মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৫ আশ্বিন ১৪২৪, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

খালেদা-তারেক এখন বিএনপির বোঝা

প্রকাশিত : ১১ জুলাই ২০১৫
  • মুহম্মদ শফিকুর রহমান

পেট্রোল বোমাবাজি করে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করে (প্রায় দেড়শ’) দেশের নাগরিকদের কাছে তো হিংস্রতার প্রতীক হয়েছেনই, নিজ দল বিএনপির নেতা-কর্মীদের কাছেও মা-বেটা ক্রমশ বোঝা হয়ে উঠছেন। যুদ্ধাপরাধী জামায়াত-শিবির তো আগে থেকেই বিএনপির বিষফোঁড়া হয়ে আছে। দলের মধ্য থেকেই আজ এসব আওয়াজ উঠছে। খালেদা-তারেককে দিয়ে হবে না প্রবীণ নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মাহবুবুর রহমান এবং ড. মঈন খানের মুখ থেকেই এসব কথা বেরুচ্ছে।

এখন বাইরের প্রভুরাও মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছেন। গণমাধ্যমে দেখলাম খালেদা জিয়া এ রমজানে ওমরাহ হজ পালন করতে যাচ্ছেন না। কেন যাচ্ছেন না নানান গুজব ডাল-পালা গজাতে শুরু করেছে। দলের পক্ষ হতে সংবাদপত্রকে বলা হয়েছে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কারাবন্দীজনিত কারণে তিনি যাচ্ছেন না। আসলে কি তাই? গণমাধ্যম ফাঁস করে দিয়েছে কারণটি ভিসাজনিত। প্রথমত. খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী মোসাদ্দেক আলী ফালু এবং ব্যক্তিগত স্টাফদের কয়েকজনকে সৌদি দূতাবাস ভিসা দেয়নি; দ্বিতীয়ত. বর্তমানে লন্ডনে আশ্রিত তারেক রহমানকেও ভিসা দেয়া হয়নি। কথা উঠেছে তারেক রহমানই যদি সৌদি আরবে আসতে না পারবেন তবে খালেদা জিয়ার যাবারও প্রয়োজন নেই। কেননা ওমরাহ পালনের সুযোগে মা-বেটা আবার নতুন করে আন্দোলনের নামে কোন্্ ডিভাইস ব্যবহার করবেন সে ব্যাপারে তো কোন আলোচনার সুযোগ পাবেন না। কাজেই গিয়ে কি লাভ? তাহলে চট্টগ্রামের মীর নাছিরের ভাষায় (গণমাধ্যম প্রকাশিত) ‘সৌদি রাজ পরিবার জিয়ার আত্মার আত্মীয়’ কথাটাই ভুয়া। মনে হয় সেই আত্মীয়তাও সৌদি রাজ পরিবার ফেরত নিয়ে গেছে। অবশ্য সৌদি আরবকে বুঝতে তিন দশকেরও বেশি সময় লাগল। মিলিটারি জিয়া ক্যুর মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে প্রথমেই বিশ্ববাসীকে একটা মেসেজ দিয়েছিলেন যে, তিনি বাংলাদেশে ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করবেন, যে কারণে তিনি সংবিধানকেও অনেক কাটাছেঁড়া করলেন। তখন বাস্তব অবস্থা ছিল পবিত্র ইসলামের নামে বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মোহান্ধ করে স্বৈরাচারী শাসন চালানো এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকা প্রলম্বিত করা। যে কারণে জিয়া কেবল যে বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন তা নয়, তার বিরুদ্ধে মিলিটারি ক্যুর অজুহাতে মুক্তিযুদ্ধে এক পা হারানো কর্নেল তাহেরসহ শত শত সেনা কর্মকর্তা ও সিপাইকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিলেন। জিয়ার পর খালেদা ও পুত্র তারেক যুদ্ধাপরাধী জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে, তাদের দিয়ে দেশব্যাপী নাশকতা চালিয়ে ভেবেছিলেন ক্ষমতার সোনার হরিণ লাফ দিয়ে কোলে এসে বসবে। কিন্তু না, সোনার হরিণটি কোলে এসে ঝাঁপিয়ে পড়েনি, বরং প্রাণ বাঁচাতে অন্যত্র নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছে আর কেয়া বনের ফাঁক দিয়ে আতঙ্কিত চোখে তাকিয়ে দেখছে খালেদা-তারেক বাহিনীর কেউ ধারে-কাছে আছে কিনা? পেট্রোলবোমাকে কে না ভয় পায়?

