১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৮ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

ভূমিকম্প মোকাবেলায় ১৩শ’ কোটি টাকার প্রকল্প


অনলাইন রিপোর্টার ॥ ঢাকা, গাজীপুর, সিলেট ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকায় ভূমিকম্পের প্রভাব ক্ষয়ক্ষতি ও জরুরি অবস্থা মোকাবেলায় ১ হাজার ৩৮১ কোটি

৪৫ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৩২ কোটি ১০ লাখ টাকা অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক।

ভূমিকম্প মোকাবেলার প্রকল্পসহ একনেক সভায় ২ হাজার ৩ কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ৭ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে জিওবি ৬৫২ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব তহবিল ১৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য ১ হাজার ৩৩২ কোটি ১০ লাখ টাকা।

বৃহস্পতিবার শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভাায় ‘আরবান রেজিলেন্স’ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য ঢাকা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট (ডিএমডিপি) ও সিলেট মহানগরী এলাকায় ভূমিকম্পের মতো বৃহদাকারের দুর্যোগ জরুরি অবস্থা মোকাবেলার দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। প্রকল্পটি জুলাই ২০১৫ থেকে জুন ২০২০ সাল নাগাদ বাস্তবায়ন করা হবে।

ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যে গবেষণা ও ইনস্টিটিউট স্থাপন করা

হবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনা হবে। ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট সেন্টার ও ওয়্যার হাউজ নির্মাণ করা হবে। সেই সঙ্গে পরামর্শক সেবা সংগ্রহ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

প্রকল্প প্রসঙ্গে পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, বাংলাদেশের আশপাশে সকল স্থানে ভূমিকম্প হয়েছে। আল্লাহ কিন্তু আমাদের বাঁচিয়ে দিয়েছে। ঢাকা ও সিলেট অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা। ভূমিকম্পের সঙ্গে আমরা সরাসরি মোকাবেলা করতে পারবো না। কিন্তু ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যে আমাদের কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সেই লক্ষ্যে প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

‘প্রকল্পের আওতায় আমরা ভূমি সার্ভে করবো। কোথায় কত তলা বিশিষ্ট বাড়ি তৈরি করা যাবে। কোথায় কি পরিমাণে বাড়ি-ঘর তৈরির উপাদান ব্যবহার করা যাবে সেই বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ভূমিকম্প পরবর্তী সময়ে দুর্গম এলাকায় যাতে করে সহজে পৌঁছানো যায় সেই সব সরঞ্জামও কেনা হবে।’ যোগ করেন মন্ত্রী।