২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

রাজশাহীতে নোংরা পরিবেশে লাচ্ছা সেমাই তৈরির হিড়িক


স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ ঈদকে সামনে রেখে এবারও রাজশাহীর বিসিক ও শহরের আনাচে-কানাচে গড়ে উঠেছে অসংখ্য সেমাই তৈরির কারখানা। কোন অনুমোদন ছাড়ায় নোংরা পরিবেশে এসব কারখানায় তৈরির মহোৎসব চলছে নিম্নমানের লাচ্ছাসহ বিভিন্ন ধরনের সেমাই।

নগরীর বিসিক ও আশপাশের এলাকায় অন্তত অর্ধশতাধিক সেমাই কারখানা গড়ে উঠেছে রাতারাতি। এসব মৌসুমি সেমাই কারখানার অনুমোদন না নিয়েই চলছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সেমাই উৎপাদন। এরই মধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালালেও প্রত্যন্ত এলাকায় গোপনে রাতের আঁধারে চলছে সেমাই তৈরির হিড়িক।

সর্বশেষ বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যায় পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এমন কয়েকটি সেমাই কারখানার সন্ধান পেয়েছে। সেগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছিল সেমাই। ভ্রাম্যমাণ আদালত জনসম্মুখে সেই সেমাইগুলো ধ্বংস করে। নগরীর বিসিক শিল্প এলাকায় অবস্থিত মেসার্স এসআর ফুড কারখানা থেকে ৪০০ কেজি ভেজাল লাচ্ছা সেমাই উদ্ধার করে। বিএসটিআইএর অনুমোদন না নিয়ে লাচ্চা সেমাই উৎপাদনের দায়ে পড়ে ওই কারখানা মালিকের ২৫ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়। এছাড়া আলাদা অভিযানে নওহাটা এলাকার আরও দুটি অননুমোদিত কারখানা থেকে ১০০ কেজি লাচ্ছা সেমাই ও ১৭০ কেজি ‘খমির’ (মাখানো ময়দা) উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সেমাইসহ অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়। এদিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন না নিয়ে চানাচুর, লাচ্ছা ও পাউরুটি তৈরির দায়ে ওই এলাকার বিশাল ফুট ইন্ডাস্ট্রিজকেও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে। জানা গেছে, ছোটবড় সব মিলিয়ে রাজশাহীতে অর্ধশতাধিক কারাখানায় সেমাই উৎপাদন চলছে। মাননিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) নাকের ডগাই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চালিয়ে যাচ্ছে উৎপাদন। বিএসটিআই রাজশাহীর পরিচালক এবিএম মর্ত্তজা হোসেন শাহ জানান, ভেজাল ও নি¤œমানের সেমাই প্রস্তুতকারী কারখানাগুলোতে পর্যায়ক্রমে অভিযান চালানো হচ্ছে। রোজা শুরুর আগে থেকেই নগরীতে ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে বিএসটিআই।