মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২০ আগস্ট ২০১৭, ৫ ভাদ্র ১৪২৪, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

আগাম নির্বাচনের খবর উড়িয়ে দিলেন তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত : ৮ জুলাই ২০১৫

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ জাতীয় সংসদের আগাম নির্বাচনের খবর উড়িয়ে দিয়ে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, এটা পত্র-পত্রিকার রসালো আলাপ। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন মন্ত্রী।

পত্রিকায় প্রকাশিত আগাম নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৯ সালেই নির্বাচন হবে। আগাম নির্বাচন সামনে আসছে এ রকম ধারণা নেই। যে কোন রাজনৈতিক দল নির্বাচনের পরদিন থেকে পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে। সে হিসাবে জাসদসহ সব দল আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এটাই রেওয়াজ। তিনি বলেন, এটা কোন খবর না, এ ব্যাপারে কেউ কোন আলোচনা করেনি। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জাসদ এজেন্ডায় রাখেনি। এটা পত্র-পত্রিকার রসালো আলাপ।

ওই সংবাদের প্রতিবাদ করেছেন কি-না এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আপনি তো কল্পনা করতে পারেন, পত্র-পত্রিকা, গণমাধ্যম কল্পনার যন্ত্র না। তথ্যের ওপর ডিল করবে। মাঝে মাঝে করে, উত্তেজনার বেলুন উড়ায়। এটা নিয়ে মাথা ঘামানোর কিছু নাই। তিনি বলেন, নির্বাচন সাংবিধানিক প্রক্রিয়া, অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হলে নির্বাচন আগে-পিছে হয়। আমি সে রকম কারণ দেখছি না। নির্বাচন এখন আলোচ্যসূচী নয়।

‘আগুন সন্ত্রাস’কে আড়াল করে, পাশ কাটিয়ে ‘আগুন সন্ত্রাসের নেত্রী’ খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিক ময়দানে বাঁচানোর জন্য এ ধরনের গল্প ফাঁদার চেষ্টা চলছে বলেও মন্তব্য করেন ইনু।

নির্বাচনে খালেদা জিয়ার অংশ নেয়ার সুযোগ থাকবে না- জাতীয় সংসদে তথ্যমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীমুক্ত নির্বাচন চাই বলে এত দিন আন্দোলন হয়েছে, শীর্ষ নেতারা আন্দোলন করেছেন। যুদ্ধাপরাধমুক্ত নির্বাচন চাওয়াটা গণতন্ত্রের জন্য মঙ্গলজনক ঘটনা। যিনি যুদ্ধাপরাধী হবেন না, তিনি নির্বাচন করবেন, ঠিক তেমনি আগামী নির্বাচনটা যুদ্ধাপরাধমুক্ত দেখতে চাই। গণতন্ত্রকে বাঁচানোর জন্য, রক্ষার জন্য। এ বক্তব্য অগণতান্ত্রিক নয়। এ বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে আদালতের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয় না। এটা কোন অসংসদীয় বক্তব্য নয়।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বহু মামলা আছে। আশা করছি, সাজা হবে। তিনি আদালতের বারান্দা থেকে বেরিয়ে আসতে পারলে নির্বাচনে আসবেন, না পারলে পারবেন না। এটা নিয়ে হই-চই করার কি আছে? খালেদা জিয়ার সাজা হবে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আদালতের বিষয়।

খালেদা জিয়ার মিথ্যাচারকে নয়া কৌশল উল্লেখ করে ভোল পাল্টানোর চেষ্টায় বিভ্রান্ত না হয়ে ‘আগুন সন্ত্রাসী’ খালেদা জিয়াকে কিভাবে মামলার সম্মুখীন করা যায়, সে বিষয়ে দেশবাসীর সহযোগিতা চান ইনু।

কেবলমাত্র খালেদা জিয়াসহ কিছু নেতাকর্মী অস্বস্তিতে আছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, অনেক কেন্দ্রীয় নেতা হেসে-খেলে আদালতে গিয়ে আরামে দিন কাটাচ্ছেন। ৮৪ হাজার কেন্দ্রীয় নেতার কয়জন মামলার আসামি, প্রশ্ন ইনুর।

খালেদা জিয়া পরিকল্পিতভাবে আগুন সন্ত্রাস করে মানুষ পুড়িয়েছেন, খালেদা জিয়া ঠা-া মাথার খুনীর শামিল। এর আগেও তিনি অপরাধ করেছেন, দুর্নীতির মামলা বিচারাধীন, তার পিঠে দুর্নীতির ছাপ আছে। তার দুই ছেলের নামেও দুর্নীতির মামলা আছে।

প্রকাশিত : ৮ জুলাই ২০১৫

০৮/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



শীর্ষ সংবাদ: