২৪ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

স্থানীয় পরিষদে নারীর ভূমিকা বৃদ্ধির আহ্বান ইউনিসেফের


অনলাইন রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশের স্থানীয় পরিষদে নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধিসহ তাদের ভূমিকা আরো বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও উপজেলা পরিষদে নির্বাচিত নারী প্রতিনিধিদের জন্য আয়োজিত এক প্রশিক্ষণে এ আহ্বান জানানো হয়।

স্থানীয় প্রশাসনে নারী প্রতিনিধিদের ভূমিকা আরো জোরালো এবং দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব লোকাল গভর্নমেন্ট (এনআইএলজি)-এর সহযোগিতায় ইউনিসেফ এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে।

বছরব্যাপী পরিচালিত সাত বিভাগের নির্বাচিত ২০টি জেলা থেকে প্রায় দুই হাজার নারী প্রতিনিধি এ প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন।

এ প্রশিক্ষণ আয়োজনের উদ্দেশ্য হচ্ছে, নির্বাচিত নারী প্রতিনিধি বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও উপজেলা পরিষদে প্রতিনিধিত্বকারী নারী সদস্য ও কর্মকর্তাদের প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি, ক্ষমতায়ন ও নেতৃত্ব, শিশু অধিকার রক্ষা এবং তাদের দায়দায়িত্ব বৃদ্ধি করা।

প্রতি ইউনিয়ন পরিষদে তিনজন এবং উপজেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান পদে একজন করে নারী প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে থাকেন।

ইউপির নারী সদস্য এবং উপজেলা পরিষদে নির্বাচিত নারী প্রতিনিধিদের ক্ষমতায়ন, শিশু অধিকার, নারী অধিকার রক্ষা এবং অধিকার বঞ্চনার ক্ষেত্রে নারী প্রতিনিধিদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, সচেতনতা, দায়িত্ব এবং কর্তব্য আরো বৃদ্ধির জন্য এনআইএলজি-র সহায়তায় ইউনিসেফ প্রশিক্ষণ শিক্ষাক্রম উন্নয়ন করেছে।

বৃহস্পতিবার প্রশিক্ষণ উদ্বোধনকালে ইউনিসেফ প্রতিনিধি এডুয়ার্ড বেইগবেডর বলেন, ইউনিসেফ আনন্দিত যে, নারীর ক্ষমতায়ন ও তাদের ভূমিকা বৃদ্ধির জন্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব লোকাল গভর্নমেন্ট (এনআইএলজি)-এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছে। এই যৌথ উদ্যোগে দুটি সংস্থা আরো অনেক পথ হাঁটতে চায়।

এদিকে, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব লোকাল গভর্নমেন্ট (এনআইএলজি)-এর প্রশিক্ষণ ও উপদেষ্টা বিষয়ক পরিচালক

মো. গোলাম ইয়াহিয়া বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। আমরা তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের ক্ষমতায়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা এবং তাদের ভূমিকা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।

এর মাধ্যমে নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা আরো জোরালো হবে।

তিনি জানান, এই ধরনের উদ্যোগের ফলে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী প্রতিনিধিদের আত্মবিশ্বাস, দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে সমাজে তাদের কণ্ঠ আরো জোরালো হবে। এতে নারী এবং শিশু অধিকার রক্ষায় তারা আরো ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।

এতে করে বাংলাদেশ যে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনে অগ্রগতি করেছে, তার গতি আরো বৃদ্ধি পাবে।