২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

যশোরে অনিশ্চতায় দ্বিতীয় শিল্পনগরী স্থাপন


স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ জেলায় দ্বিতীয় শিল্পনগরী গড়ে তুলতে ২০১১ সালের মে মাসে সরকারের কাছে প্রস্তাব করে যশোর বিসিক কর্তৃপক্ষ। যশোর-নড়াইল সড়কের দাইতলা সেতুর পাশে ফতেপুর গ্রামে ‘অটোমোবাইল শিল্পাঞ্চল’ স্থাপনের এ প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু যশোরে দ্বিতীয় বিসিক স্থাপনের কাজ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বিসিক কর্মকর্তারা বলছেন, খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম ধাপে দ্বিতীয় বিসিক স্থাপনের কাজ শুরু হচ্ছে কুষ্টিয়ায়। ফলে সহসাই যশোরে দ্বিতীয় বিসিক গড়ে উঠছে না। জানা গেছে, বিভিন্ন সুবিধা ও নানা যৌক্তিকতা তুলে ধরে নয় দফা সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজুর রহমানের মাধ্যমে বিসিক প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছিল। প্রধান কার্যালয় থেকে ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পরিদর্শনে একটি দল আসার কথা থাকলেও তা হয়নি। দ্বিতীয় শিল্পনগরী গড়ে ওঠার কাজে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন যশোরের শিল্প উদ্যোক্তারা। যশোর বিসিক অফিস সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনের (বিসিক) যশোর শাখায় ১২৩টি ইউনিট রয়েছে, যার মধ্যে ১২১টি ইউনিটেই শিল্প-কলকারখানা চালু রয়েছে। বাকি দুটি ইউনিটও বরাদ্দ দেয়া রয়েছে। তাই বিসিকে কোন প্লট খালি নেই। গত এক বছরে শতাধিক আবেদন জমা পড়েছে যশোর বিসিকে। অর্ধশত আবেদন ফেরত দেয়া হয়েছে। তাই শিল্প উদ্যোক্তাদের চাহিদা মেটাতে জেলায় দ্বিতীয় শিল্পনগরী গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয় যশোর বিসিক কর্তৃপক্ষ। যশোর বিসিকের শিল্পনগরী কর্মকর্তা লুৎফর রহমান জানান, যশোর শহরের পাশেই ঝুমঝুমপুরে ৫০ একর জমির ওপর ১৯৬২ সালে গড়ে ওঠে এ শিল্পনগরী। যশোর চেম্বারের পরিচালক ও শিল্প উদ্যোক্তা হুমায়ন কবীর কবু জানান, যশোরে দ্বিতীয় শিল্পনগরী গড়ে না উঠলে সরকারের যে শিল্পনীতি তার সঙ্গে সামঞ্জস্য হবে না। আর একই সঙ্গে জেলার অর্থনীতির সচল চাকা থামিয়ে দেয়া হবে। বিসিকের প্রধান কার্যালয়ের খামখেয়ালিপনা ব্যবসায়ীদের অনেক ক্ষতি করছে। যত দ্রুত দ্বিতীয় শিল্পনগরী গড়ে উঠবে, অর্থনীতিতে তত সুফল বয়ে আনবে।