২৪ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৮ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

সম্পাদক সমীপে


ভোগান্তির নাম ঈদে বাড়ি ফেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিং

ঈদে বাড়ি ফেরাকে নির্বিঘœ করতে ৩ জুলাই শুক্রবার থেকে দূরপাল্লার বাসের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে। বাড়তি ভাড়া ও টিকেট সিন্ডিকেটদের হাত থেকে রেহাই দিতে যাত্রীদের জন্য এই ব্যবস্থা করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। ঈদের আগে নির্ধারিত মূল্যে বাসের টিকেট সংগ্রহ করতে পারা যেন সৌভাগ্যের ব্যাপার।

সেহ্্রি খেয়ে গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে দেখা গেছে হাজার হাজার মানুষের দীর্ঘ লাইন। দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের যাত্রীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও প্রত্যাশা অনুযায়ী টিকেট পাননি। টিকেট বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে যাত্রীদের এক অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দেয়া হয়েছে বলে যাত্রীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে টিকেট বিক্রি করা হয়েছে যাত্রীদের কাছে। গাবতলী ছাড়াও মহাখালী, কল্যাণপুর, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, ফকিরাপুল বাসস্ট্যান্ডেও একই চিত্র দেখা গেছে বলে ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানিয়েছেন।

সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা যায়, বাস মালিক পরিবহনের নেতারা বলেছেন, এবারের ঈদে ৬শ’ থেকে ৭শ’ বাস তারা ছাড়বেন। এতে প্রায় পঁয়ত্রিশ হাজার সিট রয়েছে। তবে মহাসড়কগুলোতে যদি যানজট ও দীর্ঘ লাইন না থাকে তবে তাঁরা যাত্রীদের পরিবহনকে নির্বিঘœ করতে আরও শ’খানেক গাড়ি ছাড়বেন।

এত কিছুর পরও ঈদে বাড়ি ফেরা কতটুকু নির্বিঘœ ও হয়রানিমুক্ত থাকবে তা নিয়ে সাধারণ যাত্রীরা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

মোরশেদ কমল

দোহার, নবাবগঞ্জ

বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিং একটি অতি পরিচিত শব্দ। কমবেশি সবাই এর ভুক্তভোগী হয়। র‌্যাগিং একটি শিক্ষার্থীর জীবনে অনেক প্রভাব ফেলে। অনেক সময় তারা আত্মহত্যার পথ পর্যন্ত বেছে নেয়। অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসে র‌্যাগিংয়ের শিকার হয়। যার পরিণাম হয় ভয়াবহ। তার কোমল মনে আঘাত হানে। সে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া পর্যন্ত ছেড়ে দিতে চায়।

প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথমবর্ষ কাটে র‌্যাগিংয়ের মধ্য দিয়ে। অনেক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ে র‌্যাগিংয়ের কারণে, অনেকের মনে চিরস্থায়ী ক্ষত তৈরি করে এই র‌্যাগিং।

বিশ্ববিদ্যালয়ে বাছাই করা মেধাবী শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয়, অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ে এ প্রথা চালু রয়েছে। এ ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের বোধোদয় কি কখনও ঘটবে না?

মোহাম্মদ শাহীন সরদার

কানাইপুর, ফরিদপুর