২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

৩ কারণে চা কফির চেয়ে ভাল


* চায়ে ক্যাফিনের পরিমাণ

কফির অর্ধেক।

* চায়ে এ্যান্টি অক্সিডেন্টের পরিমাণ কফির চেয়ে ২ গুণ।

* থিয়ানিন চাতে থাকার কারণে আপনি সতর্ক এবং জাগ্রত থাকেন

* ক্যাফিনের মতন থিয়ানিন কিন্তু খারাপ নয়। ক্যাফিন বেশি খেলে আপনার গা হাত পা কাঁপতে পারে।

* চা খান, ভাল থাকুন।

* চা পাতা থেকে প্রাপ্ত চা শিকড়-ফুল থেকে প্রাপ্ত চায়ের চেয়ে অনেক ভাল।

* চা আপনার রক্তে খারাপ ফ্যাট এলডিএল কমায়।

* পরীক্ষাগারে পশুর ওপর পরীক্ষাকালে দেখা যায়, চায়ে পলিফেনলস অনেক রকম ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

* চায়ের পলিফেনলস দেহের শক্তি উৎপাদককে উজ্জীবিত করে এবং ফ্যাট পোড়ানোতে সাহায্য করে ওজন কমায় ।

* অনেক দিন ধরে চা খেলে আপনার হাড়ের গঠন মজবুত হবে।

* চা আপনার বুদ্ধির বিকারকে প্রতিরোধ করে।

* ৩ বা তার চেয়ে বেশি চা খেলে আপনার স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা ২১% কমে যায়।

* পলিফেনলস মুখের দুর্গন্ধকে বিনাশ করে।

* চা পানে আপনার রক্তের স্ট্রেস হরমোন কমে যায়।

* চায়ের থিয়ানিন আপনাকে সতর্ক এবং সজাগ করে তোলে।

* সবুজ চা পাকস্থলী ক্যান্সার, ফুসফুস ক্যান্সার, চোখের ছানি, বাত ও হার্টের অসুখ কমিয়ে দেয়।

* চায়ে আছে এ্যান্টি অক্সিডেন্টিভ এ্যান্টিবাইক্সেবিয়ান এ্যান্টি বার্ধক্যের বিভিন্ন উপাদান।

* চা মানুষকে রোগবিহীন চিরনবীন রাখে।

* হার্ট এ্যাটাকে চাপায়ীরা বেঁচে ওঠে সহজে।

* চা বমি বমিভাব, যাত্রাকালীন অসুস্থতা এবং মাথা ঘোরা ভাব কমিয়ে দেয়।

* চা সাইনোসাইটিস কমিয়ে দেয়।

* তুলসি চা আপনার লিভারকে কার্যকর রাখতে সাহায্য করে, রোগ প্রতিরোধ করে এবং হজম ঠিক রাখে।

পাকা বনাম কাঁচকলা

* পাকা কলা ও কাঁচকলার পুষ্টি প্রোফাইল প্রায় সমান।

* পাকা কলায় এ্যান্টি অক্সিডেন্টের পরিমাণ একটু বেশি থাকে।

* কাঁচকলারও কিছু গুণ আছে।

* কলা যখন পাকে, তখন তার স্টার্চ পরিবর্তন হয় সুগারে। তাই কাঁচকলা আপনার ব্লাড সুগারকে বাড়িয়ে দেয় না।

* কাঁচকলায় অধিক পরিমাণ সর্টবেইন ফ্যাটি এ্যাসিড থাকে, যা কিনা মানব দেহে হজম হয় না, কিন্তু পরিপাকতন্ত্রের মিউকোসাকে উজ্জীবিত করে।

* কাঁচকলা রক্ত আমাশয়ে ওষুধের মতন কাজ করে।