সৌদি আরব কেনইবা মিথ্যাবাদীদের সম্মান দেবে? মাহমুদুর রহমানের মতো এক অর্বাচীন সম্পাদক দিয়ে পত্রিকার পাতায় ছেপে বলা হলো পবিত্র বায়তুল্লাহ শরিফের খতিবগণ ব্যানার হাতে যুদ্ধাপরাধী এবং আমৃত্যু কারাভোগের সাজাপ্রাপ্ত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করছেন। পবিত্র কাবা শরিফকে নিয়ে এমন ন্যক্কারজনক মিথ্যাচার খালেদা-তারেক আর জামায়াত-শিবিরই করতে পারে। বস্তুত বিষয়টি ছিল কাবাঘরের গিলাফ পরিবর্তনের দৃশ্য। তাকেই এভাবে বিকৃত করে ছেপে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চেয়েছিল। জামায়াতের দ্বিতীয় নেতা সাঈদীকে নিয়ে আরও একটি ঘৃণিত কাজ খালেদা-তারেকের অত্যন্ত কাছের মানুষ মাহমুদুর রহমান করেছেন, চাঁদের ছবির মাঝখানে সাঈদীর কল্লার ছবি সুপার-ইমপোজ করে ছেপে বলা হলো, সাঈদীকে চাঁদে দেখা যাচ্ছে। এ ছবির কারণে বগুড়ায় রীতিমতো দাঙ্গা হয়ে গিয়েছিল এবং দাঙ্গায় পুলিশসহ কয়েকজন হতাহত হয়। এসব খবর খালেদা জিয়ার আত্মার আত্মীয় সৌদি আরব যেমন জানে তেমনি পাকিস্তানও কম অবগত নয়।

পবিত্র রমজান মাসে খালেদা জিয়া যে মিথ্যা কথাগুলো বলছেন, তার মধ্যে একটি হলো ২০১৩ সালের ৯ মাস, অর্থাৎ ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে অংশ না নিয়ে উপরন্তু নির্বাচন ঠেকাতে যে নাশকতা চালিয়েছিলেন এবং ঐ নির্বাচনের বর্ষপূর্তিতে এ বছরের জানুয়ারি-মার্চ ৯২ দিনে পেট্রোলবোমা বাহিনী মাঠে নামিয়ে বাসে-ট্রাকে-অটোরিকশায়-ট্রেনে-লঞ্চে পেট্রোলবোমা মেরে শত শত মানুষ জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে হতাহত করে, হাজারের মতো যানবাহন পুড়িয়ে ছাই করে, এমনকি গরুবাহী ট্রাকেও পেট্রোলবোমা মেরে নিরীহ পশুকে পুড়িয়ে হত্যা করে। এখন বেগম খালেদা জিয়া বলছেন, ঐ সব পেট্রোলবোমা নাকি মেরেছে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। হে আল্লাহ, পবিত্র রমজান মাসেও মানুষ এমন মিথ্যা বলতে পারে? তা-ও আবার ইফতার মাহফিলে বসে। কে না দেখেছে সেই পুলিশ সদস্যকে রাস্তায় যার রাইফেল ছিনিয়ে নিয়ে এবং হেলমেট কেড়ে নিয়ে রাইফেল হেলমেট দিয়ে তাকেই আঘাত করতে? একটি টিভি চ্যানেল তো তা মুভির মতো সম্প্রচার করেছে। সে সময় এমন কথাও বাজারে ছিল (একেবারে অমূলক নয়) যে, তারা পেট্রোলবোমা মারা বা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাবার আগে কিছু বশংবদ ক্যামেরাম্যানকে আগেই জানিয়ে রাখত কখন কোন্্ স্থানে নাশকতা শুরু করবে। ক্যামেরাম্যান যথাসময়ে সেখানে উপস্থিত থাকত এবং এ্যাকশনের ছবি তুলে তা নিজ নিজ চ্যানেলে প্রচার করত, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সন্ত্রাসীদের চেহারা আড়াল করে। কিন্তু সব চেহারা কি আড়াল করা যায়? চেহারার পেছনের চেহারাও একদিন প্রকাশ্যে এসে যায়, এটাই জগতের নিয়ম, একদিন পর বা তারও পর।

