২৪ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোর স্বাধীনতা স্বীকৃতি পর্যালোচনা করবে মস্কো


সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৯১ সালে বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোর স্বাধীনতার প্রতি স্বীকৃতি আইনসম্মত ভাবে দিয়েছিল কিনা তা পর্যালোচনা করে দেখবে রাশিয়ার প্রধান প্রসিকিউটরের অফিস। খবর বিবিসি অনলাইনের।

লিথুয়ানিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিনাস লিঙ্কোভসিয়াস এ তদন্তকে এক ‘অযৌক্তিক উসকানি বলে’ অভিহিত করেছেন। সোভিয়েত কমিউনিস্ট বাহিনী ১৯৪০ সালে এস্তোনিয়া, লাতভিয়া ও লিথুয়ানিয়া দখল করে। ১৯৫৪ সালে রাশিয়ার কাছ থেকে নিয়ে ইউত্রেুনের কাছে ক্রিমিয়া হস্তান্তর অবৈধ ছিল বলে রাশিয়ান প্রধান প্রসিকিউটর গত সপ্তাহে ঘোষণা করেছেন। ঐ সময় কমিউনিস্ট নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভের অধীন ইউনিয়ন অব সোভিয়েত সোস্যালিস্ট রিপাবলিকের (ইউএসএসআর) প্রজাতন্ত্র ছিল রাশিয়া ও ইউক্রেন। রাশিয়া ২০১৪ সালের মার্চে ক্রিমিয়া একীভূত করে নিলে তার নিন্দা জাাননো হয় আন্তর্জাতিকভাবে। সেখানে জাতিগত রুশরা এক অত্যন্ত বিতর্কিত গণভোটে রাশিয়ায় যোগ দেয়ার জন্য ভোট দেয়। এস্তোনিয়া ও লাতভিয়ায় ব্যাপকসংখ্যক জাতিগত রুশ সংখ্যালঘুদের বাস। লিথুয়ানিয়ায় এ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা কম। প্রসিকিউটরের অফিসের এক সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে রাশিয়ার ইন্টারফ্যক্স সংবাদ সংস্থা জানায়, দুজন পার্লামেন্টারি প্রতিনিধির অনুরোধের প্রেক্ষিতে বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোর স্বাধীনতার বিষয়টির তদন্ত করা হবে। প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের ইউনাইটেড রাশিয়া দলের এমপি ইয়েভগেনি ফিয়োদরোভ ও আন্তোন রোমানোভ এক চিঠিতে বলেছেন, ১৯৯১ সালে বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোকে স্বাধীনতা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এক অশাসনতান্ত্রিক সংস্থা। সূত্র জানায়, ১৯৯১ সালে এস্তোনিয়া, লাতভিয়া ও লিথুয়ানিয়ার স্বীকৃতি অবৈধ বিবেচিত হলে তা ‘বৈধ পরিণাম’ বলে গণ্য হবে না। এ তিনটি বাল্টিক রাষ্ট্র ২০০৪ সালে ইইউ ও ন্যাটোতে যোগ দেয়। ২০১৪ সালের এপ্রিলে মস্কোর ক্রিমিয়া সংযুক্তি এবং ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে লড়াই শুরু হওয়ার পর থেকে রুশ বাল্টিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।