মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
১৬ আগস্ট ২০১৭, ১ ভাদ্র ১৪২৪, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

তদন্ত কর্মকর্তাকে সহায়তা করার নির্দেশ আদালতের

প্রকাশিত : ৮ জুলাই ২০১৫
  • কোকেন আটক

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কোকেনের আলামত সংগ্রহ এবং জব্দ করার সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে পুলিশের ডিসি পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে রাখার নির্দেশনা দিয়েছে আদালত। এছাড়া মামলা তদন্ত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে সহযোগিতার জন্য বন্দর, কাস্টমসসহ সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম ফরিদ আলমের আদালত এ নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের এসি মোঃ কামরুজ্জামান গত সোমবার কোকেনের আলামত সংগ্রহ ও জব্দ করতে গিয়ে কাস্টমসের সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ করেছিলেন আদালতের কাছে। এছাড়া শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের পক্ষ থেকেও কাস্টমসের এখতিয়ারে থাকা মালামাল জব্দের ব্যাপারে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল। বিচারক মঙ্গলবার দুটি অভিযোগেরই নিষ্পত্তি করেন। ফলে সানফ্লাওয়ার ব্র্যান্ডের ভোজ্যতেলের ঘোষণায় বন্দরে কোকেন আনার বিষয়টির তদন্ত কাজ কাস্টমস ও পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে সৃষ্ট জটিলতার আবর্তে ঘুরপাক খেলেও শেষ পর্যন্ত তার অবসান হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী মুত্তাকী ইবনু মিনান জানান, আদালতের আদেশে বন্দর থেকে কোকেনের আলামত সংগ্রহ ও জব্দ করাকালে ডিসি পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা রাখার পাশাপাশি তদন্ত কর্মকর্তাকে সকল ধরনের সহায়তা করতে বলা হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ, কাস্টমস, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর ও শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তাকেও এ সময় উপস্থিত থাকতে হবে। ভুল বোঝাবুঝি ও কোন ধরনের তদন্ত কাজে জটিলতার কারণে কোকেন আমদানির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা যেন সুবিধা পেয়ে না যায়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের ওপর জোর দেয়া হয়েছে আদালতের নির্দেশনায়।

কাস্টমস সূত্রে জানানো হয়, মালামাল জব্দ করতে আদালত থেকে যে নির্দেশনা পুলিশকে দেয়া হয়েছিল তার কোন কপি কাস্টমস কর্র্তৃপক্ষ বা শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর পায়নি। তাছাড়া কাস্টমসের ১৬৯ ধারা অনুযায়ী শুল্ক কর্তৃপক্ষের এখতিয়ারে থাকা কোন পণ্য পুলিশ জব্দ করতে পারে না। বরং পুলিশ কোন পণ্য জব্দ করলে তা নিকটস্থ কাস্টমসে হস্তান্তর করতে হয়। আদালতের নির্দেশনার কপিটি না পাওয়ায় এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছিল। আদালতের নির্দেশনায় বিভ্রান্তি দূর হয়েছে।

গত ৬ জুন রাতে চট্টগ্রাম বন্দরে খালাস হওয়া ১০৭ ড্রাম ভর্তি সানফ্লাওয়ার ব্র্যান্ডের ভোজ্যতেল আটক করে সিলগালা করা হয়। পরবর্তীতে নমুনা সংগ্রহে একটি ড্রামে তরল কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া যায়।

প্রকাশিত : ৮ জুলাই ২০১৫

০৮/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



শীর্ষ সংবাদ: