১৯ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৫ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

নতুন প্রস্তাব নিয়ে ব্রাসেলস যাচ্ছেন গ্রিক প্রধানমন্ত্রী


অনলাইন ডেস্ক ॥ গ্রিসের কাছে নতুন প্রস্তাব আশা করছেন ইউরোপীয় নেতারা। গণভোটে আন্তর্জাতিক ঋণদাতাদের কঠিন সিদ্ধান্ত মেনে নতুন বেলআউট চুক্তির প্রস্তাব গ্রিসের জনগণের প্রত্যাখ্যান করায় সুর নরম হয়ে এসেছে তাদের। আর এ কারণে ইউরোজোনের জরুরি বৈঠকে অংশ নিতে ব্রাসেলস যাচ্ছেন গ্রিক প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সিস সিপরাস।

রোববার (০৫ জুলাই) গ্রিসে অনুষ্ঠিত হয় গণভোট। নির্বাচন পূর্ববর্তী ভবিষ্যদ্বাণীগুলোকে মিথ্যা প্রমাণ করে ‘না’ এর পক্ষে ভোট পড়ে ৬১ শতাংশ। আর ইউরোজোন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় ক্ষমতাসীন নিরিজা পার্টির বিরোধীদের সঙ্গে একমত পোষণ করে ‘হা’ ভোট দিয়েছেন ৩৯ শতাংশ ভোটার।

গ্রিসের জনগণের সাহসী সিদ্ধান্তে রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সাধুবাদ জানালেও কপালে ভাঁজ পড়ে ইউরোজোন নেতাদের। গণভোটের ফল ঘোষিত হওয়ার পরপরই সোমবার (০৬ জুলাই) জরুরি বৈঠক ডাকেন ইউরোজোন নেতারা। মঙ্গলবারও (০৭ জুলাই) এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে সেসময় জানানো হয়। পরে সময় গড়াতেই সুর নরম হয়ে আসতে শুরু করে তাদের।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় স্পেনের অর্থমন্ত্রী লুই ডি গুইন্দোজ বলেন, গ্রিসের সঙ্গে তৃতীয় মেয়াদী কোনো বেলআউট চুক্তি করা যায় কি না, সে ব্যাপারে চিন্তা করছেন ইউরোজোন নেতারা।

এর কিছু পরই জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মার্কেল গ্রিক প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সিস সিপরাসকে টেলিফোন করে নতুন প্রস্তাব আশা করেন। এসময় তাকে আশ্বাস দিয়ে সিপরাস জানান, মঙ্গলবারের বৈঠকেই তিনি প্রস্তাব পেশ করবেন।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাসোঁয়া ওঁলাদও সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমার চিন্তা হচ্ছে, খুব বেশি সময় হাতে নেই আমাদের। গ্রিস ও ইউরোপ জরুরি অবস্থার মতো সময় পার করছে।

আন্তর্জাতিক ঋণদাতাদের কাছে গ্রিসের মোট ঋণের পরিমাণ ৩২০ বিলিয়ন ইউরো (২৭ লাখ ৮১ হাজার ৫২৭ কোটি টাকার কিছু বেশি)। এর বেশিরভাগই ইউরোজোনের সরকারগুলোর কাছ থেকে নেওয়া। এর মধ্যে প্রথম কিস্তি পরিশোধের শেষ তারিখ চলে গেছে গত ৩০ জুন। পরবর্তী তিনটি কিস্তি পরিশোধ করতে সামনে আসছে আরও তিনটি তারিখ। আগামী ১০ জুলাইয়ের মধ্যে ২ বিলিয়ন ইউরো (১৭ হাজার ৩৮৫ কোটি টাকা প্রায়), ২০ জুলাইয়ের মধ্যে সাড়ে ৩ বিলিয়ন ইউরো (৩০ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা প্রায়) মূল্যমানের বন্ড ও ২০ আগস্টের মধ্যে ৩.২ বিলিয়ন ইউরো (২৭ হাজার ৮১৫ কোটি টাকার কিছু বেশি) মূল্যমানের বন্ড পরিশোধ করতে হবে দেশটিকে।