২৫ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চের কাছে ফেলানীর বাবার আবেদন


স্টাফ রিপোর্টার, কুড়িগ্রাম ॥ ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম পুনরায় সঠিক বিচার পাওয়ার আশায় বুধবার দুপুরে ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চের (মাসুম) নির্বাহী পরিচালক কিরীট রায়ের কাছে ফেলানী হত্যা ন্যায়বিচারের কার্যকরী উদ্যোগ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করে একটি আবেদন জানিয়েছেন।

ভারতের কোচবিহারে বিএসএফের বিশেষ আদালতে ফেলানী হত্যা মামলার পুনর্বিচারের রায়ে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে নির্দোষ ঘোষণা করেছে আদালত। ফেলানীর বাবা-মা মেয়ে কন্যা হত্যার অপ্রত্যাশিত এ রায়ে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম নুরু জানান, দুই দফা সাক্ষ্য দেয়ার পরও তার মেয়ে হত্যার ন্যায্যবিচার পাননি তিনি। তিনি এ রায় প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার মতে অমিয় ঘোষের ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল। তা না করে ভারতের বিএসএফ বিচারের নামে তামাশা করেছে। তাই ভারত সরকারের কাছে সঠিক বিচার পাবার আশায় উপরোক্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চের আবেদনপত্রে ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম জানান গত ২০১১ সালে ৭ জানুয়ারি আমার কন্যা ফেলানী খাতুনকে বাংলাদেশ ভারত সীমান্তের আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার নং ৯৪৭ এর কাছে বিএসএফ সদস্যদের কাছে গুলিতে নির্মমভাবে নিহত হয়েছিল। এ ঘটনার পর বিএসএফ তার আদালতে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে অভিযুক্ত করে একটি অভিযোগ গঠন করে। ২ বছর ৮ মাস পর ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে নির্দোষ রায় দেন বিএসএফের আদালত। সেই রায় যথার্থ মনে করেননি বিএসএফ মহাপরিচালক। তিনি রায় পুনর্বিবেচনার আদেশ দিয়েছিলেন।

ডাঃ জাফরুল্লাহর পক্ষে ৫১ মুক্তিযোদ্ধার বিবৃতি

স্টাফ রিপোর্টার ॥ গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে পুনরায় দায়ের করা আদালত অবমাননা মামলার আবেদনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ৫১ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা। বুধবার ‘আমরা রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা’ শীর্ষক সংগঠনের প্যাডে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এ ঘটনায় বিস্মিত ও মর্মাহত হওয়ার কথা জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, যে কোন আদালতের গঠনমূলক সমালোচনা সেই আদালতকে আরও গ্রহণযোগ্য করে তোলে। একজন মুক্তিযোদ্ধা খুন করলে তার ফাঁসি হতে পারে, চুরি করলে জেল-জরিমানা হতে পারে কিন্তু বাগ্-স্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তার পক্ষে বিবৃতি দেয়ায় ডাঃ জাফরুল্লাহর মতো একজন নির্লোভ, মানবসেবায় নিয়োজিত বীর মুক্তিযোদ্ধাকে অপমান করার অধিকার কারও নেই। বিবৃতিতে মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, মেজর জেনারেল (অব) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম বীরপ্রতীক, কর্নেল (অবঃ) মনীষ দেওয়ান, ফারুক-ই-আযম বীরপ্রতীক, মিজানুর রহমান বীর প্রতীক প্রমুখ।