কেন বলছেন ভদ্রমহিলা এসব মিথ্যে? বলছেন এ জন্যে যে, তিনি যে ডাল ধরছেন তাই ভেঙ্গে পড়ছে। বাড়ি ছেড়ে গুলশান কার্যালয়ে গিয়ে উঠে বললেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে যেদিন সরাসরি তেজগাঁও প্রধানমন্ত্রীর আসনে বা বঙ্গভবনে মহামান্য প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসার বন্দোবস্ত হবে। সেদিনই কেবল গুলশান কার্যালয় ছাড়বেন। কিন্তু তার পেট্রোলবোমা বাহিনী না পারল প্রধানমন্ত্রীর আসন নিশ্চিত করতে, না পারল বঙ্গভবনের ফটক উন্মোচন করতে। এ অবস্থায় তার করার কিইবা ছিল। ফেরত গেলেন বাসায়। মির্জা ফখরুলকে পাঠালেন প্রেসক্লাবে আসন গাড়তে। ক্লাব সদস্যরা তা হতে দিল না। সসম্মানে তাকে ফেরত পাঠাল। শুধু তাই নয়, দুই দশকেরও অধিককাল ধরে তার পেটোয়াবাহিনী প্রেসক্লাব দখল করে রেখেছিল এবং কেবল দখল নয়, স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় প্রেসক্লাবকে যুদ্ধাপরাধী জামায়াত-জঙ্গীদের আখড়া বানিয়ে রেখেছিল, সচেতন সদস্যগণ তা থেকেও প্রেসক্লাবকে মুক্ত করলেন। খালেদা জিয়া নিজেই নিজের মধ্যে আবদ্ধ হয়ে গেলেন। কথিত আছে হিটলারের প্রচার সহযোগী গোয়েবলসের চিন্তা ছিল একটা মিথ্যাকে বারবার বললে তা সত্য হয়ে যায়। কিন্তু সে ছিল দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের কাল। বেকুবগুলো জানে না। যুদ্ধ শেষ হয়েছে প্রায় ৭০ বছর। তখন ইউরোপের দেশে দেশে শিক্ষিতের হার ছিল অনেক কম। তারপরও গোয়েবলসের থিওরি কাজে লাগেনি। আজকের মতো সেদিন শিক্ষার হার বা নাগরিক সচেতনতা অতটা ছিল না। মানুষও অত জ্ঞানসম্পন্ন ছিল না। আজ পরিস্থিতি পাল্টেছে, শিক্ষার হার অনেক বেড়েছে, নাগরিক সচেতনতা আরও বেশি বেড়েছে। ৭০ বছর পর খালেদা জিয়া হিটলারি চাল চালতে চান। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ হিটলারীয় যুগে নেই, বাংলাদেশে এখন শিক্ষার হার বিশ্বমানের। মানুষও সমাজসচেতন, রাজনীতিসচেতন। এখন আর মিথ্যে বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। এসব কিন্তু খালেদা জিয়া জানেন না, বোঝেনও না। অবশ্য তার জানারও কথা নয়, বোঝারও কথা নয়। সে কারণে একবার সেনাবাহিনীকে উস্কানি দিয়ে ব্যর্থ হন, এবার পুলিশ বাহিনীকে উস্কানি দিয়েও ব্যর্থ হবেন। সেনাবাহিনী কিংবা পুলিশ বাহিনী কিংবা জনগণ আজ অনেক বেশি শিক্ষিত, অনেক বেশি সচেতন। সবাই তাকে এবং তার ছেলেকে চিনতে পেরেছে।

