১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

মঙ্গলবার থেকেই ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের আইপিও জমা


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন জমা নেওয়া আগামীকাল মঙ্গলবার থেকেই শুরু হবে। চলবে ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। স্থানীয় ও প্রবাসী উভয় বিনিয়োগকারীদের জন্য এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে মূলধন বাড়ানোর ইস্যুতে বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) সঙ্গে কোম্পানির টানাপোড়েন সৃষ্টি হলে আইপিও আবেদন নির্ধারিত সময়ে জমা নেওয়া হবে কিনা সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। আইডিআরএর অভিযোগ, কোম্পানিটি অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধন বাড়ালেও তার জন্য অনুমোদন নেয়নি। তাছাড়া কোম্পানির সংঘস্মারক ও সংঘবিধিতে উল্লেখ করা মূলধনের সাথে আইপিওর প্রসপেক্টাসে উল্লিখিত মূলধনের মিল নেই। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আইডিআরএ’র পক্ষ থেকে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির কাছে চিঠি পাঠানো হয়।

অন্যদিকে বিএসইসির বক্তব্য, কোম্পানি ও তার ইস্যু ম্যানেজার তাদের কাছে যে নথিপত্র জমা দিয়েছে, তার ভিত্তিতেই তারা আইপিওর অনুমোদন দিয়েছেন। এ বিষয়ে তাদের কিছু করণীয় নেই। বিমা আইন লংঘন করে থাকলে কোম্পানির বিরুদ্ধে আইডিআরএ ব্যবস্থা নিতে পারে।

এমন জটিলতায় পড়ে ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কর্তৃপক্ষ আইপিওর আবেদনের সময় পেছানোর কথা ভাবতে শুরু করে। পাশাপাশি আইডিআরএ’র সাথেও আলোচনা চালাতে থাকে তারা। এরই এক পর্যায়ে আইডিআরএ’র সাথে সমঝোতা হয়।

আবেদনের বিষয়ে কোম্পানির প্রধান অর্থকর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, আবেদন বন্ধের বিষয়ে পরিচালনা পর্ষদে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তাই আগের সময়েই আবেদন চলবে।

প্রসঙ্গত, পুরনো পদ্ধতিতে অনিবাসী বিনিয়োগকারীরা আবেদন জমা বা পৌঁছানোর জন্য বাড়তি সময় পেতেন। নতুন পদ্ধতিতে স্থানীয় ও অনিবাসী-উভয় বিনিয়োগকারীর জন্য সমান সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স আইপিও আবেদনের নতুন পদ্ধতিতে দ্বিতীয় কোম্পানি।

আইপিও আবেদনের নতুন পদ্ধতির আওতায় শুধু ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্ট (ডিপি) তথা ব্রোকারহাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে আবেদন জমা দেওয়া যাবে। এর আগে পরীক্ষামূলকভাবে পদ্ধতিটি চালু করা হয়েছিল। তখন ব্যাংক কিংবা ডিপি-যে কোনো একটির মাধ্যমে আবেদন করার সুযোগ পেতেন বিনিয়োগকারীরা।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৪৩তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ১ কোটি ৭৭ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানিটিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।