২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৮ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

মানবতাবিরোধী অপরাধ: মহেশখালীর ছয়জনকে সেফহোমে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি


স্টাফ রির্পোটার ॥ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতারকৃত কক্সবাজারের মহেশখালীর ছয়জনকে সেফহোমে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। তাদেরকে আলাদা আলাদাভাবে মোট চারদিনে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।

প্রসিকিউশনের আবেদনে বুধবার (৮ জুলাই) এ অনুমতি দেন চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর রানা দাশগুপ্ত ও ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ।

কক্সবাজারের মহেশখালীর মোট ১৯ জন এ মামলার আসামি। তার মধ্যে বিভিন্ন সময়ে সাতজনকে পুলিশ গ্রেফতার করলেও আসামি শামসুদ্দোহা কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

গ্রেফতার হয়ে কারাগারে থাকা অন্য ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন- এলডিপির নেতা কক্সবাজার চেম্বারের সাবেক সভাপতি সালামত খান উল্লাহ খান ওরফে আঞ্জুবর ওরফে ‘পঁচাইয়া রাজাকার’, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ রশিদ মিয়া, জিন্নাত আলী, মৌলভী ওসমান গণি, নুরুল ইসলাম ও বাদশা মিয়া। তাদেরকে ধানমণ্ডির সেফহোমে নিয়ে আলাদা আলাদাভাবে মোট চারদিনে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন তদন্ত সংস্থা।

সব আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল-২ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলেও পলাতক আছেন মৌলভী জাকারিয়া সিকদারসহ বাকি ১২ জন। এর মধ্যে কক্সবাজার জেলার শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের দুইজন সালামত উল্লাহ খান ও মোহাম্মদ রশিদ মিয়ার সঙ্গে অপর আসামি মৌলভী জাকারিয়া সিকদারের বিরুদ্ধে গত ১ মার্চ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। ওইদিনই দুপুরে সালামত ও রশিদকে গ্রেফতার করে স্থানীয় পুলিশ। ২ মার্চ তাদেরকে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠিয়ে দেন ট্রাইব্যুনাল।

এ তিনজনের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে গিয়ে তাদের সঙ্গে আরও ১৬ জনের মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পান তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশন। গত ২১ মে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে ওই ১৬ জনের বিরুদ্ধেও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। তাদের মধ্যে পরে গ্রেফতার হন পাঁচজন। ২৪ ও ২৫ মে তাদেরকে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠিয়ে দেন ট্রাইব্যুনাল।

আগামী ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে এ ১৯ জনের মামলার তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।