মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৫ আশ্বিন ১৪২৪, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

মন্ত্রিসভায় নতুন আতঙ্ক ॥ মন্ত্রণালয় হারালেন আশরাফ

প্রকাশিত : ১০ জুলাই ২০১৫
মন্ত্রিসভায় নতুন আতঙ্ক ॥ মন্ত্রণালয় হারালেন আশরাফ
  • গুঞ্জনই শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো
  • এলজিআরডির অতিরিক্ত দায়িত্বে খন্দকার মোশাররফ
  • আসন্ন কাউন্সিলে দলের পদও হারাতে পারেন সৈয়দ আশরাফ
  • গুঞ্জনই শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো
  • এলজিআরডির দায়িত্ব পেলেন খন্দকার মোশাররফ
  • আসন্ন কাউন্সিলে দলের পদও হারাতে পারেন সৈয়দ আশরাফ

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ অবশেষে গুঞ্জনই সত্য হলো! ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগে ‘ডুমুরের ফুল’ বলে খ্যাত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে বাদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরিচ্ছন্ন ইমেজ, বিশ্বস্ততা আর সততার প্রশ্নে সৈয়দ আশরাফের ঘোরতর শত্রুরাও কোন অভিযোগ তুলতে না পারলেও দল, সরকার, মন্ত্রিত্বের গুরুদায়িত্ব পালনে অবহেলার পাহাড়সম অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। বছরের পর বছর চেষ্টা করেও সরকারী কাজে সক্রিয় করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত বিশ্বস্ত সৈয়দ আশরাফকে দফতরছাড়াই করলেন প্রধানমন্ত্রী। সৈয়দ আশরাফের গাড়ি থেকে ফ্লাগ কেড়ে না নিলেও এখন উনি শুধুই দফতরবিহীন মন্ত্রী। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

শাসক দল আওয়ামী লীগে গুঞ্জন উঠেছে, আওয়ামী লীগের আগামী কেন্দ্রীয় ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদকের পদও হারাতে যাচ্ছেন দেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের পুত্র সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। আর শুধু সৈয়দ আশরাফই নন, বর্তমান মন্ত্রিসভার আরও কয়েকজন সদস্যের কর্মকা-েও ভীষণ ক্ষুব্ধ দলের হাইকমান্ড। সেক্ষেত্রে ঈদের আগে কিংবা পর পরই বর্তমান মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে নানা কারণে আলোচনা-সমালোচনার শীর্ষে থাকা দু-একজনের মন্ত্রিত্ব চলে যেতে পারে, পক্ষান্তরে দু’জন সিনিয়র নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত এবং ২-৩ জনকে প্রতিমন্ত্রী করা হচ্ছে। দলটির প্রান্ত থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত এ নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে। তবে এ গুঞ্জনের সত্যতা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করা হলে আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতাই শুধু বলেন, প্রধানমন্ত্রী যা চাইবেন, তা-ই হবে।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, অব্যাহতির ঘোষণার আগে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যান এবং সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দীর্ঘ সময় একান্তে কথা বলেন। বৈঠকের ব্যাপারে সাংবাদিকদের কাছে মুখ খোলেননি সৈয়দ আশরাফ। বৈঠক শেষে সৈয়দ আশরাফ চলে যাওয়ার পর বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাঁকে এলজিআরডি মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দফতরবিহীন মন্ত্রী করার সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানানো হয়।

পরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব সাংবাদিকদের জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন এখন থেকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। এলজিআরডি মন্ত্রণালয় থেকে অব্যাহতি দেয়া হলেও মন্ত্রী থাকছেন সৈয়দ আশরাফ। তবে তাঁর কোন দফতর থাকছে না। এ বিষয়ে বার বার যোগাযোগ করা হলেও সৈয়দ আশরাফের সঙ্গে কথা বলা বা তাঁর প্রতিক্রিয়া জানা সম্ভব হয়নি।

দীর্ঘদিন ধরে নানা কারণেই এলজিআরডিমন্ত্রীর ওপর অসন্তুষ্ট, কিছুটা ক্ষুব্ধও ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মন্ত্রণালয়ে নিয়মিত না যাওয়ার বদঅভ্যাস, মন্ত্রিসভার বৈঠকে যেতে অনাগ্রহ, দলীয় কর্মকা-ে গরহাজির এবং দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কার্যত যোগাযাগ না রাখা ইত্যাদি বিষয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় জমে উঠেছিল। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার একনেকের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁর এবং প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙার অনুপস্থিতিতে ভীষণ ক্ষুব্ধ হন প্রধানমন্ত্রী। আর ওই সময়ই সৈয়দ আশরাফের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায়।

