইল ফোন ব্যবহার ॥ সারাদেশে দুই শতাধিক কারারক্ষী গোয়েন্দা নজরদারিতে ||