২২ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৩ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

এবার ওমরাহ করতে সৌদি আরব যাচ্ছেন না খালেদা


স্টাফ রিপোর্টার ॥ এবার রোজায় ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরব যাচ্ছেন না খালেদা জিয়া। তবে কি কারণে যাচ্ছেন না খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। তবে জানা গেছে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের অনেক নেতা কারাবন্দী থাকা, সফরসঙ্গী কারও কারও দেশের বাইরে যেতে নিষেধাজ্ঞা থাকা এবং তারেক রহমান লন্ডন থেকে সৌদি আরব আসার জন্য ভিসা না পাওয়ায় তিনি এবার ওমরাহ পালন করতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, খালেদা জিয়া ওমরাহ করতে গেলে বিএনপির বেশ ক’জন সিনিয়র নেতা মিলে ওয়ান-ইলেভেন স্টাইলে আবারও পাল্টা বিএনপি গঠনের আভাস পেয়ে তিনি এবার ওমরাহ পালন করতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, বুধবার ওমরাহ পালন করতে খালেদা জিয়ার সৌদি আরবের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার কথা ছিল। এ জন্য যাবতীয় প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু একদিকে লন্ডন থেকে তারেক রহমানের সৌদি আরব আসার জন্য ভিসা না পাওয়া এবং মামলাজনিত কারণে বাংলাদেশ থেকে খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলী ফালুসহ আরও ক’জনের বিদেশে যাওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা থাকায় তিনি প্রতিবারের মতো এবার রোজায় ওমরাহ পালন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে। অবশ্য ওমরাহ করতে যাওয়ার জন্য সব প্রস্তুতিই নেয়া হয়েছিল। ১৩ জনের ভিসাও হয়। বুধবার রাতের এমিরেটস এয়ারলাইন্সের টিকেটও কাটা হয়।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর রোজার শেষভাগে ওমরাহ করতে সৌদি আরবে গেলেও এবার শেষ মুহূর্তে সফর বাতিল করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। কারাবন্দী নেতা কর্মীদের কথা বিবেচনা করেই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বিএনপির মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপন সাংবাদিকদের জানান, প্রতিবছরই সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে আমাদের চেয়ারপার্সন ওমরাহ করতে যান। তবে এবার তিনি যাচ্ছেন না। এর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও অসংখ্য কর্মী এখনও কারাবন্দী। এই মুহূর্তে ম্যাডাম তাদের পাশে থাকার কথা চিন্তা করছেন। সেজন্য এই রোজায় ওমরাহ করতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ঈদের পর সুবিধাজনক সময়ে তিনি ওমরাহ করতে যাবেন।

ডজনখানেক মামলার পলাতক আসামি তারেক রহমান গত ছয় বছর ধরে পরিবার নিয়ে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। ইতোমধ্যে তার বাংলাদেশী পাসপোর্ট বৈধতা হারানোয় তিনি এখন শরণার্থী হিসেবে লন্ডনে অবস্থান করছেন। তাই তার ভিসার ব্যাপারে জটিলতা দেখা দেয়। তবে তিনি কী ভাবে সৌদি আরবে যেতে চেয়েছিলেন সে বিষয়টি বিএনপি নেতাদের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়নি।