একনেকের বৈঠকের ওই আলোচ্যসূচীতে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের ছয় হাজার ৭৬ কোটি টাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ছিল। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর অনুপস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রকল্পটি নিয়ে আলোচনা স্থগিত করতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী তাতে সম্মত হননি। সূত্র জানায়, উনি (আশরাফ) মিটিংয়ে তেমন আসেন না। প্রকল্পটি নিয়ে আলোচনা হোক, প্রয়োজনে কাজের সুবিধার্থে মন্ত্রী ‘চেঞ্জ’ করব। তবে এ বৈঠকে প্রকল্প অনুমোদন হবেই।

একনেকের বৈঠকের এসব কথা দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে তখনই গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে সৈয়দ আশরাফকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। সৈয়দ আশরাফের মন্ত্রিত্ব আছে কি নেই- এ নিয়ে সারাদেশেই আলোচনার ঝড় ওঠে। এমনকি খোদ শাসক দলেরই অনেক বড় নেতা আরেক নেতাকে ফোন করে ঘটনার সত্যতা জানার চেষ্টা করেছেন। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব তখন জানান, সৈয়দ আশরাফকে অব্যাহতি দেয়ার মতো কোন ঘটনা তাঁর জানা নেই। এরপর তাঁর নির্বাচনী এলাকায় সফরে থাকা সৈয়দ আশরাফও সাংবাদিকদের জানিয়ে দেন, গুজবে কান দেবেন না। তবে দু’দিন না যেতেই সেই গুঞ্জনই সত্য হলো। বর্তমান সরকারের মেয়াদে সৈয়দ আশরাফই প্রথম মন্ত্রণালয় হারিয়ে দফতরবিহীন মন্ত্রী হলেন।

তবে দলের একাধিক সূত্রে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সৈয়দ আশরাফকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেয়ার আগে তাঁর সঙ্গে দু’দফা একান্তে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একনেকের বৈঠকের পরদিন প্রধানমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফকে ফোনে সংসদ ভবনে ডেকে পাঠিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। বৃহস্পতিবারও তিনি দীর্ঘ সময় কথা বলেন একান্ত বিশ্বস্ত সৈয়দ আশরাফের সঙ্গে। দলের দু’জন সিনিয়র নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা শুনেছি শারীরিক অসুস্থতাসহ কিছু কারণ দেখিয়ে সৈয়দ আশরাফ নিজেই মন্ত্রিসভায় না থাকতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়েছেন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে খোঁজ নিয়েও সত্যতা সম্পর্কে শতভাগ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তবে হঠাৎ করেই প্রধানমন্ত্রী এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নেননি, এমন কথা এখন দলের সব পর্যায়ের নেতাদের মুখে মুখে। তবে সৈয়দ আশরাফকে হটিয়ে দেয়ার বিষয়ে আওয়ামী লীগে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ-ই মুখ খুলতে রাজি হননি। দলের একপক্ষের নেতাদের এন্তার অভিযোগ সৈয়দ আশরাফের বিরুদ্ধে।

এ পক্ষের অভিযোগ, সৈয়দ আশরাফ দীর্ঘ সাত বছর ধরে দলের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকারের মন্ত্রী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকলেও নেতাকর্মীদের কাছে তিনি অনেকটাই ডুমুরের ফুল। উনি (আশরাফ) কাউকেই পাত্তা দেন না। এমনকি অনেক সময় প্রধানমন্ত্রীর ফোনও রিসিভ করেন না। বর্তমান সরকারের গত দেড় বছরে হাতেগোনা কয়েক দিন অফিস করেছেন। সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন কালেভদ্রে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হলেও পারতপক্ষে দলীয় কার্যালয়মুখো হন না। তৃণমূল তো দূরের কথা, কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতাদের সঙ্গেও সৈয়দ আশরাফের যোগাযোগ নেই বললেই চলে। নির্বাচনী এলাকাতেও খুব কম যান প্রচারবিমুখ এই নেতা। এসব নেতার মতে, দেরিতে হলেও প্রধানমন্ত্রী সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন। আশা করি, দলের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকেও তাঁকে সরিয়ে কোন যোগ্য নেতাকে ওই পদে বসাবেন দলীয় সভানেত্রী।

তবে ভিন্নমতও রয়েছে দলের আরেকটি পক্ষের। এ পক্ষের নেতারাও সৈয়দ আশরাফের লুকিয়ে থাকার প্রবণতার সমালোচনা করলেও তাঁর বিশ্বস্ততা, সততা ও কর্মদক্ষতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। মন্ত্রিসভার দু’জন সিনিয়র সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনকণ্ঠকে বলেন, সৈয়দ আশরাফ প্রায় সাত বছর ধরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। এ সময় অনেক মন্ত্রীর বিরুদ্ধেই নানা অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু সৈয়দ আশরাফের বিষয়ে কোন অভিযোগ নেই। দলীয় পদ কিংবা মন্ত্রিত্বের কোন লোভই সৈয়দ আশরাফের কোনকালেই ছিল না। তবে স্বাভাবিকভাবেই আওয়ামী লীগের মতো একটি বড় দলে সৈয়দ আশরাফের প্রতিদ্বন্দ্বী আছে। তাঁরাও সৈয়দ আশরাফের বিরুদ্ধে কখনও কখনও বিশেষ ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। বর্তমানে তাঁর মতো পরিচ্ছন্ন ইমেজের মন্ত্রীই দরকার। আর আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে সৈয়দ আশরাফের ভূমিকা দলে থাকা শত্রুরাও অস্বীকার করতে পারবে না।

এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তাও মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফের অনুপস্থিতির কারণে সামগ্রিক কর্মকা-ে বিঘœ ঘটার কথা স্বীকার করেন। মন্ত্রণালয়ে না আসায় বেইলী রোডের সরকারী বাসায় গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল অনুমোদন করে নেয়ার কথা জানিয়ে এক কর্মকর্তা স্বীকার করেন, সৈয়দ আশরাফ নিয়মিত মন্ত্রণালয়ে উপস্থিত থাকেন না- এটা সত্য। কিন্তু তিনি যেদিন উপস্থিত থাকেন সেদিন অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। অন্য মন্ত্রীরা সিদ্ধান্ত নিতে দিনের পর দিন ব্যয় করলেও সৈয়দ আশরাফ সিদ্ধান্ত দেন মুহূর্তের মধ্যে। এটাও তাঁর একটা বড় গুণ।

গত সাত বছর ধরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সামলে আসা ৬৩ বছর বয়সী সৈয়দ আশরাফ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদে রয়েছেন প্রায় একই সময়কাল। ২০০৭ সালে জরুরী অবস্থা জারির পর শেখ হাসিনাসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের বন্দী হওয়ার প্রেক্ষাপটে দলে সাধারণ সম্পাদকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের ভার আসে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহকর্মী সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছেলে সৈয়দ আশরাফের ওপর। তখন বিরূপ পরিস্থিতিতে সৈয়দ আশরাফের সফলতার মধ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল পরে মুক্তি পেলেও আর দায়িত্বে ফিরতে পারেননি।

পরে ২০০৯ সালে কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন সৈয়দ আশরাফ। ২০১৪ সালে শেখ হাসিনা পুনরায় সরকার গঠন করলে দলের সাধারণ সম্পাদককে একই মন্ত্রণালয় দেন। ’৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের পর জেলখানায় সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ জাতীয় চার নেতাকে হত্যার পর লন্ডনে চলে যান সৈয়দ আশরাফ। সেখানে আওয়ামী লীগকে সক্রিয় করেন তিনি। ১৯৯৬ সালে দেশে ফিরে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনার ওই সরকারে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হন আশরাফ। ১৯৯৬ সাল থেকে প্রতিটি সংসদ নির্বাচনেই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আসছেন তিনি।

এদিকে, সৈয়দ আশরাফের স্থলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এই মন্ত্রণালয়েই অতীতে চাকরির পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই মন্ত্রণালয়ের অধীন রুরাল ওয়ার্কার্স প্রোগ্রামের প্রথম প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার মোশাররফ হোসেন এলজিইডি বিভাগ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছিলেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেও তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

প্রকাশিত : ১০ জুলাই ২০১৫

১০/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: