১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

আইএমএফ দরিদ্র দেশগুলোকে ঋণদান ৫০ শতাংশ বাড়াচ্ছে


আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলোকে ঋণদানের পরিমাণ ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করছে। এটি বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে তাদের বৈশ্বিক উন্নয়ন সংক্রান্ত উচ্চাভিলাষী কর্মসূচীতে সহায়তা করার লক্ষ্যে সংস্কার কর্মকা-কে ঢেলে সাজানোর অংশ।

বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধির মন্থর গতি এবং বিদেশী সাহায্যনির্ভর বাজেট সংকুচিত হয়ে পড়ার সময় উন্নয়ন কাজে কিভাবে অর্থসংস্থান করা যায় সে ব্যাপারে আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠেয় একটি সম্মেলনের আগে আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টিন ল্যাগার্ড সংস্থার এই রূপান্তর সাধনের কথা ঘোষণা করেন। বুধবার ওয়াশিংটনের ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনে ভাষণদানকালে ল্যাগার্ড বলেন, চলতিবছর বৈশ্বিক উন্নয়ন ক্ষেত্রে এক প্রজন্মের মধ্যে বিরল সুযোগ নিয়ে এসেছে। খবর ইয়াহু নিউজ ও চায়না ডেইলির।

জাতিসংঘের সাহসী কর্মকূচী বাস্তবায়নের জন্য আনুমানিক ২ লক্ষ কোটি থেকে ৩ লক্ষ কোটি ডলারের নতুন বিনিয়োগের প্রয়োজন পড়বে, যা সেপ্টেম্বরে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের অনুমোদন করার কথা। এই কর্মসূচীর অধীনে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের অবসান থেকে শুরু করে লিঙ্গ সমতা অর্জন এবং ২০৩০ সালনাগাদ বিশ্বের শহরগুলোকে বসবাসের উপযুক্ত ও নিরাপদ রাখা সংক্রান্ত ১৭টি টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য প্রণয়ন করা হয়েছে। এসব লক্ষ্য এবং সেই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়, যা বছরের শেষনাগাদ বিতর্কের জন্য উত্থাপিত হবে-উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসবে। আইএমএফ প্রাথমিকভাবে জরুরী ঋণদাতা সংস্থা হওয়ায় ল্যাগার্ড নিম্ন আয়ের দেশগুলোর দ্রুততর এবং আরও ন্যায়সঙ্গত অর্থনৈতিক উন্নয়নের নীতি অনুসরণের পাশাপাশি তাদের সহায়তা করতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ তুলে ধরেন। সংস্থা তার নিম্ন সুদ এবং বিনাসুদের ঋণের ক্ষেত্রে ঋণগ্রহণের সীমা বৃদ্ধি করেছে। এখন ৭৩টি দরিদ্র দেশ তাদের আইএমএফ কোটার ৩০০ শতাংশ থেকে ৪৫০ শতাংশ গ-ী ঋণ গ্রহণের যোগ্য বলে বিবেচিত হবে। এছাড়া আইএমএফ প্রাকৃতিক দুর্যোগে আক্রান্ত দেশগুলোকে শূন্য সুদের ঋণ। পরিশোধের মেয়াদ দীর্ঘায়িত করেছে। ল্যাগার্ড বলেন, বিগত ১৫ বছরে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাজার ব্যবস্থার সমৃদ্ধি ঘটেছে। অনেক উন্নয়নশীল দেশ বিশ্ব অর্থনীতিতে আরও সংহত হয়েছে। ‘এর ফলে প্রবৃদ্ধি, বাণিজ্য ও পুঁজি এবারের দ্রুত বিস্তার ঘটেছে।’

তিনি উল্লেখ করেন খারাপ খবরটি হলো প্রবৃদ্ধির সুফল ন্যায়সঙ্গতভাবে বণ্টন করা হয়নি। দরিদ্র উন্নয়নশীল দেশগুলো লড়াই এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে অতিমাত্রায় আক্রান্ত। ল্যাগার্ড বলেন, গত ১৫ বছরে যেসব উন্নয়নশীল দেশ সেরা সাফল্য দেখিয়েছে তারা সাধারণত নিজেদের উন্নয়নের দায়িত্ব বৃহত্তম আকারে নিজেরাই গ্রহণ করেছে।