তারই কিছু আলামত আমরা দেখলাম প্রতিবেশী ভারতের সাধারণ নির্বাচনের সময়। আগে থেকেই বোঝা যাচ্ছিল গুজরাট মডেল নিয়ে যেভাবে শ্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদি ভারত কাঁপিয়ে তুলছিলেন, ক্ষমতায় যে যাচ্ছেন তা নিশ্চিত, অতএব এ সুযোগ ছাড়া যায় না। হঠাৎ বলে উঠলেন- ‘বিএনপি কখনো ভারতবিরোধী ছিল না, আজও নয়, ভবিষ্যতেও কোনদিন হবে না।’ প্রিজারভেটিভ দিয়ে ফুলের মালা সংরক্ষণ করে প্রতিনিধি পাঠালেন দিল্লীতে। দিল্লীর ইন্ডিয়া গেট থেকে শুরু করে সাউথ ব্লক সর্বত্র দৌড়াদৌড়ি করলেন, মোদি সাহেব এলেন-গেলেন, একবারও ফিরে তাকালেন না, ভাঙ্গা মন নিয়ে দিল্লীর রাস্তার পাশে নর্দমায় ফুলের মালা ফেলে দিয়ে দেশে ফিরলেন। বরং মোদি সাহেব সবাইকে অবাক করে দিয়ে প্রথমে ভারতের পার্লামেন্টের উভয় হাউসে ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা সীমান্ত চুক্তির অনুমোদন করালেন, তাও সর্বসম্মতভাবে। এরপর আরও অবাক করে দিয়ে বাংলাদেশে এসে মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির বাস্তবায়ন তথা বাংলাদেশ-ভারত স্থলসীমানা নির্ধারণের সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গেলেন। শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় অতিথি হয়ে এলেন, ধানম-ি ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধু ভবনে গেলেন, জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তবেই ভারত ফিরে গেলেন।

সর্বশেষ সৌদি আরবও মুখ ফিরিয়ে নিল। সাংবাদিক মিজানুর রহমান খান ‘উইকিলিকসের সৌদি গোপন নথি’ প্রকাশ করে (প্রথম আলো, ৪ জুলাই ২০১৫) যেসব তথ্য তুলে ধরলেন তাতে করে চট্টগ্রামের মীর নাছিরের ‘জিয়াউর রহমানের সঙ্গে সৌদি রাজ পরিবারের আত্মার আত্মীয়তা ছিল এবং তার ধারাবাহিকতা আজও অটুট আছে’Ñ এই কথাও ঢাহা মিথ্যে প্রমাণিত হলো। সৌদি আরব এবং বাংলাদেশের মধ্যকার কূটনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের যে ধারণা এতদিন বাংলাদেশের মানুষকে জানানো হয়েছিল বা মানুষ জেনেছিল, উইকিলিকসের উদ্ঘাটিত সৌদি নথি তা পরিষ্কার করে দিল। যেমন-

এক. সৌদি নথিতে দেখা যাচ্ছে খালেদা জিয়ার সবচে’ বিশ্বস্ত এবং নাশকতার সহযোগী জামায়াত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধে বাংলাদেশ সরকারকে চাপ দেয়ার জন্য সৌদি সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছিল সৌদি সরকার তাতে কান দেয়নি।

দুই. খালেদা জিয়া তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর (মৃত) চিকিৎসার জন্য কিং ফয়সল হাসপাতালে (সৌদি খরচে) পাঠাতে চেয়েছিলেন। অনুরোধ জানিয়ে চিঠিও দিয়েছিলেন। তাতেও সৌদি সরকার সাড়া দেয়নি। বরং বলেছে (প্রথম আলো) আর্থিক দুর্নীতির দায়ে কারাদ-প্রাপ্ত আরাফাত থাইল্যান্ডের ব্যাঙ্ককে চিকিৎসাধীন আছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তার রোগের চিকিৎসা সৌদি আরবে যেমন আছে, তেমনি ব্যাঙ্ককেও রয়েছে।

খালেদা জিয়ার ভাবমূর্তি এখন কোন্্ পর্যায়ে রয়েছে তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে? মিজানুর রহমান খান বাংলাদেশের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য তুলে ধরলেন যে, ‘সৌদি আরবের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের বিষয়ে সাধারণভাবে যে ধারণা প্রচলিত, তার সঙ্গে বাস্তবতার যে পার্থক্য, সেটাই এবার উন্মোচিত হলো।’

ঢাকা ॥ ১০ জুলাই ২০১৫

লেখক : সভাপতি, জাতীয় প্রেসক্লাব

প্রকাশিত : ১১ জুলাই ২০১৫

১১/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: