১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

মায়ার বিরুদ্ধে রিট আবেদন ফেরত দিয়েছে হাইকোর্ট


স্টাফ রিপোর্টার ॥ এাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া কোন্্ ক্ষমতাবলে মন্ত্রী বা এমপি পদে বহাল আছেন তা জানতে চেয়ে হাইকোর্টে দায়ের করা রিট আবেদনটি ফেরত দিয়েছে হাইকোট। রিট আবেদন শুনতে রাজি হননি। বুধবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী মোঃ ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আইনজীবী ড. মো. ইউনুচ আলী আকন্দ বলেছেন , হাইকোর্টের অন্য বেঞ্চে এ আবেদন নিয়ে যেতে বলেছেন । আদালত বলেছে, অন্য কোন জ্যেষ্ঠ বেঞ্চে নিয়ে যেতে। এর আগে মঙ্গলবার সকালে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন সুপ্রীমকোর্টের আইনজীবী ইউনুচ আলী আকন্দ।

রিট আবেদনে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, নির্বাচন কমিশনার ও জাতীয় সংসদের স্পীকারকে বিবাদী করা হয়েছে। দুর্নীতির মামলায় খালাসের রায় বাতিল হওয়ার পর কোন্ কর্তৃত্ববলে এখনও মন্ত্রী ও এমপি পদে রয়েছেন- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মায়ার কাছে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব চেয়ে গত ৩০ জুন মায়াকে একটি উকিল নোটিস পাঠিয়েছিলেন এই আইনজীবী। এর জবাব না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবী। নোটিসে বলা হয়, সংবিধানের ৬৬-এর ২ (ঘ) দফা অনুসারে দ-িত ব্যক্তি সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী পদে থাকতে পারেন না। সংবিধানের ওই অনুচ্ছেদে সংসদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতার বিষয়ে বলা হয়েছে, যদি কেউ নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দুই বছরের কারাদ-ে দ-িত হন এবং তার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বছরকাল অতিবাহিত না হয়ে থাকে, তবে তিনি সংসদ সদস্য থাকার যোগ্য হবেন না।

গত ১৪ জুন একটি দুর্নীতি মামলায় মায়াকে খালাস করে হাইকোর্টের দেয়া রায় বাতিল করে নতুন করে আপীল শুনানির আদেশ দেয় আপীল বিভাগ। আপীল বিভাগের ওই রায়ের পরে মায়ার পদে থাকা নিয়ে দুই ধরনের বক্তব্য আসে। দুদকে আইনজীবী খুরশীদ আলম বলেন মায়ার সংসদ সদস্য পদ ধরে রাখা উচিত নয়। অন্যদিকে মায়ার আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদারের দাবি, যেহেতু আপীল বিচারাধীন, সেহেতু মন্ত্রিত্ব ও সংসদ সদস্য পদ নিয়ে ৬৬ (২) (ঘ) অনুচ্ছেদটি এক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।